পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

বাংলা ভাষায় 'দায়' বলে একটি শব্দ এখনও অভিধানে পাওয়া যায়। বাস্তবে তার ব্যবহার কতটা হয়, সে প্রশ্ন বিতর্কিত। ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনের প্রাকমুহূর্তে বামপন্থীদের সেই দায়ের কথাটা বোধ হয় আরও একবার আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ঝালাই করে নেওয়া উচিত।

Read more


আবারো একটি ঐতিহাসিক ভুল হতে চলেছে। শুধু নিজেরা ক্ষমতায় থাকার জন্যেই তৃণমুল বিজেপির বিরোধিতা করছে, কোনও পলিসি বা নীতির বিরোধিতা করছে না। বামেদের দায়িত্ব ছিল বিজেপিকে সর্বস্তরে বিরোধিতা করার, যাতে তারা কেন্দ্রের বিজেপির বিরুদ্ধে আন্দোলনে তৃণমূলের প্রতিযোগী হয়ে উঠতে পারে।

Read more


এ হেন অরাজনৈতিক পার্টিজান তর্ক আসলে দক্ষিণপন্থী প্রবণতা। কথাটা যে সত্যি, বামপন্থীদের মধ্যেও যে দক্ষিণপন্থা ঢুকে পড়ছে, তার প্রমাণ কেরালা সরকারের পুলিশ আইনে নবতম সংশোধনী। ফেসবুক পোস্টের জন্য কারাবাস্ অথবা জরিমানা করার আইন যদি কোন বামপন্থী সরকার করে, তাহলে বিজেপির বিরুদ্ধে যারা, তাদের পায়ের তলার মাটি সরে যায়। অতএব কে কত বড় মার্কসবাদী, কে অতিবাম আর কে বুর্জোয়া দলে পরিণত হয়েছে --- সে তর্ক এখন থাক না। বামপন্থা মানুষের জন্য, মানুষ তো বামপন্থার জন্য নয়।

Read more

by প্রতীক | 27 November, 2020 | 1569 | Tags : Left Movement CPIM CPIML BJP TMC


বিজেপি যেন ধোয়া তুলসি পাতা। কোনও দুর্নীতি যেন তাদের স্পর্শ করে না। নরেন্দ্র মোদী, অমিত শা কিংবা ওদের দলের ছোট বড় মেজো নেতা কারণে অকারণে কংগ্রেস বা অন্য বিরোধী দলের নেতা-মন্ত্রীদের দুর্নীতি নিয়ে সোচ্চার হয়। অথচ বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোতে চলছে অন্তহীন দুর্নীতি। তারই কিছু খবর এখানে দেওয়া হল।

Read more

by বিস্ময় বসু | 05 December, 2020 | 2890 | Tags : Corruption BJP TMC


রাজনৈতিক মতাদর্শ ঠিক কতটা প্রভাব বিস্তার করে জীবনে ও যাপনে? সুজাতা মণ্ডল থেকে তাপসী মণ্ডল, সম্পূর্ণ ভিন্ন মেরুর রাজনৈতিক বিশ্বাসে দিন যাপন করবার পরও, কোথায় গিয়ে মিলে যান?

Read more

by তাপস দাশ | 26 December, 2020 | 1576 | Tags : BJP TMC Soumitra Khan


বাম প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক শক্তির সরকারি অংশ ক্রমশ চলে যাচ্ছে পেছনে। এর জন্য দায়ী তারাই। ন্যানোবাবুদের জন্য এখনও বিরক্তিকর বিলাপ আর মমতা ব্যানার্জির প্রতি অরাজনৈতিক অসূয়া, এই দুই গাড্ডা থেকে এই ১০ বছরে বেরিয়ে আসতে পারেনি তারা। প্রচুর ইস্যু ছিল, ব্যক্তিগত অসূয়া কাটিয়ে ত্যাগ ও তিতিক্ষা নিয়ে বছরভর মাঠে থাকতে পারলে আজ জনভিত্তি অনেকটা ফিরে পেত।

Read more


আমি নিজে ৩৭ বছর ধরে সার্বক্ষণিক কর্মী হিসাবে একটা দলে কাজ করে বাম জমানায় টিএমসি-র সঙ্গে রাজনৈতিক জোট করায় দল ছেড়েছিলাম। কেন না, ওরকম জোটের মধ্যে থেকে সত্যিই আমি কাজ করতে পারতাম না! আমরা বামপন্থীদেরই চাই। সিপিএম-এর রাজনীতির অন্য সমালোচনা যাই থাকুক, যদি নির্বাচনে তারা একটা সৎ, স্বচ্ছ, পরিচ্ছন্ন অবস্থান নিয়ে বিজেপি-বিরোধিতায় সদর্থক ভূমিকা পালনে ব্রতী হতেন, আমরা অন্তত নির্বাচনী সময়টুকুতে তাদের সঙ্গেই স্বচ্ছন্দ বোধ করতাম।

