পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

ভারত জোড়ো আন্দোলন- জোড়ার আন্দোলন

  • 28 November, 2022
  • 0 Comment(s)
  • 724 view(s)
  • লিখেছেন : প্রশান্ত ভট্টাচার্য
রাহুলের পাশে এসে দাঁড়াচ্ছেন এমন এমন ব্যক্তিত্ব, যা দেখে অনেকেরই চক্ষু চড়কগাছ। এমনকী, রাহুলকে 'পাপ্পু' বলে কটাক্ষ করা যাঁদের অভ্যাস দাঁড়িয়ে গিয়েছিল, তাঁরাও একটু থমকেছেন। এই পদযাত্রায় ঐতিহ্যের বিস্তার দেখা গেল যেদিন জওহরলাল নেহরু প্রদৌহিত্রর পাশে হাঁটলেন মহাত্মা গান্ধীর প্রপৌত্র তুষার গান্ধী। মনে হল সেই ট্রাডিশন সমানে চলছে।

আমাদের মতো সাধারণের কাছে 'ক্ষমা' দুর্বলতারই নামান্তর। এটা জানি বলেই ভাবি, সনিয়া-প্রিয়ঙ্কা-রাহুল গান্ধীরা এই তিতিক্ষা কোথা থেকে পেলেন? তবে কি শোকে পিতৃহীনতায় আমরা ভেতর থেকে যেভাবে বদলাই, সে অনুযায়ীই আমাদের বাইরের বাস্তবতা বদলে যায়। এক তীব্র যন্ত্রণা রাহুল ও প্রিয়ঙ্কাকে রাজনীতির চলতি হাওয়া থেকে আলাদা করে পৃথক এক স্পষ্ট জগতের অধিবাসী করে তুলেছে। মাথায় ঘুরতে থাকল, কোন পরীক্ষার মধ্য দিয়ে গেলে সনিয়া-রাহুল-প্রিয়ঙ্কার মতো নিজেদের তৈরি করা যায়। গ্রিক দার্শনিক প্লুতার্ক বলতেন, 'আমরা ভেতর থেকে যেভাবে বদলাই, সে অনুযায়ীই আমাদের বাইরের বাস্তবতা বদলে যায়'। এই বদলের জোর থেকেই বোধহয় কয়েক বছর আগে ওড়িশার কেওনঝরে সমাজকর্মী ও খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারক গ্রাহাম স্টুয়ার্ট স্টেইন ও তাঁর দুই সন্তানকে উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা পুড়িয়ে মারলেও স্টেইনের স্ত্রী ও তাঁর দুই সন্তানের জননী গ্লাডিস স্টেইনস স্বামী ও সন্তানদের খুনিকে ক্ষমা করে দিয়েছিলেন। এই বদল থেকেই বোধহয় হাওড়ার ছেলে পুলওয়ামা হামলায় শহিদ হওয়া সিআরপিএফ জওয়ান বাবলু সাঁতরার স্ত্রী মিতা সাঁতরাও এই শুভবুদ্ধির পরিচয়টাই দিয়েছিলেন। স্বজন-বিয়োগের হৃদয়বিদারী যন্ত্রণা সামলেও তিনি যুদ্ধের বিপদ সম্পর্কে সচেতন থেকে কথা বলেছিলেন। অন্যদেরও সচেতন রাখার চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছিলেন। মিতা অকপটে বলতে পেরেছিলেন, 'যুদ্ধে এই সমস্যার সমাধান হবে বলে মনে করি না। যুদ্ধে আরো কোনো মায়ের কোল খালি হবে। সরকারের উচিত সমাধানের মাধ্যমে পথ খোঁজা। তবে, যুদ্ধের মাধ্যমে নয়।'
কিন্তু কংগ্রেস বা আমজনতা তো আর 'মহাত্মা' নন।
তাই কংগ্রেস এই মুক্তি দেওয়ার ব্যাপারে খুশি নয়। সনিয়াদের থেকে দূরত্ব রেখে কংগ্রেস প্রেস বিজ্ঞপ্তি করে এর নিন্দা করেছে। কংগ্রেস নেতা অভিষেক মনু সিঙভি সর্বভারতীয় টিভি চ্যানেলে নলিনীদের মুক্তির বিরোধিতা করেছেন। সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ারও ভাবনা-চিন্তা করছেকংগ্রেস। কংগ্রেসের এই ভূমিকা রাজনৈতিক। দলীয় রাজনীতিতে ইফস অ্যান্ড বাটস থাকে। কিন্তু সনিয়ারা তাঁর তোয়াক্কা করেননি, তাঁরা হেঁটেছেন স্বজন হারানোর হৃদয় মুচড়ানো পথে।
সেজন্যই তো সনিয়া-রাহুল-প্রিয়ঙ্কাদের কথা আলোচনায় আসছে।
