পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

আজকের ভারতবর্ষের দিকে তাকিয়ে আমরা অবাক হয়ে দেখছি প্রতিদিন যেন এই দেশ আমাদের কাছে অচেনা ঠেকছে। সুবর্ণরেখায় আমরা দেখেছি একটা গণমাধ্যম যে কিনা প্রতিনিয়ত অশ্লীল খবরের সন্ধানে, মনুষ্যত্বের অবমাননার খোঁজে ছুটছে তাদের পকেট ভরাতে। আমরা দেখছি সেখানে কৌশল্যার মতো সহায় সম্বলহীন মানুষকে রাষ্ট্র টেনে হিঁচড়ে নির্বাচনে নিয়ে যাচ্ছে। ‘রাত কত হলো উত্তর মেলে না’, রবীন্দ্রনাথের শিশু তীর্থ ঋত্বিকের ছবিতে উচ্চারিত হয়, আমাদের সময়কে সে যেন মহাকাব্যিক উচ্চারণে বুঝতে চায়।

Read more


কলেজে পড়ার সময়েই সলিল চৌধুরী মার্ক্সবাদীদের সান্নিধ্যে এসে কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য হন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলা কালীন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের সৃষ্ট ১৯৪৩ সালে বাংলার ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের সময়ে অবিভক্ত কমিউনিস্ট পার্টির একজন স্বেচ্ছাসেবক হিসাবে দক্ষিণ ২৪ পরগণার কাকদ্বীপ-সংলগ্ন প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে তিনি দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। সেখানে তিনি যে অভিজ্ঞতা লাভ করেছিলেন, সেগুলোই পরবর্তীকালে হয়ে উঠেছিল তাঁর অনেক কালজয়ী সংগ্রামী গানের ভিত্তি।

Read more


আজ বেশ কয়েকদিন অভিরামের মনটা ভালো নেই। ভিন রাজ্যে বাংলাভাষী শ্রমিকদের উপর, নেতিবাচক বিভিন্ন খবর, অভিরামের মন খারাপের কারণ। কেননা, ছেলে বিবর কর্মসূত্রে মহারাষ্ট্রে থাকে। আইকার্ড, আধারকার্ডকে ঐ রাজ্যের প্রশাসন ভারতীয় নাগরিকের মান্যতা দিচ্ছে না। বাংলায় কথা বলার জন্য বলছে... তোমারা বাংলাদেশী, অনুপ্রবেশকারী। দৈনিক সংবাদ মাধ্যম থেকে জানা এসব খবর অভিরামের মনকে ভারাক্রান্ত করে রেখেছে। কি করবে অভিরাম? কী বা করার আছে?

Read more


কমিউনিস্ট পার্টি গঠিত হবার পর ঘাটে বোম্বেতে থাকতেন এবং সেখানে শ্রমিক সংগঠনের কাজে তিনি বিশেষ পারদর্শিতা দেখান। ১৯২৭ সালে প্রথম কমিউনিস্ট নেতা হিসেবে ঘাটে এ আই টি ইউ সি-র কার্যনির্বাহী সভার পদাধিকারী হনএবং ধীরে ধীরে এই সংগঠনে কমিউনিস্ট প্রভাব, মতাদর্শ ও নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেন। আজ কমিউনিস্ট পার্টির ১০০ বছরে, প্রথম সাধারণ সম্পাদকের জীবন আলেখ্য।

Read more


আরাবল্লি পর্বতমালা উত্তরভারতে ২০০ কোটি বছর ধরে ভূ-প্রাকৃতিক বাফার জোন হিসেবে কাজ করছে। ভাবতেও অবাক লাগে যে, এই দুইশো কোটি বছরের পাহাড়ের ভূগোল ইতিহাস ভবিষ্যত নির্ধারন করছে মাত্র দুইশো বছরের ‘প্রগতিশীল’ মানুষ। হায়রে আমার সভ্য মানুষ। একেই নাকি বলে সভ্যতা!

