যন্তরমন্তর আন্দোলনের সময় অথবা আমাদের দেশে সাম্প্রতিককালের যেকোনো আন্দোলনের সময় বারবারই আমরা গান্ধীর কথা স্মরণ করছি। তার একটি কারণ অবশ্যই অহিংস আন্দোলন এবং আরেকটি হলো অনশন সত্যাগ্রহ ।এই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা ভেবে দেখতে পারি আজকের জেন জি আন্দোলনের সাথে গান্ধীর সম্পর্ক কীরকম ত হতে পারে।
'এক প্যাকেট মসালামুড়ি' বলে একটা একশো টাকার নোট এগিয়ে দিলেন এক খদ্দের ভদ্রলোক। স্টলের একপাশে ঝুলছিল বিভিন্ন কর্পোরেট কোম্পানির রংবাহারি আকর্ষনীয় পটেটো চিপ্স, সোয়াবিন পাঁপর, মশালামুড়ি ইত্যাদি নানা ধরণের রেডিমেট স্ন্যাক্সের চেন।
একশ বছর আগে রবীন্দ্রনাথের লেখনীতে উঠে এসেছে আজকের দিনের ভয়ানক পরিবেশ বিপর্যয়ের স্পষ্ট চালচিত্র। বিপন্ন হিমালয় ও আরাবল্লি পর্বতরাজি পৃথিবীর মানচিত্র থেকে উধাও হয়ে গেলে ভারত সহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এক বৃহৎ অঞ্চল রূখাশুখা মরুভূমি বই অন্য কিছু নয়। প্রকৃতি প্রেমিক রবীন্দ্রনাথের প্রবন্ধ ও সংগীতে প্রকৃতি ভাবনা নিয়ে এই লেখা নিশ্চিত পাঠক পড়বেন। আজ প্রথম পর্ব।
নির্মমভাবে দমন-পীড়নকারী এমন সব একনায়ক কেন্দ্রিক বা নির্বাচনী স্বৈরতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার প্রধান লক্ষ্যই হলো যেকোনো মূল্যে ক্ষমতা আঁকড়ে রাখা। কয়েক দশক ধরে বিভিন্ন দেশে, মতাদর্শভিত্তিক দলীয় কাঠামোর বাইরে, গণতন্ত্রপ্রেমী জন-আন্দোলনগুলো সংগঠিতভাবে তীব্র জন-অসন্তোষ প্রকাশ এবং স্বৈরাচারী সরকার পতনের লক্ষ্যে অহিংস রাজনীতিকেই অন্যতম পদ্ধতি হিসেবে বেছে নিয়েছে, আর সেই আন্দোলনে সহিংসতার বিরুদ্ধে পাল্টা সহিংসতায় উত্তর দেওয়ার বদলে বিদ্রুপ করেন রাষ্ট্রের হিংস্রতাকে।
২০১৪ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে পৃথিবীব্যাপী সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা প্রতি বছর গড়ে ৪.৭ মিলিমিটার করে বাড়লেও, ২০২৪ সালে তা লাফিয়ে রেকর্ড ৫.৯ মিলিমিটারে গিয়ে ঠেকেছে—যা স্পষ্ট করে দেয় যে জলস্তর এখন অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে ভয়ংকর গতিতে বাড়ছে। শতাব্দীর শেষ অর্থাৎ ২১০০ সালের মধ্যে সমুদ্রের জলস্তর কমপক্ষে ০.৫৫ মিটার থেকে শুরু করে চরম পরিস্থিতিতে ১ মিটার বা তারও বেশি উঁচুতে ওঠার আশঙ্কা রয়েছে, কী হতে পারে তাহলে? আন্দাজ করলেই ভয় লাগছে না?
