পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

যে আইন বাতিলের দাবিতে আন্দোলনের ঝড় উঠেছে, তার প্রয়োগে আদালতের স্থগিতাদেশ, অযাচিত ভাবে কমিটি গঠন, কৃষকদের সেই কমিটি প্রত্যাখ্যান এবং অবশেষে কমিটির সদস্যেরই অব্যাহতি কি বিচারবিভাগের প্রতি অনাস্থাকেই বাড়িয়ে দিল না ?

Read more


প্রধান বিচারপতি বোবদের নিষেধকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে নারী আন্দোলনকারীরা কৃষক আন্দোলনের সামনের সারিতে সদম্ভে থেকে গেলেন। কৃষি আইনে মহিলা কৃষকদের ন্যায্য মজুরি, স্বীকৃতি বা কর্মক্ষেত্রে সামাজিক সুরক্ষার কোনও উল্লেখ নেই। বরং কর্পোরেটের হাতে কৃষিক্ষেত্র তুলে দিয়ে কৃষক নারীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক শোষণ বৃদ্ধির চক্রান্ত, তা বুঝতে নারী-কৃষকেরা ভুল করেননি।

Read more


অন্নদাতারা জীবন বাজী রেখে নিজেদের ও আপামর দেশবাসীকেও আজ রক্ষার দায়িত্ব নিয়েছেন। এই লড়াই কর্পোরেট শক্তির সঙ্গে কৃষক সমাজের লড়াই। যদি আমরা আজ কৃষকদের পাশে থেকে এই মরণপণ লড়াইয়ে সামান্য সাহায্যটুকুও না করি, ইতিহাস আমাদের কোনওদিন ক্ষমা করবে না। কৃষক সমাজ শেষ হয়ে গেলে ধরিত্রীর মাটিও শুকিয়ে কালো হয়ে যাবে।

Read more


২৬ শে জানুয়ারীর ট্রাক্টর মিছিলের সময়ে লাল কেল্লায় যে পতাকা তোলা হয়েছিল, যা নিয়ে নরেন্দ্র মোদী তাঁর মন কি বাত অনুষ্ঠানে অবধি বলেছেন, তার পিছনে কি ঘটেছিল? কেন তার পরেই কৃষক আন্দোলনকে ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা হল, আসল সত্যিটা কি ? সেটা জানা কি জরুরী নয়? কেন দীপ সিধুকে এখনো গ্রেপ্তার করা হল না? কেন সাংবাদিকদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে ? গুরপ্রীত ভাসির ফেসবুক পোস্টের থেকে নেওয়া এই লেখাটি।

Read more


গণ্যমান্য ভুবনজয়ী বিশেষজ্ঞরা বলছেন আমাদের দেশ খাদ্যে স্বনির্ভর, প্রয়োজনের তুলনায় তিন গুণ বেশি খাদ্যশস্য এফসিআইয়ের গুদামে পচে যাচ্ছে। অথচ গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স অনুযায়ী ১০৭টি দেশের মধ্যে ভারতের স্থান ৯৪, নেপাল, পাকিস্থান, বাংলাদেশেরও নীচে! এটা একটা প্রহেলিকা! মাননীয়রা কি জানেন না যে গুদামে খাদ্য ইঁদুরে খাচ্ছে এই কারণে যে বিপুল সংখ্যক মানুষের কাছে খাদ্য পৌঁছাছেই না। কিছুদিন আগে হয়েছে, ট্রাক্টর মিছিল, আজ চাক্কা জ্যাম, তাই ফিরে দেখা এই কৃষি আইন নিয়ে এবং কেন এই কৃষক বিদ্রোহ?

Read more


রাস্তায় কৃষকরা বসে থাকুন ঠান্ডায় গরমে বর্ষায়। ছবি না হলেই হলো। টিভিতে যেন দেখানো না হয়, নেটে যেন ঘুরে না বেড়ায়। আজকের ফ্যাসিস্টদের ধারণা, ছবির ওপরই সব নির্ভর করে, ছবি দেখানো কিম্বা তোলা যদি বন্ধ করে দেওয়া যায়, রাষ্ট্ৰবিরোধী আন্দোলনও বন্ধ হয়ে যাবে।

