কোনও কর্মসূচিতে ব্যারিকেড ভাঙার অভিযোগ থাকলে তার তদন্ত হোক, আইন অনুযায়ী বিচার হোক। কিন্তু সেই অভিযোগের দায়ে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রশ্ন আর জাতীয় পতাকা হাতে বৃহত্তর নাগরিক জমায়েত আটকানোর প্রশ্ন কি এক? কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেই কি তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত সমস্ত প্রতিবাদকে সন্দেহের চোখে দেখতে হবে? সেই কারণেই নেহা বোরা সহ অন্যান্যরা এই প্রশ্ন তুলছেন, 'তিরঙ্গা পতাকা' তুলতেও রাষ্ট্রের অনুমতি লাগবে?
কিছুদিন আগে ক্লড এআইয়ের নির্মাতা অ্যানথ্রোপিক সান ফ্রান্সিসকোতে তাদের সদর দপ্তরে কিছু উচ্চপর্যায়ের রূদ্ধদ্বার বৈঠকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলো সারা পৃথিবীর নানান ধর্মগুরু ও ধর্মতাত্ত্বিকদের। ধর্মীয় নেতাদের আমন্ত্রণ জানানোর একটা উদ্দেশ্য ছিলো তাঁদের মাধ্যমে বিশ্বের কোটি কোটি ধর্মবিশ্বাসী মানুষের মনস্তাত্ত্বিক, সাংস্কৃতিক ও নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি বোঝা। আরো কোনও উদ্দেশ্য আছে কি?
আমি গিয়েছিলাম, কারণ সেই কার্ডটি—অদ্ভুত এক কার্ড—আমাকে হঠাৎ তার অস্তিত্বের কথা মনে করিয়ে দিল। ভুলে-যাওয়া এক বইয়ের পাতার ভেতর আমি সেটি খুঁজে পেলাম; সেই পাতাগুলো আবার জাগিয়ে তুলেছিল শিশুসুলভ হস্তলিপির ভুতুড়ে ছায়া। বহুদিন পর আমি বইগুলো নতুন করে সাজাচ্ছিলাম। আর বিস্ময়ের পর বিস্ময়।
ভারতের গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই আজ আর শুধু ভোটের অঙ্ক নয়, এটি পাসপোর্টের লড়াই। কে নাগরিক, কে অনুপ্রবেশকারী, কার নাম ভোটার তালিকায় থাকবে — এই তালিকা বানানোর মন্ত্রকই আজকের ক্ষমতা। মানুষকে সময়-প্রবাসী বানিয়ে বলা — তুমি আগে প্রমাণ করো তুমি কৃতজ্ঞ, তারপর তুমি নাগরিক। আজকের সময়ে অত্যন্ত জরুরি একটি লেখা।
অফিস থেকে দুপুরের মধ্যেই ফিরে এসেছিল মীরা। এসে দেখল হালিমা নেই। সোফার গায়ে হেলান দিয়ে মেঝেয় বসে ম্যাক্সি রাবারের হাড্ডি চিবোচ্ছে। তাকে দেখেই ছুটে এলো। কোলে উঠবার জন্য ব্যস্ত। এদিকে মীরার মাথায় হাত। তাদের আট মাসের ভ্রূণকে নিয়ে হালিমা আবার গায়েব হয়ে গেছে।
একবুক জলে দাঁড়িয়ে আছে হোসেন। মাথার উপর ঘোলাটে আকাশ৷ তিনদিন ধরে লাগাতার বৃষ্টি চলছে। কখনো দমকা, কখনো ঝিরিঝিরি, কখনো অল্প স্বল্প দম নিলেও রোদের দেখা নেই। আকাশের রঙ ঘোলাটে, পরিবেশের রঙ ঘোলাটে, সদ্য রোয়া পীত রঙের ধানের জমি, দূরে দিগন্তের গাছ গাছালি সব কিছু বাকহীন ভাবে ধূসর ক্যানভাসের একটা অংশ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
বিকেল শেষ হয়ে আসছে। সন্ধ্যা আসন্ন। ইনসান আলি বসে আছে তার বাড়ির বৈঠক-বারান্দায় একটি চেয়ারে। সামনে চলমান রাস্তা। মানুষ হাঁটছে কম। সাইকেল চলছে আরও কম। তবে বেশি বেশি চলছে টোটো, মোটরবাইক আর চারচাকা। মাঝে মধ্যে ছোট লরি। এই মফস্বলে ‘হাতি’ নামে যার পরিচিতি।
চন্দ্রতালে তখন নীল আকাশের ছায়া, পাশে খাড়া দাঁড়িয়ে ধূ ধূ রুক্ষ পাহাড়। চন্দ্রতালের রঙ কখনো সবুজ, কখনো নীল। আমি বলি, সে এক অপূর্ব দৃশ্য। সুহৃদ ছোট্ট করে বলে হু।
