পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

অন্যান্য পোস্ট

নতুন বাদশাহের নাম মার্ক জুকেরবার্গ

নূতন কিছু সোশ্যাল-মিডিয়া এসে দাঁড়িয়েছে , কিছু দিন স্বাধীনতা দেবে , তারপর সেগুলোকেও রুদ্ধ করা হবে ,আবার আরো কিছু নতুন বেরোবে , এই দড়ি টানাটানির লড়াই চলবে। আর তার মধ্যে দিয়েই বিশ্বের মানুষকে ছিনিয়ে আনতে হবে মতামত ব্যক্ত করার এবং বিতর্কের আজাদী। আমরা মানুষের পক্ষের মতামত দিয়ে উড়িয়ে দেব মানুষ বিরোধিতার মতামতকে। ভারতের কৃষক আন্দোলনের ট্রেন্ডিং দেখিয়ে দেয় আমাদের এই রাস্তা আমাদের স্বপ্নের মনজিলে আমাদের পৌঁছে দেবেই , ওরাও প্রযুক্তি ব্যবহার করবে সেটাকে নিয়ন্ত্রণ করবার জন্যে, আমরাও করবো তাকে আজাদ করবার জন্যে। এটাই প্রযুক্তি ব্যবহারের দুলাইনের সংগ্রাম।

টলে যাচ্ছে আস্থা

যে আইন বাতিলের দাবিতে আন্দোলনের ঝড় উঠেছে, তার প্রয়োগে আদালতের স্থগিতাদেশ, অযাচিত ভাবে কমিটি গঠন, কৃষকদের সেই কমিটি প্রত্যাখ্যান এবং অবশেষে কমিটির সদস্যেরই অব্যাহতি কি বিচারবিভাগের প্রতি অনাস্থাকেই বাড়িয়ে দিল না ?

ভ্যাকসিন এসে গেছে: আমরা কি নিশ্চিত?

মানুষ আপাতত এটুকু জেনেই খুশী, যে কিছুদিনের মধ্যেই বিশ্ব, বিশেষত ভারতবর্ষ কোভিদ-১৯ মুক্ত হবে। ভ্যাকসিন আবিষ্কার এবং ফুলপ্রুফ হওয়ার প্রক্রিয়া দীর্ঘ সময় সাপেক্ষ, কারণ মানুষের শরীরের ওপর এর প্রয়োগের ঝুঁকি রয়েছে। সে প্রক্রিয়ার তোয়াক্কা না করেই দেশের বাজারে আসছে টিকা। আমরা নিরাপদ তো?

রক্ত-মাংসের ইশতিহার

কেবল নির্বাচনের জন্য আমাদের কাছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ইশতিহার হাজির হয়। এই রীতির সঙ্গে আমাদের পরিচয় আছে। ইশতিহার সম্পর্কে আমাদের সম্যক ধারণা আছে। সেই ধারণাকে পাথেয় করেই আমিও এখানে এই ইশতিহারের অবতারণা করেছি। তবে, খানিক তফাৎ আছে। এই ইশতিহার মিথ্যাচারের ফুলঝুরি নয়। এ হল বাঙালির অন্তরের রক্তক্ষরণের আক্ষরিক দলিল--- রক্ত-মাংসের ইশতিহার অথবা লোকমুখে বাঙালির ধর্মচিন্তা। ছবি: পার্থ দাশগুপ্ত লেখা: কৃষ্ণপ্রিয় দাশগুপ্ত

নিয়মিত কলাম

বিত্তবানের খিদে ও লুইস বুনুয়েলের একটি ফিল্ম

বুনুয়েলের প্রায় সব ছবিতেই তিনি চার্চ আর বুর্জোয়া সমাজব্যবস্থাকে তীব্রভাবে আক্রমণ করেন। তিনি একাধিকবার বলেছেন এই দুটো প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অন্তর্ঘাত ঘটানোই তার ছবির উদ্দেশ্য। অতএব তার ছবির আখ্যানের মধ্যে দেখা যায় এই অন্তর্ঘাতের কৌশলগুলি। দ্য এক্সটারমিনেটিং এঞ্জেলও ব্যতিক্রম নয়।