Read more


যেটা একেবারেই বোঝা যাচ্ছে না, এই সব কাদার তাল নিক্ষেপন কায়দার “খেলা”-য় সিপিএম-এর এত উল্লসিত হওয়ার কারণ কী। প্রকৃতপক্ষে ২০০৭ সালের ৩ জানুয়ারি থেকেই নন্দীগ্রাম উত্তাল হয়ে ওঠে। সালেম-সান্তোসা গোষ্ঠীর সঙ্গে ইন্দোনেশিয়ায় বসে বুদ্ধবাবু কী চুক্তি করেছিলেন, কেমিক্যাল হাব নির্মাণের জন্য চিন থেকে দুর্নীতির অভিযোগে বিতাড়িত সেই গোষ্ঠীকে নন্দীগ্রামে সেজ মাফিক কী কী সুবিধা দেবেন বলেছিলেন, তার অনেক কিছুই এখনও অজানা। আশা করি কর্দম-মন্থনের শেষে একদিন সেই সব তথ্য জনগোচরে উঠে আসবে।

Read more


নো ভোট টু বিজেপি শুনলেই চিড়বিড়িয়ে উঠে অতিবাম-অতিবাম, চালচোর, চটিচাটা, কাটমানিখোর, তোলাবাজ বলে, ব্যক্তিচরিত্র নির্বিশেষে গাল পাড়ছে কেন? তাহলে কি সিপিএম বিজেপিকে হারানোর চাইতে, অনেক বেশি তৃণমূলের হার চাইছে? বিজেপি জিতলে জিতুক, কিন্তু হে মার্ক্সঠাকুর, মমতার দল যেন হারে। সব মিলিয়ে দাঁড়াচ্ছে, বিজেপিকে ভোট দিতে বারণ করা, আর সংযুক্ত মোর্চার বিরোধিতা করা সমার্থক। সংযুক্ত মোর্চার সাথীরা, সময়ের অভিশাপের জন্য প্রস্তুত থাকুন। আপনাদের জেতা হারায় কিছু এসে যায় না। বিজেপি জিতলে তার সহযোগী হিসেবে ধিক্কৃত হবেন, হারলেও। জিতলেও হারবেন, হারলেও হারবেন।

Read more


তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যকলাপের মধ্যে অনেক কিছুই আছে যা আমাদের অপছন্দ হতে পারে। তার সমালোচনা যেমন করে যেতে হবে, তেমনি তার ভুল কাজ গুলির বিরুদ্ধে প্রয়োজনে রাস্তায় ও নামতে হবে। বিজেপি কে প্রধান শত্রু হিসাবে চিহ্নিত করার অর্থ এ নয় যে বাম শক্তিগুলি কে শাসক দলের ভুল কাজগুলিকেও সমর্থন করে যেতে হবে। আগামি দিনগুলি তে তৃণমূল কংগ্রেস শাসক দল থাকুক বা নাই থাকুক, বিজেপির বিপদটা আরো বড় আকারে হাজির হতে চলেছে।

Read more


তাবড় পোল-পণ্ডিতদের মিথ্যে প্রমাণিত করে বিপুল সংখ্যাধিক্য নিয়ে ক্ষমতায় এল তৃণমূল কংগ্রেস। শেষ খবর অনুযায়ী তৃণমূলের ঝুলিতে ২১৪টি আসন। ফলে গেল প্রশান্ত কিশোরের ভবিষ্যৎবাণী। বিজেপি পার করতে পারল না দুই অঙ্ক। তাদের আসন সংখ্যা ৭৬। তৃতীয় বারের জন্য পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আপনাকে অভিনন্দন মমতা। কভার ছবি ঃ টেলিগ্রাফ পত্রিকার সামনের পাতার ছবি।

Read more


পশ্চিমবঙ্গের সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী মানুষদের কাছে নিশ্চিতভাবে স্বস্তিদায়ক।ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ ও বিজেপি আগ্রাসী হিন্দুত্বকে ভরকেন্দ্রে রেখে যেভাবে রাজ্যের নির্বাচনে বাজিমাৎ করতে চেয়েছিল তাকে সচেতন মানুষ সফল হতে দেয় নি।একই সঙ্গে এটাও সত্যি যে বিজেপির ফ্যাসিবাদী, সাম্প্রদায়িক, বিভেদকামী রাজনীতিকে উন্মোচিত করতে নন- পার্টি বিভিন্ন মঞ্চ ও ফোরাম ( নো ভোট টু বিজেপি, একুশের ডাক,দিল্লির সংগ্রামী কৃষক নেতৃত্ব, বিভিন্ন প্রগতিশীল পত্রিকা, পোর্টাল,সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল।এই পরিস্থিতিতে আগামী দিনে ফ্যাসিবাদ বিরোধী লড়াইয়ের রুপরেখা কি হবে তা নিয়ে আলোচনার লক্ষ্যে এই লেখা একটি প্রস্তাবনা মাত্র।

