পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

তিকিটাকা ঠেকানোর উপায় কী?

  • 27 November, 2022
  • 0 Comment(s)
  • 637 view(s)
  • লিখেছেন : সম্বৃত ঘটক
আজ স্পেন বনাম জার্মানি। আজ তিকিটাকা বনাম প্রেসিং ফুটবল।  তিকিতাকার ওষুধ যে বাজারে নেই , তা নয় . তিন ডিফেন্ডার বা চার ডিফেন্ডার , দুই সিস্টেমেই বিশ্বের বড়ো কোচেরা একাধিকবার তিকিতাকা ভেঙেছেন । যেহেতু এই স্পেন টিমের ঘরানা থেকে খেলোয়াড় , অনেকটাই বার্সেলোনা প্রভাবিত , এবং জার্মানি বায়ার্ন প্রভাবিত , ফলে বায়ার্ন বার্সা লড়াইয়ের ইতিহাস থেকে কিছু উদাহরণের দিকে তাকানোই সহজ হবে.। কি হবে আজ?

'এস্তামোস  তোসান্দো , তিকিতাকা তিকিতাকা ' , স্প্যানিশ ধারাভাষ্যকার আন্দ্রেস মন্তেস , ২০০৬ সালে স্পেন বনাম তিউনিসিয়া ম্যাচে এই বক্তব্য রেখে, তিকিতাকা কথাটিকে , তার বর্তমান অর্থে বিখ্যাত করে দেন . অর্থাৎ , আমরা দ্রুত , হালকা পাসে খেলছি . এই খেলার  ঘরানার প্রসঙ্গে প্রবাদপ্রতিম ইনিয়েস্তা বলেছেন ' রিসিভ , পাস্ , অফার '. দ্রুত , ছোট পাসে খেলা , রিস্কি পাস্ যত সম্ভব কম খেলা , নিজেদের মধ্যে জায়গার অদলবদল করে বিপক্ষ কে ধোঁকা দেয়া , এবং সবার ওপর , নিজেদের মধ্যে ছোট ছোট পাস্ খেলে বলের দখল বজায় রাখা , এই হচ্ছে এই ঘরানার মূল মন্ত্র . এর উৎপত্তি খুঁজতে গেলে যেতে হবে য়োহান ক্রুয়েফের টোটাল ফুটবলে . যাই হোক , এই ঘরানার মূল লক্ষ্য , খেলার রাশ নিজের হাতে রাখা . ডেল বস্কির বিশ্বজয়ী স্পেন , বা গুয়ার্দিওলার ভয়ঙ্কর বার্সেলোনা এই ঘরানার দুটি সর্বোচ্চ শিখর .