হুতোম প্যাঁচার নকশা: কালিদাসী কালচার

ভেবে দেকুন, যে বাঙালী অভিজিৎ বাঁড়ুজ্জের নোবেল প্রাইজ আর ঝিঁঝিঁ বোর্ডের প্রেসিডেন্টের চেয়ারটিকে সমান ভেবে কলকেতা জুড়ে হোর্ডিং ঝুলিয়েচে, তার কাচে অমর্ত্য সেন কল্কে পাবেন কী উপায়? বাঙালীর একন কালীদাসী কালচার। এবারের নকশা লিখলেন হুতোম প্যাঁচা।

আখ্যান

হুতোম প্যাঁচার নকশা: কালিদাসী কালচার

ভেবে দেকুন, যে বাঙালী অভিজিৎ বাঁড়ুজ্জের নোবেল প্রাইজ আর ঝিঁঝিঁ বোর্ডের প্রেসিডেন্টের চেয়ারটিকে সমান ভেবে কলকেতা জুড়ে হোর্ডিং ঝুলিয়েচে, তার কাচে অমর্ত্য সেন কল্কে পাবেন কী উপায়? বাঙালীর একন কালীদাসী কালচার। এবারের নকশা লিখলেন হুতোম প্যাঁচা।

ঘাতক

এর মধ্যেই বয়সভিত্তিক বেশ কিছু প্রতিযোগিতায় দারুণ ফুটবল খেলার পরিচয় রাখতে শুরু করেছে প্রমিত। স্কুল পর্যায়ের এক প্রতিযোগিতায় হ্যাটট্রিক করায় কাগজেও নাম বেরল প্রমিতের। গর্বে ফুলে উঠল অসিতবাবুর বুক। ছেলে বড় ফুটবলার হবে।

জাতধর্মের ঘোলাজলে

সাংবিধানিক নিয়ম মেনে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার হস্তান্তরে হঠাৎ সবকিছু বদলে গেল। যে শক্তির হাতে মানুষ রাষ্ট্রপরিচালনার দায়িত্ব তুলে দিল, সে এসে থেকেই বলে চলেছে তোমাদের বোধবুদ্ধি মেধা শ্রম সবকিছু আমাদের কাছে বন্ধক রাখো। না হলে সমূহ সর্বনাশ। আর লেখাপড়া জানা বোধবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ বলে যাদের এতদিন জানা ছিল, তারাও নিষ্পাপ ভক্তে পরিণত হচ্ছেন। লিখছেন সামসুন নিহার।

সুজাতা - কেয়ার অফ খান, বৃন্দা - কেয়ার অফ কারাত

রাজনৈতিক মতাদর্শ ঠিক কতটা প্রভাব বিস্তার করে জীবনে ও যাপনে? সুজাতা মণ্ডল থেকে তাপসী মণ্ডল, সম্পূর্ণ ভিন্ন মেরুর রাজনৈতিক বিশ্বাসে দিন যাপন করবার পরও, কোথায় গিয়ে মিলে যান?

আনন্দধারা

আমাদের কুলদেবতা ভদ্র। তার ইচ্ছায় আমাদের গোষ্ঠীতে পড়াশোনার চল শুরু হয়েছে। মেয়েটির মৃত্যুর প্রসঙ্গে,যাঁরা আমাদের মধ্যে শিক্ষিত,তাঁরা পুনরায় মহান ব্যাক্তিদের উক্তি স্মরণ করলেন পৃথিবীতে শুধুমাত্র একটিই ভালো আছে,জ্ঞান। আর একটিই খারাপ আছে,অজ্ঞতা।

জাতীয় সঙ্গীত বদল - বিতর্কের উদ্দেশ্য কি ?

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিরচিত "জন গণ মন অধিনায়ক" গানটি ১৯৫০ সালের ২৪শে জানুয়ারি জাতীয় সংগীত হিসাবে গৃহীত হয়। বিরোধিতা সত্ত্বেও স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জহরলাল নেহেরুর নেতৃত্বে, রাজেন্দ্র প্রসাদের উপস্থিতিতে কনস্টিটিউয়েন্ট এসেম্বলির প্রতিটি সদস্য সমবেত ভাবে "জন গণ মন" গেয়ে গানটিকে ভারতের জাতীয়সংগীত হিসাবে সিলমোহর দেন। এখন এটা বদলানোর চিন্তাভাবনা চলছে। কিন্তু তার উদ্দেশ্য কি?