Read more


যে ব্যক্তি এক সময় কলকাতায় দক্ষিণপন্থী মিহির সাহার হয়ে ভোটের ক্যাম্পেন করতেন আর ফলাফল ঘোষণার পর হতাশ হতেন, আজ তাঁর হতাশার কারণ সম্পূর্ণ বিপরীত। দেশদ্রোহ আর দেশপ্রেমকে ঘিরে চিরাচরিত দ্বন্দ্ব আর আনুষঙ্গিক বিষয় হিসেবে তাঁর হতাশার সেইসব কারণই লেখক প্রসঙ্গক্রমে একাধিকবার দর্শানোর নীতিনিষ্ঠ প্রয়াস চালিয়েছেন এই ‘আপনি কি দেশদ্রোহী?’ বইটাতে।

Read more


২৬ নভেম্বর সংবিধান দিবসে এই পদযাত্রার পরিপূর্ণতা হলো দিল্লির যন্তর মন্তরে। ১০০০ কিলোমিটার পথ ৫৬ দিন ধরে হেঁটে এলেন যাঁরা বহু চোখরাঙানিকে তুচ্ছ করে, সত্য, ন্যায়, অহিংসা, প্রেমের পথ ধরে হেঁটে এলেন তাদের সকলকে কুর্নিশ জানাতে, পাশে থাকতে এসে পৌঁছলাম একবেলার জন্য। গান্ধীর সাথে ১০০০ কিলোমিটার পদযাত্রার অভিজ্ঞতা সত্যিই অন্যরকম। সেই অভিজ্ঞতাই ভাগ করে নিলেন মনীষা বন্দ্যোপাধায়।

Read more


গান্ধীর সাথে পথ চলা, এমনই একটি ঘটনা ঘটে গেল প্রায় ৫৬ দিন ধরে। এদেশের ১০০০ কিলোমিটার পথ ধরে বেশ কিছু মানুষ হাঁটলেন বেনারসের রাজঘাট থেকে দিল্লির রাজঘাট পর্যন্ত। দেশের বাইশটি প্রদেশের পদযাত্রী এতে যুক্ত হয়েছিলেন। 'এক কদম গান্ধী কে সাথ' এই ছিল মূল কথা এবং তার সাথে যুক্ত হয়েছিল 'প্যায়ার কি কারওয়া'র কথা। ‌

Read more


"আমার মৃত্যুর জন্য দায়ী এসআইআর" সকালে খবরের কাগজ দেখে চমকে উঠল সুকান্ত। ভদ্রলোক অবিবাহিত। এদেশেই তার জন্ম কিন্তু দু'হাজার দুই সালের ভোটার লিস্টে তার বাবার কিংবা তার নিজের নাম ছিল না। ভদ্রলোকের বাবা বাংলাদেশ থেকে এসেছিলেন। তার বাবা দশ বছর আগে মারা গিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে কি হবে! এসআইআর-এর আতঙ্কে ভদ্রলোক কয়েকদিন ধরেই চিন্তায় ছিলেন এবং শেষ পরিণতি আত্মহত্যা।

Read more


রাজপাটে মৌরসী পাট্টা গেড়ে বসার পরে কেনই বা দুধেল গাইদের বিদেশে গচ্ছিত টাকা নিয়ে টানাটানি করা হবে? কখনো কখনো তাঁরা দেশ ছেড়ে বিদেশে যাবেন, সেই বন্দোবস্ত রাখতে হবে বৈকি। তাঁরা তো নির্বাচনী তহবিলে নামে বেনামে টাকা দেন, নির্বাচনী বন্ডও কিনেছেন। তাই এখন কালো টাকাও নেই, কালো টাকার বিদেশ গমনও নেই। কিছুদিন পরে কি আমাদের এটাও জানানো হবে, যে ভারতে বিদেশী বলেই কেউ নেই, কিংবা এই SIR এর পরে যাঁদের বিদেশী বলে বলা হচ্ছে, সেটাও অত্যন্ত নগণ্য?

Read more


মনমোহন সিং-চিদাম্বরমদের নকশাল তথা মাওবাদীদের সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গির কথা তো মোদির অজানা নয়। মনমোহন সিং তো বলেই দিয়েছিলেন : নকশালপন্থীরা দেশের অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে সবচাইতে বড়ো বিপদ (দ্য হিন্দু, নভেম্বর ১৭, ২০২১)। একদা দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বর্তমান অমিত শাহের পূর্বসূরী চিদম্বরম তো স্পষ্টতই বলেছিলেন যে দেশের সন্ত্রাসবাদ দমনের চাইতেই বড়ো চালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে নকশালপন্থীরা (দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১১)!

