ইউনিয়ন সরকারের অপরাধের তদন্ত বা অপরাধের প্রতিকারের ক্ষমতা জনতা ছাড়া আর কারও নেই, হয় জনতা নির্বাচনের মাধ্যমে শাসক দলকে ক্ষমতাচ্যুত করবে, নতুন সরকার ক্ষমতায় এসে পুরনো অপরাধের তদন্ত করবে বা নির্বাচন ব্যবস্থাও যদি শাসক দল কুক্ষিগত করে ফেলে, তখন গণ-অভ্যুত্থান ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না।
হরেন মণ্ডল ভিড়ের মধ্যেই দাঁড়িয়ে। তিনবার এসেছেন, আজ চতুর্থবার। প্রতিবারই কিছু না কিছু কাগজ “অসম্পূর্ণ” বলে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কোন কাগজ? কে বলবে? নোটিশে লেখা থাকে –“প্রয়োজনীয় নথিপত্র সহ উপস্থিত হবেন।” প্রয়োজনীয় বলতে ঠিক কোনটা, সেটা যেন এক রহস্য। প্রযুক্তির সাহায্যে হরেন মণ্ডলদের বাদ দেওয়ার নির্বাচন কমিশনের এই চক্রান্ত কীভাবে থামবে? কারা এই নিয়ে সংগঠিত হয়ে আন্দোলন করবে? সুপ্রীম কোর্ট কতদিন দেখেও না দেখার ভান করবে?
মোদ্দা কথা হল, UAPA আইনে এই মামলা দাঁড় করাতে হলে ব্যাপক সহিংসতার প্রমাণ দিতে হয় এবং তার সাথে অভিযুক্তদের সংযোগ প্রমাণ করতে হলে ব্যাপক ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব উপস্থাপিত করতে হয়।বর্তমান মামলায় সেটাই করা হচ্ছে সরকার পক্ষ থেকে বা রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে। প্রসিকিউশনের যা ফাঁকফোকর তা বোজানো হচ্ছে,’বৃহত্তর ষড়যন্ত্র’ এর তত্ত্ব দিয়ে।
আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। দেখবার বিষয় হবে এটাই যে তাদের আসন সংখ্যা বাড়ল নাকি কমল। বামপন্থীরা সেই সাউডলাইনের ধারেই পাকাপাকি আসন নিয়েছেন এটাই ভবিতব্য। যদিও বামবৃত্তের বহু নেতাকর্মীর আশা আকাঙ্ক্ষা অন্য রকম। বামপন্থী নেতাদের একটি অতি পুরাতন হঠকারী পদ্ধতি হল কর্মীদের কাছে বাড়িয়ে চাড়িয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করা। তাঁরা মনে করেন এতে করে কর্মীদের মনোবল বাড়ে।
বাবা সবসময় বলতেন, ‘তোকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না।’ সে ভাবতো ওটা বাবার স্নেহবর্ষণের নিজস্ব পদ্ধতি।
ত্রিবেণীতে সেনাপতি জাফর খাঁর দরগায় একাধিক দেব দেবীর নিদর্শন রয়েছে। একটি স্তম্ভের গায়ে ভূমিস্পর্শ বুদ্ধমূর্তি খোদিত আছে। এখানে জৈন মূর্তির নিদর্শন দেখা যায়। এরথেকে প্রমাণিত একসময় স্থানীয় এইসব অঞ্চলে বৌদ্ধ বিহার ও জৈন ধর্মের কেন্দ্র ছিল বলে মনে করছেন গবেষকরা। হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ একসাথে দরগায় আসেন। যা দীর্ঘ ধর্মীয় সহাবস্থানের পরিচায়ক।
দেশের শীর্ষ আদালতের দুটি সিদ্ধান্তে হঠাৎ করেই আমাদের বিবেক জাগ্রত হয়েছে। তাঁরা আরাবল্লী নিয়ে সিদ্ধান্তের পুনর্বিবেচনা করতে চেয়েছেন এবং যাবজ্জীবন শাস্তিপ্রাপ্ত খুনী ধর্ষক উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন বিধায়কের জামিনের সিদ্ধান্ত রদ করেছেন! আর এদিকে অন্যায় ভাবে বন্দী উমর খালিদ মাত্র পনেরো দিনের প্যারোল শেষ করে আবার কারান্তরালে! সত্যিই কি আমাদের দেশের বিচারব্যবস্থার ঘুম ভাঙছে? তাঁদের অসুস্থতাটা ঠিক কোথায়? দুই পর্বের আলোচনার এটি প্রথম পর্ব।
সার্বজনীন ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার কাজটা মুসোলিনি আর তার পার্টি করেছিল, তার আসল লক্ষ্য ছিল সংসদ দখল করে নেওয়া। এখানেও সে চেষ্টা হচ্ছে এসআইআর করে। সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ আর ভারতের অঙ্গরাজ্যগুলির ২৮টির মধ্যে অন্তত ১৬টি দখল করলেই বিজেপি ভারতীয় সংবিধানে বিপুল পরিবর্তন আনতে পারে নানা বিষয়ে।