এবারের বিশ্বকাপে , কোস্টারিকার বিরুদ্ধে , স্পেন যে ফুটবল খেলেছে , তাতে আবার তিকিটাকার কথা ফিরে এসেছে . স্পেন কোচ লুই এনরিক , বার্সেলোনার কোচ থাকাকালীন যে ফুটবল খেলিয়েছেন , তাকে তিকিতাকা বলা চলে না . কিন্তু তার হাতে তৈরী স্পেন দলটির সাম্প্রতিক খেলায় , খানিক তিকিতাকার মেজাজ ই দেখা যাচ্ছে . ৮১ শতাংশের বেশি বলের দখল রেখে ,মোট ৯৭৬ টা পাস্ খেলা , বিশ্বকাপে রেকর্ড । দেখে নেয়া যাক , কোস্টারিকার বিরুদ্ধে , স্পেন দলের জ্যামিতি মোটের ওপর কেমন ছিল . এই দলের ফর্মেশন , ক্লাসিক  ৪-৩-৩. সিঙ্গল পিভট ,সার্জিও বুস্কেতস , এবং দুই ফুলব্যাক , বেশ ওপরে . এতো সহজে এই দল , বল কিভাবে  দখলে রাখে , সেটা বুঝতে গেলে এই ফর্মেশন কে বুঝতে হবে , অনেকগুলো ত্রিভুজ আর ডায়মন্ড দিয়ে . সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ , দুই ধারের দুই ত্রিভুজ , যার  তিন মাথা উইঙ্গার , ফুলব্যাক এবং একজন সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার (এক্ষেত্রে গাভি বা পেদ্রি) . এই ত্রিভুজের তিনজন , নিজেদের মধ্যে পাস্ খেলতে খেলতে , এবং জায়গা অদল বদল করতে করতে আক্রমনে ওঠে , বিশেষত গুরুত্বপূর্ণ ফুলব্যাক , অনেক সময়েই উইঙ্গার ভিতরদিকে ঢুকে আসে , এবং ধার বরাবর ওভারল্যাপ করে ফুলব্যাক . খেলোয়াড়দের অবস্থান এই ঘরানায় প্রায় অটোমেটিক , যা  দাঁড়িয়ে থাকে , পজিশনাল প্লের ধারণার ওপর . এই স্পেন দলে গোলকিপার , ডিফেন্ডার থেকে শুরু করে মিডফিল্ডার , সকলকেই বাছবার সময় এনরিক গুরুত্ব দিয়েছেন , তাদের পাসিং দক্ষতার ওপর . গোলরক্ষক সিমোন থেকে মাঝমাঠের পেদ্রি , গাভি বা প্রবাদপ্রতিম বুস্কেতস এতই পাসিং এ দক্ষ , যে তাদের এই পাসিং গেম  ঠেকানো বিশ্বের যেকোন দলের পক্ষে কঠিন . বিশেষত ,মাঝমাঠের দুই তরুণ , পেদ্রি আর গাভি  ,জাভি আর ইনিয়েস্তা কে মনে করিয়ে দিচ্ছে এই স্পেন কোস্টারিকাকে উড়িয়ে এবার জার্মানির মুখোমুখি . জার্মানরা এরমধ্যেই জাপানের কাছে হেরে চাপে . এই ম্যাচ জেতাই একমাত্র বাঁচবার উপায় . কিন্তু বর্তমানের জার্মানি টিম যে আহামরি শক্তিশালী , তা বলা চলে না . এই অবস্থায় , আজকের ম্যাচের রণকৌশল কি হবে , তাই নিয়ে আগ্রহ তৈরী হয়েছে। জার্মান কোচ হ্যান্সি ফ্লিক জানিয়েছেন , তাদের একটি স্পষ্ট প্ল্যান আছে , এখন প্রয়োগের ওপর নির্ভর করছে ফলাফল . এই প্ল্যান টি কি হতে পারে , তাই নিয়ে একটু নাড়াচাড়া করা যাক .


তিকিতাকার ওষুধ যে বাজারে নেই , তা নয় . তিন ডিফেন্ডার বা চার ডিফেন্ডার , দুই সিস্টেমেই বিশ্বের বড়ো কোচেরা একাধিকবার তিকিতাকা ভেঙেছেন . যেহেতু এই স্পেন টিমের ঘরানা থেকে খেলোয়াড় , অনেকটাই বার্সেলোনা প্রভাবিত , এবং জার্মানি বায়ার্ন প্রভাবিত , ফলে বায়ার্ন বার্সা লড়াইয়ের ইতিহাস থেকে কিছু উদাহরণের দিকে তাকানোই সহজ হবে।
 বায়ার্নের কাছে , বার্সার সবচে বড়ো হার , 2020  চ্যাম্পিয়ন্স লীগ কোয়ার্টার ফাইনালে , ৮-২ . বায়ার্নের কোচ ছিলেন , এই হ্যান্সি ফ্লিক . সেবারে তার অস্ত্র ছিল , ভয়ানক হাই প্রেস , এবং হাই লাইন, অর্থাৎ ,নিজের ডিফেন্ডার দের প্রায় মাঝমাঠের কাছাকাছি নিয়ে আসা . এতে , এফেক্টিভলি , মাঠ ছোট হয়ে আসে , ফলে , বিপক্ষ , মাঝমাঠে অনেক পাস্ খেলার জায়গা অনেকটাই কম পায় . সেই বার্সা টিম অবশ্য ছিল বয়সে অনেক প্রবীণ  , কিন্তু এই তরুণ স্পেনের সাথে সেই পদ্ধতি বেশ বিপজ্জনক হয়ে যাবে বলেই মনে হয়  ফলে , অন্য উদাহরণে যাওয়া ভাল . একটি উদাহরণ হাতের সামনেই আছে . এবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগে , বায়ার্ন বার্সা ম্যাচ দুটো , যার দুটোতেই বায়ার্ন জেতে . এই স্পেন দলে , সেই ম্যাচে খেলা অনেকগুলো প্লেয়ার ও এক , ফলে , নিশ্চই কোচ এবং খেলোয়াড়দের সেই খেলার  কথা মাথায়  থাকবে ।