Read more


আজ ১৬ই ডিসেম্বর, ২০২৫। আজ নির্বাচন কমিশন তাঁদের বিশেষ নিবিড় সংশোধনী প্রক্রিয়ার ফল প্রকাশ করবে, অর্থাৎ খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে। আজ থেকে কিন্তু সমস্ত মানুষের অনিশ্চয়তা কেটে যাচ্ছে এমনটা নয়, উল্টে আজ থেকে বহু মানুষের অনিশ্চয়তা আরো বাড়বে। হয়রানি বাড়বে। নিজের অস্তিত্বের প্রমাণ দিতে সরকারের দপ্তরে দপ্তরে ঘুরতে হবে। আরো নতুন নতুন নিয়ম লাগু হবে, গোদী মিডিয়া জুড়ে সান্ধ্যকালীন চর্চার বিষয় হয়ে উঠবে, বাদ যাওয়া মানুষের সংখ্যা, কিন্তু মানুষের হয়রানি নিয়ে কেউ কথা বলবেন কি?

Read more


চিকেন প্যাটিসের সাথে শ্রীমদ্ভাগবত গীতার বিরোধটা ঠিক কোথায় তা সত্যিই বোঝা দুষ্কর। খানকয়েক বেয়াড়া প্রশ্ন মাথায় কিলবিল করছে। গীতার যুগে চিকেন প্যাটিস ছিল না। কৃষ্ণ বা অর্জুন মাংস চেটেপুটে খেলেও চিকেন প্যাটিস খাননি। তাই চিকেন প্যাটিস খাওয়া ও বেচা বারণ? বেচুবাবু যে সবকুচ বেচে দেন, তার বেলা? নাকি শুধু গীতাপাঠে মন চিত্ত হয় না? দুর্বলকে ধরে না পেটালে রক্ত ঠিক গরম ও তেজি হয়না, তাই পেটানো, চিকেন প্যাটিসটা উপলক্ষ্য মাত্র? বেয়াড়া প্রশ্নগুলো তবুও পিছু ছাড়েনা।

Read more


ইন্টারোগেশান রুমে পাশাপাশি হাতকড়া পরানো অবস্থায় বসানো রয়েছে রাজু আর পলাশকে। চারজন কনস্টেবল ঘরের চার কোণে পাহারায় রয়েছেন। অফিসার রাত্রি গাঙ্গুলী এসে তাদের উল্টোদিকের চেয়ারে বসে হাতের ফাইলটা সশব্দে টেবিলে রাখলেন। ঘরের চারিদিকে আলো নেই, ওই টেবিলের ওপর শুধু জোরালো এক আলো জ্বলছে আর রাত্রির ঠিক পেছনে আরেকটা স্ট্যান্ড লাইট।

Read more


জমানা বদলের পর অর্থাৎ তৃণমূল রাজত্বকালে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতা কাঠামোয় খুব পরিবর্তন হল, এমনটা ভাবলে ভুল ভাবা হবে। বলা যায়, সিপিএম পার্টি-প্রশাসনিকতার যে সম্মিলন ঘটিয়ে দীর্ঘকাল এই রাজ্যে ক্ষমতা ধরে রাখতে পেরেছিল, সেই একই পদ্ধতি তৃণমূল দলও অনুসরণ করে চলেছে। গ্রামবাংলার রাজনীতি নিয়ে চারটি প্রবন্ধের এটি শেষাংশ। আগের লেখাগুলোর সূত্রও থাকলো এই লেখার মধ্যে।

Read more


শ্রমিক-কৃষক জনতার জঙ্গী আন্দোলন যুক্তফ্রন্ট ক্ষমতায় আসার পর ক্রমশ উত্তাল হয়ে উঠলে ফ্রন্ট নেতৃত্ব তাকে আইনি ও সাংবিধানিক সীমার মধ্যে বেঁধে রাখতে মনোযোগ দিল, যদিও তেভাগার মতো এই সময়েও কৃষক আন্দোলন পার্টির বেঁধে দেওয়া গন্ডি ছাপিয়ে গেল, লালঝাণ্ডা পুঁতে ভূস্বামীদের জমিদখল নিত্যকার ঘটনা হয়ে উঠল, জোতদার-ভিত্তিক দল বাংলা কংগ্রেসের পক্ষে যা মেনে নেওয়া সম্ভব ছিল না। আজ তৃতীয় পর্ব গ্রামবাংলার রাজনীতি। আগের লেখার সূত্রগুলোও থাকলো এই লেখারই মধ্যে।