গত এপ্রিল-জুন তিনমাসের উপসাগরীয় যুদ্ধের বিধ্বংসী পরিস্থিতিতেও দেশের জিডিপি তার আগের বছরের ওই সময়ের জিডিপির তুলনায় ৭.৮ শতাংশ বেড়েছে। আবারো ভক্তবৃন্দ দলে দলে নাম সঙ্কীর্তন করতে নেমে পড়েছেন। ওদিকে মোদি সরকারের পূর্বতন অর্থসচিব শ্রী সুভাষ চন্দ্র গর্গ জিডিপির বৃদ্ধির হার নিয়ে টিপ্পনি কেটেছেন। তাহলে সত্যিটা কী? যা বলা হয়, না তার পিছনেও কোনও সত্যি আছে?
আজ সহমনের গল্প বিভাগে থাকল, ৩ টি অণুগল্প
১৯৩০ সালে যখন ইউরোপে মুসোলিনির কালো জামা বাহিনী কুচকাওয়াজ করছে, তখন ভারতে হিন্দু মহাসভার নেতা ডা. বি এস মুঞ্জে ইউরোপ ঘুরে এসে নাসিকে ভোঁসলা মিলিটারি স্কুল বানাচ্ছেন। অন্যদিকে জওহরলাল নেহেরু তার কন্যা ইন্দিরাকে লেখা চিঠিতে বলছেন এই সামরিকীকরণ, এই ইউনিফর্ম, এই কুচকাওয়াজের মধ্যেই ফ্যাসিবাদের ছায়া আছে। তখন থেকেই শুরু। এরপর প্রতিটি দশকে এই 'শব্দ'টি হাতবদল হয়েই চলেছে।
"স্কুল ঠিক করো" আন্দোলনের তথ্য বলছে শুধু মাত্র তেলেঙ্গানার মত রাজ্যেই - ৫,৪৩২ স্কুলে কারেন্ট নেই, ২,৮১১টায় টয়লেট নেই, ৫,০৯০টা স্কুল ১ জন শিক্ষক দিয়ে চলছে — সুতরাং অন্য রাজ্যেরও একই হাল, UDISE+ রিপোর্ট বলছে শিক্ষক-ছাত্র অনুপাত ১:২৪। সব ঠিক আছে। অথচ দেশজুড়ে প্রায় ৮ লক্ষ শিক্ষকের পদ খালি। বাজেটে শিক্ষায় ২.৯% ব্যয় অথচ প্রতিরক্ষা খাতে প্রায় ৫%।
যন্তরমন্তর আন্দোলনের প্রতিক্রিয়ায় উত্তর ভারতের বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে এসেছিল। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাদের দাবি ছিল শিক্ষক নিয়োগের। আজ আরেকটা বড় সমস্যা হল শিক্ষকদের বহু কাজ করতে হচ্ছে যার সঙ্গে স্কুল শিক্ষার কোন সম্পর্ক নেই।ভোট করানো, এসআইআর, জনগণনা প্রভৃতি কাজে শিক্ষকদের যুক্ত করানোর কারণে স্কুল খোলা থাকলেও নির্দিষ্ট ক্লাস হচ্ছে না। সরকারি স্কুল আজ পরিষেবা দেওয়ার কেন্দ্র ফলে বহু জায়গায় পড়াশোনা লাটে উঠছে।
যন্তরমন্তর আন্দোলনের প্রতিক্রিয়ায় উত্তর ভারতের বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে এসেছিল। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাদের দাবি ছিল শিক্ষক নিয়োগের। আজ আরেকটা বড় সমস্যা হল শিক্ষকদের বহু কাজ করতে হচ্ছে যার সঙ্গে স্কুল শিক্ষার কোন সম্পর্ক নেই।ভোট করানো, এসআইআর, জনগণনা প্রভৃতি কাজে শিক্ষকদের যুক্ত করানোর কারণে স্কুল খোলা থাকলেও নির্দিষ্ট ক্লাস হচ্ছে না। সরকারি স্কুল আজ পরিষেবা দেওয়ার কেন্দ্র ফলে বহু জায়গায় পড়াশোনা লাটে উঠছে।