আমাদের মনে রাখতে হবে, রাজীবহন্তাদের ক্ষমা সনিয়া গান্ধী অনেক আগেই করে দিয়েছিলেন। ১৯৯৯ সালে কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী তখনকার রাষ্ট্রপতি কেআর নারায়ণনের সঙ্গে দেখা করে নলিনী শ্রীহরণের ফাঁসি রদের আর্জি জানান। রাজীব-পত্নীর এই আর্জিতে রীতিমতো হতবাক হয়ে গিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি। এখানে পাঠককে স্মরণ করিয়ে দিই, মহাত্মা গান্ধী বলেছিলেন, 'চোখের বদলে চোখ পৃথিবীটাকেই একদিন অন্ধ করে দেবে'। এই অনুভূতি থেকে কিনা, জানি না, কিন্তু সেদিন রাষ্ট্রপতির কাছে
সনিয়ার যুক্তি ছিল, 'আমি ও আমার সন্তানরা চাই না নলিনীকে হত্যা করে তাঁর সন্তানকে মাতৃস্নেহ থেকে বঞ্চিত করতে।' এমন আবেগঘন আবেদনে বিস্মিত রাষ্ট্রপতি সেদিন প্রথা ভেঙে সনিয়াকে কথা দিয়েছিলেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে তাঁর হাতে যে ক্ষমতাটুকু আছে তা দিয়ে শ্রীমতি গান্ধীর আবেদন রক্ষা করার চেষ্টা করবেন। সনিয়াদের
মানসিকতা জানার পরই তামিলনাডু সরকার রাজ্যপালের কাছে নলিনীদের মুক্তির সুপারিশ করেছিল। একাধিক রাজ্যপাল সেই সুপারিশ রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠিয়ে দিয়ে দায় সেরেছেন। এ জি পেরারিভালানের মুক্তির আর্জি ১১ বছর ফেলে রাখা হয়েছিল। ২০২২-এর ১৭ মে সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে দেওয়া বিশেষ ক্ষমতা বলে রাজীবহন্তা পেরারিভালানকে মুক্তি দেয় সুপ্রিম কোর্ট। দোষীদের ক্ষমাভিক্ষার আর্জি দিনের পর দিন ঝুলিয়ে রাখার এই প্রবণতার তীব্র সমালোচনা করে শীর্ষ আদালত।
মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্তর স্বপক্ষে আর্জি বিবেচনায় এই প্রচলিত রাষ্ট্রীয় বিলম্বকেও কারণ হিসাবে উল্লেখ করেছে সর্বোচ্চ আদালত। যে কারণে পেরারিভালানকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল, সেই কারণেই এবার নলিনীদের মুক্তি দেওয়া হল। এই প্রসঙ্গে বলে রাখা উচিত রাজীবতনয়া প্রিয়ঙ্কা গান্ধী কিন্তু জেলে গিয়ে পিতৃহন্তা নলিনীর সঙ্গে দেখা করেছিলেন, জানতে চেয়েছিলেন, তাঁর বাবাকে ওঁরা মারলেন কেন? জানিয়ে ছিলেন তাঁদের মানসিকতার কথা। সেদিন নলিনীর যে অবস্থা হয়েছিল, নারী হিসেবে প্রিয়ঙ্কা তা বুঝেছিলেন। এছাড়াও আমাদের মনে রাখা উচিত রাজীব গান্ধী হত্যার মাস্টারমাইন্ড ভেলুপিল্লাই প্রভাকরণের মৃত্যুর পরে রাহুল গান্ধীর মন্তব্যটি। টিভি চ্যানেলে লিবারেশন টাইগার্স অফ তামিল ইলম অর্থাৎ এলটিটিই-র কমান্ডার ইন চিফ প্রভাকরণের ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহটি পড়ে থাকতে দেখে রাজীব-পুত্র মন্তব্য করেছিলেন, ‘ওঁর দেহটা ওভাবে পড়ে থাকতে দেখে আমার দুটো জিনিস মাথায় এসেছিল। এক, এভাবে ওরা ওঁকে অপমান করছে কেন? দুই, সত্যিই ওঁর জন্য, ওঁর সন্তানদের জন্য আমার খারাপ লাগছিল।’ মনে পড়ে গিয়েছিল, ১৯ বছর আগের কথা। ১৯৯১-এর ২১ মে রাতে বাবার মর্মান্তিক মৃত্যুর খবরটি পাওয়ার পর নিজের মনের অবস্থার কথা। রাহুল সেদিন টিভি চ্যানেলের সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘আমি নিজে তো মুদ্রার অন্য পিঠটাও দেখেছি। তাই বুঝতে পেরেছিলাম এই দেহটার আড়ালেও একটা মানুষ আছে, তাঁর পরিবার আছে, ক্রন্দনরত ছেলেমেয়েরা আছে।’