Read more


সম্প্রতি কলকাতায় এক নাগরিক কনভেনশনের মধ্য দিয়ে ‘ফ্যাসিস্ট আরএসএস-বিজেপির বিরুদ্ধে বাংলা’ নামে ফোরাম গড়ে ওঠে। এই ফোরাম থেকে বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ‘নো ভোট টু বিজেপি’ শ্লোগান উঠে আসে । এখন নির্বাচন পর্বে ফোরাম প্রচারে নেমে পড়েছে পুরোদমে। যুক্ত হয়েছেন সমাজকর্মী, অধ্যাপক, চাকরিজীবি, ব্যবহারজীবি, ছাত্র-যুবশক্তির একাংশ।

Read more


মুরগী, চিংড়িচাষ, কাটাপোনা – সবইতো এখনই কোম্পানি চাষের আওতায়। দিব্যি তো চলছে। মুরগী, ডিমের দাম কমেছে কত – সস্তায় প্রোটিন পৌঁছে যাচ্ছে ঘরে ঘরে -এ কথাও শোনা যাচ্ছে আকাশে বাতাসে। কিন্তু সেই মাছের ডেডবডি, হরমোন ও অ্যান্টিবায়োটিক সমৃদ্ধ মুরগীর খাদ্যগুণের কথা আর নাই বা তুললাম। কোম্পানি এসেছে মুনাফা করতে – তার দোষ দেখিনা। কিন্তু রাশি রাশি শহুরে মানুষ এই সাব স্ট্যান্ডার্ড খাবারের পিছনে দৌড়চ্ছেন – আর রাশি রাশি গ্রামের মানুষও চাট্টি দেশী হাঁস মুরগী পুঁটিমাছ পোষার বদলে বাজার থেকে কুখাদ্য কিনে খাচ্ছেন – আর ১১৫ টা দেশের মধ্যে বিশ্ব ক্ষুধাসূচকে ১০২ নম্বর জায়গা দখল করে আমরা এখনও কোম্পানির গুন গাইছি –

Read more


আন্দোলনের অন্যতম প্রধান দূর্বলতা হচ্ছে এতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিদের যোগদান সীমিত। এই সত্যিটা যোগেন্দ্র যাদবের মতো নেতারা প্রকাশ্যে আনতে দ্বিধা বোধ করেন। তিনটি আইন লাগু হলে ছোট চাষিও একই ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। কৃষিক্ষেত্র যদি কর্পোরেটের লীলাক্ষেত্র হয়ে যায় তাহলে জমির মালিক ও ক্ষেতমজুরের পরম্পরাগত সম্পর্ক (যে সম্পর্কের মধ্যে শোষণ বদান্যতার রূপ নিয়ে থাকে) ছিন্ন হয়ে যাবে।

Read more


দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে লণ্ডনের নাগরিকরা জার্মান বোমারু বিমানের লাগাতার হামলার বিরুদ্ধে আকাশে উড়িয়ে দিতেন শয়ে শয়ে বেলুন। ওই বেলুনের শক্ত সুতো বোমারু বিমানের প্রপেলারে জড়িয়ে গিয়ে তাকে নিষ্ক্রিয় করতো। এর কোন উত্তর জার্মান যুদ্ধবাজদের জানা ছিলনা। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে সৃজনশীল জনতা বাঁচার অস্ত্র তৈরি করেন। আজকে কৃষকেরা ঘুড়ি উড়িয়ে ড্রোণকে অকেজো করে লড়াইয়ের নতুন পন্থা দেখাচ্ছেন।

Read more


কৃষকদের সঙ্গে সংঘাতের রাজনীতিকে চালিয়ে যাওয়াই মোদি সরকারের কৃষি নীতির অঙ্গ হয়ে উঠেছে। কৃষক আন্দোলনের চাপে কৃষি আইন প্রত্যাহার করাটা মোদি সরকার কখনোই মেনে নিতে পারেনি। এম এস স্বামীনাথনকে ভারতরত্ন প্রদান আর তাঁর এম এস পি সংক্রান্ত সুপারিশকে বাজে কাগজের ঝুড়িতে ফেলে দেওয়ার দুমুখো নীতিই মোদি সরকারের স্বাভাবিক চরিত্র। সাম্প্রতিক এম এস পির ঘোষণাতেও তার প্রতিফলন ঘটল। স্বামীনাথন কমিটির সুপারিশের তুলনায় অনেক কম মূল্যে কৃষিপণ্যের এম এস পি নির্ধারণ করে মোদি ৩ সরকার তাদের কৃষক বিরোধী নীতি বজায় রাখার কথা ঘোষণা করল।

Read more