"স্কুল ঠিক করো" আন্দোলনের তথ্য বলছে শুধু মাত্র তেলেঙ্গানার মত রাজ্যেই - ৫,৪৩২ স্কুলে কারেন্ট নেই, ২,৮১১টায় টয়লেট নেই, ৫,০৯০টা স্কুল ১ জন শিক্ষক দিয়ে চলছে — সুতরাং অন্য রাজ্যেরও একই হাল, UDISE+ রিপোর্ট বলছে শিক্ষক-ছাত্র অনুপাত ১:২৪। সব ঠিক আছে। অথচ দেশজুড়ে প্রায় ৮ লক্ষ শিক্ষকের পদ খালি। বাজেটে শিক্ষায় ২.৯% ব্যয় অথচ প্রতিরক্ষা খাতে প্রায় ৫%।
নদীর ধারে ছোট ছোট ঘরবাড়ি, দূরে একটা সেতু, আর তার ওপরে হালকা আলো জ্বলছে। আকাশে কমলা-লাল রঙের মিশ্রণ, নদীর ধারে কুয়াশা তখনও পুরোপুরি কাটেনি। সূর্যটা যেন ধীরে ধীরে ধোঁয়াটে আকাশে উঠছে, আর তার আলো ছুঁয়ে যাচ্ছে পুরনো সেতুর লোহার গার্ডারগুলো।
বর্তমান চিনির মূল্যবৃদ্ধির মূল কারণ হলো উৎপাদন খোদই অনেক কমে যাওয়া — নভেম্বরে আখ মাড়াই শুরুর সময় করা প্রাথমিক পূর্বাভাস ছিল ৩৪.৪ মিলিয়ন টন মোট উৎপাদনের। এই ৩.৫ মিলিয়ন টনের ঘাটতি আরও অনেক আগেই অনুমান করা উচিত ছিল। তার দিকে সরকার নজর দেয়নি, উল্টে প্রত্যকবার যেটা করে থাকে, সেটাই করেছে, মানুষকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে চিনি খেতে বারণ করেছে, কিন্তু তাতে তো সমস্যার সমাধান হবে না।
সত্যজিৎ রায় তাঁর ছবিতে কোনো হতাশার সমাপ্তি টানেননি। সেই অন্ধকারের মধ্যেও আগুন জ্বালিয়ে রেখেছিলেন পাহাড়ে আত্মগোপন করে থাকা উদয়ন পণ্ডিত। পেয়াদারা তাঁকে ধরতে পারেনি, কারণ সত্যকে শিকলে বাঁধা যায় না। শেষ পর্যন্ত সেই শিক্ষকই প্রজাদের চোখ খুলে দিয়েছিলেন, একত্রিত করেছিলেন জনতার সুপ্ত প্রতিরোধকে। আজকেও কি তেমনটাই হবে? বিশ্ববিদ্যালয়ের বদলি আইনের পরে এমনটা মনে হওয়া কি খুব অস্বাভাবিক?
বন্দে মাতরম গানটি জাতীয় সঙ্গীতের মর্যাদা প্রদানের প্রশ্নে শুরু থেকেই বিতর্ক ছিল। কংগ্রেসের প্রভাবশালী অহিন্দু নেতাদের অনেকেরই এই গানে হিন্দু ধর্মীয় প্রতীক ব্যবহারের কারণে একে সর্বসাধারণের জন্য জাতীয় সঙ্গীত রূপে বরণ করার ব্যাপারে আপত্তি ছিল। স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ নিজেও এই আপত্তির প্রসঙ্গ তুলেই গানটির দুটি স্তবকের বেশি গ্রহণ না করার পক্ষে মত রাখেন। আজকে কেন আবার এই গানের প্রসঙ্গ সামনে আনা হচ্ছে?