 

তবে , আমার মতে , এইরকম হাই রিস্ক গেমে , সবচেয়ে কার্যকরী কৌশল খুঁজতে গেলে , জার্মানিকে বেশ কিছু বছর পিছিয়ে যেতে হবে , ফিরে যেতে হবে ২০১৩ সালের চ্যাম্পিয়ন্স লীগ সেমী ফাইনালে . সেই খেলায় , তিকিতাকা স্পেশালিস্ট বার্সেলোনা বল দখলে রেখেছিল ৬৩ শতাংশ , এবং গোল খেয়েছিল মাত্র ৪ টি , খেলার ফলাফল ছিল বায়ার্নের পক্ষে  ৪-০. ফ্লিক , জার্মান ফুটবলের অন্যতম সেরা কোচ , ইউপ হেইঙ্কেস এর কৈশল থেকে কিছু জিনিস ধার করলে ফল পেতে পারেন ফ্লিক। বল যখন স্পেনের পায়ে থাকবে,   জার্মানির সবচেয়ে জরুরি কাজ হবে , বুস্কেতস কে কোনভাবেই বল ধরতে না দেয়া।  মিডব্লকে এই কাজ করাই ভাল , যেখানে প্রেসিং জ্যামিতি হবে ৪-৪-২ , এবং সামনের দুই ফরয়ার্ড পিস্টন প্রেসিং করবেন , অর্থাৎ একজন বুস্কেতস কে ধরে রাখবেন , অন্যজন আরেকজন সেন্টার ব্যাক কে ফোর্স করবেন . বুস্কেতস যেহেতু খেলার গতিপ্রকৃতি নিয়ন্ত্রণ করেন। ফলে এই হবে স্পেনের আক্রমণ ভোঁতা করার প্রধান কৌশল . ছবিতে বুস্কেতস এর অবস্থান দেখুন . বুস্কেতস এর ওপর একজন ফরয়ার্ড ( সম্ভবত মুলার বা মুশিয়ালা ) বসে থাকলে , বুস্কেতস সম্ভবত নেমে আসবেন , ৩ ডিফেন্ডার ফর্মেশন তৈরী হবে , সেক্ষেত্রেও বুস্কেতস এর ওপর চাপ রেখে যেতে হবে , সেই ম্যাচে ,যা করেছিলেন মুলার অথবা  গোমেজ . দ্বিতীয় কাজ হবে ,পেদ্রি (বা সে জায়গায় যে খেলবেন ) কে নির্বিষ করে দেয়া , ফলে পেদ্রির ওপর আগ্রাসী প্রেস করে যেতে হবে . বুস্কেতস বল না পেলে , পেদ্রি নিচে নেমে আসবে , সে সময়ে তাকে ধাওয়া করতে হবে .সেবার জাভি কে যেটা করেছিলেন সোয়েনস্টাইগার . একাজে আমার পছন্দ গোরেৎজকা ( যদিও আমি জানি , গোরেৎজকা সোয়েনস্টাইগার নয় ) . পেদ্রিকে  কড়া মার্কিং এ রাখতেই সম্ভবত পছন্দ করবেন ফ্লিক . জার্মানির উইং এ কে খেলবে কাল , তা স্পষ্ট নয় , কিন্তু , এ ক্ষেত্রে , তাদের ডিফেন্স করার ক্ষমতা জরুরি হতে চলেছে . কারণ মাঝমাঠে কড়া মার্কিং হলে ,মাঠের ধার দিয়ে ,  বল নিয়ে উঠবেন স্পেনের ফুলব্যাকেরা . আর ফুলব্যাকেরা বল পাওয়া মাত্র  প্রেস  ট্রিগার কড়া  উচিত জার্মানির উইঙ্গারদের . জার্মান উইঙ্গাররা এ কাজ মন দিয়ে না করলে , মাঠের ধরে , স্পেনের দুজন বনাম জার্মানির এক ফুলব্যাক পরিস্থিতি তৈরী হবে , যা খুবই বিপজ্জনক . মাঝমাঠ দিয়ে বল এগোতে না পারলে , স্প্যানিশ উইঙ্গাররা মাঠের মাঝে ঢুকে এসে সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা করতে পারে , সেক্ষত্রে তাদের সাথে  জার্মান ফুলব্যাকেরাও ঢুকে আসতে পারবেন , যদি উইঙ্গাররা তাদের রক্ষণের দায়িত্ব পালন করেন , সেক্ষেত্রে , কিমিচ , স্ক্রিন হিসেবে ডিফেন্সের সামনের অংশ রক্ষা করতে পারবেন . যেহেতু , স্পেনের সিস্টেমে খেলোয়াড়েরা প্রায়ই নিজেদের মধ্যে জায়গা অদল বদল করেন , তাই দরকার জোনাল মার্কিং , নির্দিষ্ট অঞ্চলের দায়িত্ব মিডফিল্ডারদের নির্দিষ্ট করে দেয়া .
স্পেন বল নিয়ে মাঝমাঠ বা জার্মান ডিফেন্সের কাছে এলেই জার্মানিকে আগ্রাসী ভাবে বল কেড়ে নেয়ার চেষ্টা করতে হবে , তার অন্যতম কারণ , স্পেনের আক্রমনে ফুলব্যাকেরা ওপর উঠে আসেন বলে , পিছনে একটা বড় ফাঁকা জায়গা তৈরী হয় . এইখানে প্রয়োজন , আধুনিক জার্মান ঘরানা , ডিরেক্টনেস . ধৈর্যশীল ভাবে আক্রমন তৈরী না করে , সবচেয়ে কম পাসে , থ্রু বা লব ব্যবহার করে সবচেয়ে সোজাসুজি রাস্তায় , বিপক্ষের  গোলের কাছে পৌঁছে যাবার জার্মান স্টাইল আজ  খুব  জরুরি . এই ঘরানার গুরু রাল্ফ রাংনিকের নির্দেশ মনে রাখতে হবে , বল নিয়ে ইকির মিকির চাম চিকির না করে , বল কেড়ে নেবার ১০ সেকেন্ডের মধ্যে ফিনিস করতে হবে ।  এই ডিরেক্টনেসের ঝাঁজ এই দলে একটু কম দেখা যাচ্ছে , কিন্তু ফ্লিকের বায়ার্ন কিন্তু এতে অভ্যস্ত ছিল . আশা কড়া যায় , ফ্লিক , তার মাস্টারপ্ল্যানে , এদিকে গুরুত্ব দিয়েছেন ।
 অন্যদিকে , জার্মানির পায়ে বল থাকলে , স্পেন , হাইপ্রেস করবে বলেই মনে হয় , অর্থাৎ জার্মান গোলের কাছে তাড়া  করবে . এক্ষেত্রে , সুইপিং কিপিং এর গুরু নয়ারের পাসিং ক্ষমতা কাজে লাগাতে হবে . স্পেন , আড়াআড়ি ভাবে প্রেস করবার  চেষ্টা করে , খেলা মাঠের এক ধারে নিয়ে এসে ব্যাকপাস করতে বাধ্য করতে , যাতে লম্বা বল বাড়ানো ছাড়া রাস্তা না থাকে , এবং সেই সুযোগে বলের দখল নেয়া যায় . এই চেষ্টা সফল হলে  , জার্মান ফরোয়ার্ড দের এরিয়াল ডুয়েল জিততে হবে . এক্ষেত্রে মাঝমাঠে , তুলনায় ছোটখাটো স্প্যানিশদের বিরুদ্ধে বড়ো চেহারার গোরেৎজকাকে রাখলে এরিয়াল বল বা সেকেন্ড বল জেতবার সুযোগ থাকে . আগেরদিন জার্মানি , নিজেদের খেলায় ,একাধিকবার সুইচ ব্যবহার করেছিল , অর্থাৎ , ডানদিকে বিপক্ষকে টেনে এনে , ফাঁকা বাঁ দিকে উঠে আসা ফুলব্যাক কে বল বাড়ানো . সুযোগ পেলে জার্মানরা সেই চেষ্টা চালাবে ।
 