পাঠক, আমার-আপনার মতো রাহুল সাধারণ লোক হলে, তাঁরও পৈশাচিক উল্লাস হত। চিৎকার করে উঠতেন, 'দ্যাখ কেমন লাগে'। কিন্তু রাহুল দুঃখ পেয়েছেন। এই রাহুলকে 'পাপ্পু' বলা যেতে পারে কিন্তু ছোঁয়া যাবে না। এই রাহুল অতি অল্পবয়সে ছিন্নবিচ্ছিন্ন রাজীব গান্ধীকে দেখে যে মানসিকতায় দ্রব হয়েছিলেন, তারই আউটপুট। আরো মনে রাখতে হবে, ২০০৯ সালে প্রভাকরণ নিধনের অনেক আগেই সনিয়া, রাহুল, প্রিয়ঙ্কারা মূল ষড়যন্ত্রকারীসহ রাজীবহন্তাদের ক্ষমা করে দিয়েছিলেন। শুধু তাই-ই নয়, সনিয়াই সরকারের সঙ্গে কথা চালিয়ে তাঁর স্বামীর হত্যাকারী নলিনীর মৃত্যুদণ্ড রদের ব্যবস্থা করেন। সেই সূত্রে আরো তিন দোষী শান্তন, মুরুগান, পেরারিভালানেরও ফাঁসিও রদ হয়ে যাবজ্জীবন সাজা হয়। এখানেই সব নয়, রাহুল-সনিয়া-প্রিয়ঙ্করা নানাভাবে, নানা জায়গায় বারে বারেই জানিয়েছেন রাজীবহন্তাদের ক্ষমা করে দেওয়ার কথা। অথচ সনিয়ারা চাইলেই রাজীবহন্তাদের মৃত্যুদণ্ড অনেকদিন আগেই কার্যকর হত। কেননা, রাজীবের মর্মান্তিক মৃত্যুর পর দেশের ক্ষমতায় এসেছিল কংগ্রেস। তারা প্রশাসনিক চাপ তৈরি করে তড়িঘড়ি বিচার করে দোষীদের ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারত। কিন্তু সে পথে না হেঁটে সনিয়ারা যে পথে হাঁটলেন সেটাই মহাত্মার পথ। যদিও কথা উঠতে পারে ১৯৮৪ সালে  ইন্দিরা গান্ধীকে হত্যার পর দেশজুড়ে শিখ নিধনের বিষয়টি নিয়ে। শিখ নিধনের ভয়াবহতার দৃশ্য মনে পড়লে আজো অনেকেরই গা শিউরে ওঠে। মায়ের মৃত্যু পরবর্তী সেই হত্যাকাণ্ডকে জোর গলায় সমর্থন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী রাজীব। সদ্য মাতৃহারা রাজীবের কুখ্যাত উক্তি, 'যখন একটি বড়ো গাছ ভেঙে পড়ে, তখন চারপাশের মাটি কাঁপবেই' ( When a big tree falls, the earth shakes.)। পরে রাজীবহন্তাদের ক্ষমা করে দিয়ে কি সনিয়া ১৯৮৪ সালের 'শিখ নিধনের' পাপস্খালন করলেন? প্রায়শ্চিত্ত করলেন? আমার তা মনে হয় না। তামিল জঙ্গিদের ক্ষমা করে ভগ্ন শিখ-হৃদয়কে ছোঁয়া যায় না। আসলে সনিয়া-রাহুলরা একটা নয়া রাজনৈতিক ফেব্রিক তৈরি করতে চাইছেন। দেশজুড়ে সহিংসতা আর প্রতিহিংসার বাতাবরণ তৈরি করে শাসকদলের কর্মী-নেতারা যে নৃশংসতা প্রতিপালন করছেন, সনিয়া-রাহুল-প্রিয়ঙ্করা তারই বিপ্রতীপ পথে হাঁটার তোড়জোড় করছেন প্রতিনিয়ত। উগ্র জাতীয়তাবাদের নামে যে টিপিক্যাল ফ্যাসিবাদের পথে চলার সবরকম আঙ্গিক পূর্ণ করা হচ্ছে সনিয়া-রাহুল-প্রিয়ঙ্কারা তাকে নগ্ন করে দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন।