Read more


বর্তমান রাজ্য প্রশাসনের উচ্চতম কর্তা থেকে শুরু করে থানার ইন-চার্জ পর্যন্ত কেউই জানেন না, তাঁদের শাসক দলের কোন স্তরে কার কার কথা মেনে চলতে হবে, আর কাকে কাকে কখন অগ্রাহ্য করা যায়। সুতরাং চোখের সামনে অপরাধ সংঘটিত হতে দেখেও পুলিশের সাধ্য ছিল না, আরও উচ্চতর হুকুম বিনা, তাতে হস্তক্ষেপ করার। আর—কোট অ্যান্ড আনকোট অনুব্রত—শর্ট সার্কিট হয়ে টিভি ফাটুস কাণ্ড ঘটলে পুলিশের এক্তিয়ারেই তা আসে না, অগ্নিকাণ্ড হয়ে দুপাঁচজন আহত না হলে বা মারা না গেলে।

Read more


কালের নিয়মেই একসময় মোদী হারবে এবং তখন জিতবে কংগ্রেসই, এমন মনোভাব নিয়ে চললে যে দেশ নিশ্চিতভাবেই সর্বনাশের পথে যাবে, এরকম নির্ভুল আশঙ্কা অনেকেরই। যেমন তেমনভাবে লড়ে যে মোদীকে হারানো যাবে না, ২০১৯এর নির্বাচনই তার বড় প্রমাণ। ২০২৪ এ কি হবে, সেই দিকে তাকিয়ে পুরো দেশ।

Read more


কর্ণাটকের নির্বাচন শেষ হয়েছে, ভারতের জাতীয় কংগ্রেস ১৩৫টি আসন পেয়ে জয়ী হয়েছে। তারপরেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, যদি কংগ্রেস বাংলায় তাঁদের বিরুদ্ধে না লড়াই করে, তাহলে তাঁরা অন্যান্য রাজ্যে কংগ্রেসকে বিজেপির বিরুদ্ধে সমর্থন করতে রাজি। বিজেপি বিরোধী ঐক্য কি আদৌ সম্ভব বাংলায়? এই কথার অর্থ কী, খুঁজলেন রাহুল মুখার্জী।

Read more


প্রশ্ন তৃণমূলকে আক্রমণ করা নিয়ে নয়। প্রশ্ন বিজেপি আর এস এস এর বিপদকে তুলনামূলকভাবে বেশ খানিকটা ছোট করে দেখা ও দেখানোর। মূল রাজনৈতিক নিশানা এই মুহূর্তে কারা এবং কেন, সেটা স্থির করার। এই প্রশ্নে গোড়ায় গলদের ফলে সি পি আই (এম) প্রভাবিত জনগণের কাছে এই বার্তা যায় যে তৃণমূল কংগ্রেস দল ও সরকারই বামপন্থীদের এই মুহূর্তের মূল নিশানা এবং বামপন্থীদের মূল রাজনৈতিক কাজ হল যেন তেন প্রকারেণ তৃণমূলকে পরাস্ত করা ও তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটানো।

Read more

by সৌভিক ঘোষাল | 12 February, 2024 | 855 | Tags : CPIM TMC BJP RSS


বাংলায়, ইন্ডিয়া জোটের নির্বাচনী ঐক্য হয়নি। ঠিক যেমন হয়নি কেরালাতে। তাহলে ইন্ডিয়া জোটের কোনও শরিক, যদি বাংলায় বা কেরালায়, এই শরিকদলের কোনও একটি দলকে ভোট দিতে না বলে, জনগণের বিচারবুদ্ধির ওপর ছেড়ে দিয়ে বলে বিজেপিকে হারান, কাকে হারানো উচিৎ, তা যদি জনগণের প্রজ্ঞার ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে ভুল কোথায়?

Read more


আজ পশ্চিমবাংলার মানুষ বিজেপি বিরোধী শক্তি হিসেবে তৃণমূলকেই বিশ্বাসযোগ্য দল বলে মনে করছে। যদি বাম শক্তি জিএসটির প্রশ্নে বিজেপির বিরুদ্ধে ধারাবাহিক প্রচার আন্দোলন চালাত, যদি নোট বন্দি- রাফায়েল চুক্তি- তিন কৃষি আইন- এনআরসি- অন্যায় ভাবে গণ কন্ঠকে কারাগারে পাঠানো- এনআইএ ইডি- সিবিআই এর বাড়াবাড়ি ও ব্যবহার এগুলো নিয়ে লড়াই করলে বিজেপি বিরোধী শক্তি হিসেবে বামেদের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়তো। পরিবর্তে বামেরা এসবই তৃণমূল কে এই রাজ্যে দুর্বল করবে ধরে নিয়ে দূর থেকে মজা দেখেছে।

Read more