Read more


গ্রামবাংলার রাজনৈতিক জীবনে সংগঠিত রাজনীতির প্রভাব যে ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছিল সেই ১৯২০-৩০-এর দশক থেকেই, তার যথেষ্ট প্রমাণ কৃষক আন্দোলনের গবেষকদের লেখা থেকে পাওয়া যায়। ‘সংগঠিত রাজনীতি’ বলতে কি বোঝায়? এই সমস্ত কিছু বোঝার চেষ্টায় গ্রামবাংলার রাজনীতি (দ্বিতীয় অংশ) এই লেখাটি। আগের লেখার সূত্রও এই লেখার প্রথমেই থাকলো।

Read more


পশ্চিমবঙ্গের নিচুতলার মানুষের মধ্যে সংসদীয় দলগুলোর প্রভাব-প্রতিপত্তি ও সংগঠন সম্ভবত সারা ভারতের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। এরাজ্যের গ্রামাঞ্চলে পার্টি-রাজনীতির প্রভাব কতটা গভীর তার প্রমাণ পাওয়া যায় ১৯৯৮-পরবর্তী কয়েক বছরের রক্তক্ষয়ী গ্রাম দখলের সংঘর্ষে যা পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতা-কেশপুর থেকে শুরু হয়ে বিস্তীর্ণ গ্রামাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছিল। গ্রামবাংলার রাজনীতি নিয়ে চার পর্বের লেখার এটি প্রথম পর্ব।

Read more


গণহত্যার ফুলকপি চাষের ইতিহাসের সাথে অনেকেই পরিচিত হয়েছেন এ বছরের (২০২৫) মে মাসে। যখন অসংসদীয়, নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতা, কর্মীদের গণহত্যার মধ্যেই সাধারণ সম্পাদককে হত্যা করা হল। তখন কুখ্যাত গণহত্যাকারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মিম হাজির হল, হাসি মুখে ফুলকপি হাতে। ফুলকপির তলায় লেখা ছিল, 'রেস্ট ইন পিস নকশালিজম'। নকশাল রাজনীতির সংসদীয় ধারার অন্যতম প্রধান শক্তি সিপিআই(এমএল)(লিবারেশন) বিবৃতি দিয়ে সমালোচনা করেছিল।

Read more


আগামী সেনসাস শুরু হওয়ার আগেই আমরা ১৬ বছর পিছিয়ে যাচ্ছি মাইগ্রেশনের প্রকৃত তথ্য থেকে। এই ১৬ বছরের ফাঁকে পরিযায়ী নির্মাণ শ্রমিক শহর মুম্বাই গড়ে তুলেছে, বাস করছে সেখানে আর তার তথ্য রয়ে গেছে বিহারে, উত্তরপ্রদেশের গ্রামে। রাজস্থানের জরি শিল্পে বা হরিয়ানার কারখানায় যে শ্রমিক ঘাম ঝরাচ্ছে সে সংখ্যায় রয়ে গেছে মুর্শিদাবাদ বা ওড়িশার গ্রামে।

Read more

by অঞ্জন ঘোষ | 08 December, 2025 | 569 | Tags : SIR Illegal Migrants Census


রামদা হাতে নিয়ে গুলঞ্চ দৌড় দিলো।সচরাচর কেউ বাধা তাকে দেয় না। গুলঞ্চর মা জানে সে কোথায় গেলো আর একথাও জানে যে সে রামদা দিয়ে কেবল ভয়ই দেখাতে পারে কাজের-কাজ কিচ্ছু না- সুতরাং গুলঞ্চর মা এই দৌড়কে অগ্রাহ্য করে ঘরের কোণ থেকে মাটির কলসি কাঁখে বেরিয়ে পড়লো দক্ষিণ পাড়ার সাবমারসিবলের দিকে।

Read more


২০০১ সালের সেনসাসে পশ্চিমবঙ্গের মোট জনসংখ্যা ছিল ৮.০২ কোটি, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১৭.৮৪। সেই বছরের সেনসাসে বাংলাভাষী মানুষের সংখ্যা ৬৮,২৫৯,৩৫৫। অর্থাৎ এই রাজ্যে বসবাসকারী প্রায়, ৮০,২০০,০০০ - ৬৮,২৫৯,৩৫৫ = ১১,৯৪০,২৫৯ জন বা ১ কোটির বেশি মানুষ বা প্রায় মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৫ % বাংলা ব্যতীত অন্য ভাষায় কথা বলেন। তাহলে কি বাংলাভাষী মানুষের সংখ্যা বেড়েছে না কমেছে? আমাদের চারপাশ কী বলে?