 জার্মানির ডিফেন্স আগেরদিন নড়বড়ে দেখিয়েছে , ফলে ডিফেন্সে করা খেলবে , তা বোঝা মুশকিল . সম্ভবত রুডিগার এবং সুলে থাকছেন , বাকি দুজন করা থাকেন , তা দেখার . ফুলব্যাকদের ভূমিকা  কাল খুবই গুরুত্বপূর্ণ . ফরোয়ার্ড হিসেবে ফলস ৯ হাভার্টজ এ থাকেন , নাকি প্রপার ৯ , কিন্তু বড়ো ম্যাচে অনভিজ্ঞ ফুলক্রুগ , সেদিকেও নজর থাকবে . মুলার , ন্যাবরি ,মুসিয়ালা সম্ভবত থাকছেন , সানেও চোট সারিয়ে প্র্যাকটিসে ফিরেছেন . শুরু থেকেই খেলেন , না পরে নামবেন , তা নিয়েও কৌতূহল থাকছে . আমার ব্যক্তিগত মত , বার্সা বধে পিএইচডি টমাস মুলারের নেতৃত্ব এ ম্যাচে জরুরি . পরিবর্ত হিসেবে , অত্যন্ত টেকনিক্যাল এবং ওয়ান টাচ ফুটবলে দক্ষ , ডর্টমুন্ডের ব্র্যান্ডের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে , যদিও তার বলের দখল নষ্ট করার , অর্থাৎ টার্নওভার এর শিকার হবার অভ্যাস চিন্তার কারণ  . অন্যদিকে , স্পেনের কোচ এনরিক বলেছেন , প্রতিদিন একই  দল খেলাবেন না . সে ক্ষেত্রে , মোরাতার দলে আসার সম্ভাবনা রয়েছে , আনসু ফাতি ও আসতে পারেন . মাঝমাঠ মোটামুটি বার্সা-হেভি হবে বলেই মনে হয় ।  
  সব মিলিয়ে , আজ আমরা টানটান ম্যাচ দেখতে চলেছি . দুই চ্যাম্পিয়ন্স লীগ জয়ী কোচের ট্যাকটিক্যাল যুদ্ধ আজ উপভোগ করবে দুনিয়া . সম্ভবত দু দলের ই সেপ কিছু অদল বদল হবে , কখনো  হাই প্রেস , কখনো  মিডব্লকের খেলা চলবে , সব মিলিয়ে , উপভোগ্য ফুটবলের আশায় আজ একটু রাত জাগাই যায়।

 

 
0 Comments

Post Comment