এস আই আর বেশিরভাগ নিরক্ষর ও প্রান্তিক মহিলাদের জন্য দৈনন্দিন জীবনে রুজি রোজগারের ক্ষেত্রেও একটি অতিরিক্ত সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে কারন বছরের এই সময়টা ওই সব মহিলাদের মধ্যে অনেকেই ধান কাটার কাজে বা জীবিকার তাগিদে দক্ষিণ ভারতের দিকে যান। তাঁরা উভয় সংকটে পড়েছেন। যদি তাঁরা না যান, তবে তাঁদের আয়ের ক্ষতি হবে। কিন্তু ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার ভয়ও তাঁদের মধ্যে রয়েছে।
অফিসের জানলা দিয়ে বাইরে চোখ রাখতেই দেখলাম রামধনু সাতরঙের পাখা মেলেছে। ঘড়ি বলছে এক্ষুনি ছুটি হবে। “ ময়ূরাক্ষীদি এক কাপ চা আরেকবার দিই? “ রতনদা বলতেই তৎক্ষণাৎ উত্তর দিলাম,” না গো রতনদা, আজ বন্ধু বিপাশার মেয়ের জন্মদিনের নেমন্তন্ন আছে, যেতে হবে।”
অফিসের জানলা দিয়ে বাইরে চোখ রাখতেই দেখলাম রামধনু সাতরঙের পাখা মেলেছে। ঘড়ি বলছে এক্ষুনি ছুটি হবে। “ ময়ূরাক্ষীদি এক কাপ চা আরেকবার দিই? “ রতনদা বলতেই তৎক্ষণাৎ উত্তর দিলাম,” না গো রতনদা, আজ বন্ধু বিপাশার মেয়ের জন্মদিনের নেমন্তন্ন আছে, যেতে হবে।”
এস আই আর বেশিরভাগ নিরক্ষর ও প্রান্তিক মহিলাদের জন্য দৈনন্দিন জীবনে রুজি রোজগারের ক্ষেত্রেও একটি অতিরিক্ত সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে কারন বছরের এই সময়টা ওই সব মহিলাদের মধ্যে অনেকেই ধান কাটার কাজে বা জীবিকার তাগিদে দক্ষিণ ভারতের দিকে যান। তাঁরা উভয় সংকটে পড়েছেন। যদি তাঁরা না যান, তবে তাঁদের আয়ের ক্ষতি হবে। কিন্তু ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার ভয়ও তাঁদের মধ্যে রয়েছে।
আজকের ভারতবর্ষের দিকে তাকিয়ে আমরা অবাক হয়ে দেখছি প্রতিদিন যেন এই দেশ আমাদের কাছে অচেনা ঠেকছে। সুবর্ণরেখায় আমরা দেখেছি একটা গণমাধ্যম যে কিনা প্রতিনিয়ত অশ্লীল খবরের সন্ধানে, মনুষ্যত্বের অবমাননার খোঁজে ছুটছে তাদের পকেট ভরাতে। আমরা দেখছি সেখানে কৌশল্যার মতো সহায় সম্বলহীন মানুষকে রাষ্ট্র টেনে হিঁচড়ে নির্বাচনে নিয়ে যাচ্ছে। ‘রাত কত হলো উত্তর মেলে না’, রবীন্দ্রনাথের শিশু তীর্থ ঋত্বিকের ছবিতে উচ্চারিত হয়, আমাদের সময়কে সে যেন মহাকাব্যিক উচ্চারণে বুঝতে চায়।
কলেজে পড়ার সময়েই সলিল চৌধুরী মার্ক্সবাদীদের সান্নিধ্যে এসে কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য হন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলা কালীন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের সৃষ্ট ১৯৪৩ সালে বাংলার ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের সময়ে অবিভক্ত কমিউনিস্ট পার্টির একজন স্বেচ্ছাসেবক হিসাবে দক্ষিণ ২৪ পরগণার কাকদ্বীপ-সংলগ্ন প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে তিনি দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। সেখানে তিনি যে অভিজ্ঞতা লাভ করেছিলেন, সেগুলোই পরবর্তীকালে হয়ে উঠেছিল তাঁর অনেক কালজয়ী সংগ্রামী গানের ভিত্তি।
আজ বেশ কয়েকদিন অভিরামের মনটা ভালো নেই। ভিন রাজ্যে বাংলাভাষী শ্রমিকদের উপর, নেতিবাচক বিভিন্ন খবর, অভিরামের মন খারাপের কারণ। কেননা, ছেলে বিবর কর্মসূত্রে মহারাষ্ট্রে থাকে। আইকার্ড, আধারকার্ডকে ঐ রাজ্যের প্রশাসন ভারতীয় নাগরিকের মান্যতা দিচ্ছে না। বাংলায় কথা বলার জন্য বলছে... তোমারা বাংলাদেশী, অনুপ্রবেশকারী। দৈনিক সংবাদ মাধ্যম থেকে জানা এসব খবর অভিরামের মনকে ভারাক্রান্ত করে রেখেছে। কি করবে অভিরাম? কী বা করার আছে?
কমিউনিস্ট পার্টি গঠিত হবার পর ঘাটে বোম্বেতে থাকতেন এবং সেখানে শ্রমিক সংগঠনের কাজে তিনি বিশেষ পারদর্শিতা দেখান। ১৯২৭ সালে প্রথম কমিউনিস্ট নেতা হিসেবে ঘাটে এ আই টি ইউ সি-র কার্যনির্বাহী সভার পদাধিকারী হনএবং ধীরে ধীরে এই সংগঠনে কমিউনিস্ট প্রভাব, মতাদর্শ ও নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেন। আজ কমিউনিস্ট পার্টির ১০০ বছরে, প্রথম সাধারণ সম্পাদকের জীবন আলেখ্য।