Read more


রাজ্য ভরে যাচ্ছে, ‘অনুপ্রবেশকারী’তে। এটি হচ্ছে বিশ্বাস, যেটি চলতে SIR আবহে খুব গতিশীল একটি বিশ্বাস। সর্বত্র ওপার বাংলার লোক বা অনুপ্রবেশকারীতে ভরে যাচ্ছে। রাজনীতিকদের কথা বাদ দিন, রাজনীতি করতে হলে বিরাট বিরাট বক্তব্য বিনা গতি নাই, কিন্তু আমরা যারা সাধারণ? তাঁদের অনেকেও তো একইভাবে ভাবছেন।

Read more


একটি রাজ্যের জনসংখ্যা কেন অধিক, তার অনেকগুলো কারণের মধ্যে অনুপ্রবেশ যেমন, তেমনই মাইগ্রেশনটাও একটা কারণ। বিগত প্রায় এক বছর ধরে বাংলার বাইরে বাঙালি বিদ্বেষকেও আমরা শ্রেণীর অবস্থান থেকে দেখার চেষ্টা করেছি। কোথাও কোন অত্যচার হচ্ছে না, কই আমাদের ঘরের ছেলে মেয়েরা তো বাইরে থাকে, তাদের কাছ থেকে তো কিছু শুনিনা। কিন্তু সত্যিটা কী? সেই জন্যেই এই লেখাটা পড়া জরুরি।

Read more


সিপিআইএম পার্টির বঙ্গীয় নেতৃকুল আর পার্টির ত্রিপুরা নেতৃকুলের বক্তব্যে বিস্তর পার্থক্য থাকাই স্বাভাবিক। ত্রিপুরায় কোন সাড়া শব্দ করার উপায় সিপিআইএমের নেই। তাদের জিজ্ঞাসা করুন তোমাদের প্রধান শত্রু কে? এবার একই প্রশ্ন করুন পশ্চিমবাংলায়, দেখবেন সম্পূর্ণ বিপরীত ধর্মী উত্তর। স্মরণ করুন, মানিক সরকার বলেছিলেন, তৃণমূলের তপ্ত তাওয়া থেকে বিজেপির ফুটন্ত তেলে ঝাঁপ দেওয়ার সিদ্ধান্ত মূর্খামি।

Read more

by মালবিকা মিত্র | 03 December, 2025 | 920 | Tags : CPIM Politburo SIR


এই চরে এত রাতে “ মারা গেল! মারা গেল!”, বলে কে চিল্লায়? দু’বার চিল্লেই চিল্লানোটা হাওয়া হয়ে যায়। এখন চর আবার চুপ। মকদুম মৌলভী খানিক তাজ্জব বনে যায়। এখানে কারো কিছু হলে “ আগগে মা’গে মইরা গ্যাল্লো রে!” বলেই বিলাপের রীতি। ‘বিলাপ’ শব্দটাও এখানে মকদুম ছাড়া কেউ জানে বলে মকদুমের মনে হয় না। তারা সোজা ভাবে বলেঃ “কান্না কইরছে”।

Read more


বাঙালি কমিউনিষ্টরা লেনিনের মতই যদি বলতে পারতেন যে, “আমরা গর্ববোধ করি বাঙালিদের মধ্যে থেকেই এসেছেন চৈতন্য, লালনের মত চিন্তাবিদরা, এসেছেন বহু বৌদ্ধ আচার্যরা, এসেছেন বিদ্যাসাগর, রবীন্দ্রনাথের মত ব্যক্তিরা যাঁরা যাঁরা স্ব স্ব ক্ষেত্রে সকলেই ছিলেন বিপ্লবী”। বাঙালিদের মধ্য থেকেই এসেছেন অসংখ্য বিজ্ঞানীরা যাঁরা হিন্দু সমাজের ফতোয়া অগ্রাহ্য করে বিজ্ঞান চর্চা করেছেন, সমাজ-সংস্কার করেছেন। সমাজকে এগোতে সাহায্য করেছেন তাহলে কেমন হতো? বিষয়টা ভাবার এখনই তো সময়!

Read more

by শংকর | 01 December, 2025 | 2237 | Tags : Bengali Chauvinism Bengali Culture Bangladeshi