স্নেহ যে আজ পরীক্ষা কেমন দিল কে জানে ! এত ফোকাসের অভাব। পড়তে বসে একবার উঠবে, জল খাবে। একবার উঠবে, ওয়াশরুম যাবে। একবার উঠবে, হেড ফোন খুঁজবে। প্রতিদিন অফিসের পর ভাল লাগে এই লড়াই করতে? কিছু বলতে গেলে, শাসন করতে গেলেই ছেলের গোসা। মুখে মুখে তর্ক।আজকাল ছেলেপিলেদের এত সাহস হয় কী করে? আমরা তো…যাক গে।
কথাটা শুনে নিশারের মাথাটা কেমন যেন হালকা হয়ে যাচ্ছিল। মনে হচ্ছিল মাথা ঘুরে পড়বে। সামনে প্রায় বুক অবধি উঁচু কাউন্টার। দু'পাশে স্টিলের দুটো স্ট্যান্ড যাতে লাল ফিতে বাধা, লাইনগুলো আলাদা করার জন্য। ঝুঁকে পড়লো সে কাউন্টার। দুটো হাত দিয়ে আঁকড়ে ধরলো কাউন্টারের প্লাইটপ। লোকটা কথাটা বলে আবার মন দিয়েছে নিজের ডেস্কের কম্পিউটারে। এসি চলছে। তবু ঘাম হচ্ছে নিশারের।
কথাটা শুনে নিশারের মাথাটা কেমন যেন হালকা হয়ে যাচ্ছিল। মনে হচ্ছিল মাথা ঘুরে পড়বে। সামনে প্রায় বুক অবধি উঁচু কাউন্টার। দু'পাশে স্টিলের দুটো স্ট্যান্ড যাতে লাল ফিতে বাধা, লাইনগুলো আলাদা করার জন্য। ঝুঁকে পড়লো সে কাউন্টার। দুটো হাত দিয়ে আঁকড়ে ধরলো কাউন্টারের প্লাইটপ। লোকটা কথাটা বলে আবার মন দিয়েছে নিজের ডেস্কের কম্পিউটারে। এসি চলছে। তবু ঘাম হচ্ছে নিশারের।
স্নেহ যে আজ পরীক্ষা কেমন দিল কে জানে ! এত ফোকাসের অভাব। পড়তে বসে একবার উঠবে, জল খাবে। একবার উঠবে, ওয়াশরুম যাবে। একবার উঠবে, হেড ফোন খুঁজবে। প্রতিদিন অফিসের পর ভাল লাগে এই লড়াই করতে? কিছু বলতে গেলে, শাসন করতে গেলেই ছেলের গোসা। মুখে মুখে তর্ক।আজকাল ছেলেপিলেদের এত সাহস হয় কী করে? আমরা তো…যাক গে।
অফিসের দামী কাচের দেওয়ালের ওপারে তখন পড়ন্ত বিকেলের আদুরে রোদ। বিদেশের বিকেল—নির্মল, ঠান্ডা, হিসেবি। গাছের পাতা হলুদ হয়ে ঝরে পড়েছে, রাস্তা ভরে গেছে কমলা রঙের কার্পেটে। সবকিছু সুন্দর, ছবির মতো।
SIR-কে শুধু ভোটার তালিকা ‘পরিষ্কার’ করার একটি প্রশাসনিক উদ্যোগ হিসেবে দেখলে বিষয়টির রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক গভীরতা ধরা পড়ে না। ভোটার তালিকা কোনও সাধারণ সরকারি ডেটাবেস নয়। সেটি নাগরিকের নির্বাচনী অস্তিত্বের নথি। সেখানে নাম থাকা মানে রাষ্ট্রের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের অধিকার কার্যকর থাকা; নাম না থাকা মানে সেই অধিকারটি বাস্তবে প্রয়োগ করতে না পারা। ফলে একটি নাম মুছে দেওয়ার প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের প্রভাব একটি সাধারণ ডেটা-সংশোধনের চেয়ে অনেক বেশি।
যন্তরমন্তর আন্দোলনের সময় অথবা আমাদের দেশে সাম্প্রতিককালের যেকোনো আন্দোলনের সময় বারবারই আমরা গান্ধীর কথা স্মরণ করছি। তার একটি কারণ অবশ্যই অহিংস আন্দোলন এবং আরেকটি হলো অনশন সত্যাগ্রহ ।এই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা ভেবে দেখতে পারি আজকের জেন জি আন্দোলনের সাথে গান্ধীর সম্পর্ক কীরকম ত হতে পারে।
'এক প্যাকেট মসালামুড়ি' বলে একটা একশো টাকার নোট এগিয়ে দিলেন এক খদ্দের ভদ্রলোক। স্টলের একপাশে ঝুলছিল বিভিন্ন কর্পোরেট কোম্পানির রংবাহারি আকর্ষনীয় পটেটো চিপ্স, সোয়াবিন পাঁপর, মশালামুড়ি ইত্যাদি নানা ধরণের রেডিমেট স্ন্যাক্সের চেন।