পাঠক ভুল বুঝবেন না, আমার তাই মনে হয় নলিনীদের ক্ষমা আর রাহুলের 'ভারত জোড়ো' যাত্রা একই  সুতোয় গাঁথা। ওই যাত্রার প্রথম দিকে অনেকেই রাহুলের এই অভিযানকে নিয়ে মস্করা করেছেন, কটাক্ষ করেছেন। কিন্তু এই পদযাত্রা যত দিন গড়িয়েছে ততই ভিন্ন মাত্রা পাচ্ছে। রাহুলের পাশে এসে দাঁড়াচ্ছেন এমন এমন ব্যক্তিত্ব, যা দেখে অনেকেরই চক্ষু চড়কগাছ। এমনকী, রাহুলকে 'পাপ্পু' বলে কটাক্ষ করা যাঁদের অভ্যাস দাঁড়িয়ে গিয়েছিল, তাঁরাও একটু থমকেছেন। এই পদযাত্রায় ঐতিহ্যের বিস্তার দেখা গেল যেদিন জওহরলাল নেহরু প্রদৌহিত্রর পাশে হাঁটলেন মহাত্মা গান্ধীর প্রপৌত্র তুষার গান্ধী। মনে হল সেই ট্রাডিশন সমানে চলছে। ৬১ বছরের গান্ধীর ডান্ডি অভিযানে পাশে জওহরলাল নেহরু। এসব দেখে মুশকিলে পড়েছেন  ফার্স্ট জেনারেশন রাজনীতি করা লোকেরা। তাঁদের অতীত আছে কলঙ্কময়। পূর্বপুরুষের নেই দেশের জন্য কোনো আত্মত্যাগ। তাই তাঁরা রুষ্ট হন। এমনকী, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাহুলের পদযাত্রায় মেধা পাটকরকে দেখে গুজরাত বিধানসভা ভোটের প্রচারে মুখই খুলে ফেললেন। তাঁর কথায়, 'একজন কংগ্রেস নেতা পদযাত্রায় ঘুরছেন। দেখা যাচ্ছে, তিনি সঙ্গে নিয়েছেন এমন একজন মহিলাকে যিনি নর্মদা বাঁধ প্রকল্পটি তিন দশক ধরে আটকে দেখেছিলেন। ওই প্রকল্প না হলে কতটা শোচনীয় অবস্থা হতে পারত গুজরাতের।' নিশানা যে মোক্ষম জায়গায় তা বুঝে প্রধানমন্ত্রীর ওই আক্রমণের পর এবার বিজেপির শীর্ষ নেতারাও রাহুলকে এখন কাঠগড়ায় তুলছেন। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা  থেকে গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল একযোগে মেধা পাটকর ইস্যুতে নিশানা করেছেন রাহুল গান্ধীকে। নাড্ডা গুজরাতে ভোটপ্রচারে এসে মেধাকে নর্মদা ও গুজরাত বিরোধী বলে উল্লেখ করেছেন। দাবি করেছেন, মেধার আন্দোলনের জন্যই নর্মদার জল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সৌরাষ্ট্রের মানুষরা। আক্রমণের এই সুর বজায় রেখেই গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল ট্যুইট করেছেন। তিনি লিখেছেন, 'গুজরাতিদের জল থেকে বঞ্চিত করেছেন যাঁরা, তাঁদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন রাহুল। গুজরাত তাঁদের ক্ষমা করবে না।'
রাজনৈতিক মহলের মতে মোদী-শাহরা যতই হম্বিতম্বি করুন, গুজরাত দাঁদের স্বস্তিতে থাকতে দিচ্ছে না। তাই ঘড়ি ঘড়ি কংগ্রসকে আক্রমণ করতে হচ্ছে। প্রমাণ করার চেষ্টা চালাচ্ছেন কংগ্রেস গুজরাত-বিরোধী। এই তকমায় রাহুলদের আটকে ভোটে নিজেদের জয় নিশ্চিত করা। এদিকে, রাহুল টানা ৮০ দিন ভারত জোড়ো যাত্রায় হাঁটছেন দেশের নানা অংশে। এখন পর্যন্ত গুজরাতে ভোটের প্রচারে অংশ নেননি প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি। তবু মোদীদের রাহুলের ভারত জোড়ো যাত্রাকেই আক্রমণ করতে হচ্ছে! করতে হচ্ছে, কেননা ভারত জোড়ো যাত্রার দর্শন নাথুরাম গডসে বা তার উত্তরসূরিদের জিঘাংসার দর্শন নয়, মহাত্মা গান্ধীর অহিংসার দর্শন। এক্সক্লুসিভ রাজনীতি নয়, ইনক্লুসিভ প্রাস্কিস।

0 Comments

Post Comment