নচিকেতা ছোট শহরের ছেলে। তার প্রতিভা আছে, কিন্তু সুযোগ সীমিত। সকলে তার ছবির প্রশংসা করে। দেওয়ালে ছবি এঁকে সামান্য রোজগার হয়। এমন সময় শহরের পুরসভার নেতা সুশীলবাবুর নজরে আসে নচিকেতা।
আজ অন্তরীক্ষের অদ্বিতীয় সম্বোধন ধারাবাহিকের তৃতীয় পর্ব। আগের পর্বের সূত্র লেখার প্রথমে।
তথ্যভাষ্যভিত্তিক কাজ এবং কন্টেন্ট মডারেশন শ্রমিকদের প্রায় ৮০% গ্রামীণ অথবা প্রান্তিক জনগোষ্ঠী থেকে আসেন। থার্ড-পার্টি সংস্থাগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে ছোট শহর ও মফস্বল থেকে তাদের কাজ পরিচালনা করে, যেখানে শ্রমের দাম কম এবং প্রথম প্রজন্মের স্নাতক পাশ করার একটা বড় অংশের ছাত্রযুব স্থায়ী চাকরির সন্ধান করছে। এই কর্মশক্তির প্রায়-সম্পূর্ণ দায়ভার তুলে দেওয়া হয়েছে নারীদের কাঁধে। কিন্তু কীভাবে তাঁদের শোষণ করা হচ্ছে, তা বুঝতে এই প্রবন্ধটি পড়া জরুরি।
১৮৮৬ সালের ১লা মে, শিকাগোতে প্রায় ৮০,০০০ শ্রমিক এবং যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে কয়েক লক্ষ শ্রমিক কঠোর আট ঘণ্টার কর্মদিবসের দাবিতে একটি সাধারণ ধর্মঘট শুরু করে। এই আন্দোলনের জের ধরেই ৪ঠা মে হেমার্কেট অ্যাফেয়ার সংঘটিত হয়, যেখানে পুলিশের দিকে বোমা ছোড়ার ফলে সহিংসতার সৃষ্টি হয় এবং শ্রমিক সমাবেশটি একটি তাৎপর্যপূর্ণ ও মর্মান্তিক ঘটনায় পরিণত হয়। আজকের উত্তর ভারতের শ্রমিক আন্দোলনের প্ররিপ্রেক্ষিতে মে দিবসের প্রাসঙ্গিকতাকে বোঝার চেষ্টা।
এই বিপন্ন কালে আবার চারপাশে দেখি একদল মানুষ উল্লসিত। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের উল্লাস দেখলে অবাক লাগে। একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের মানুষ হয়রান হচ্ছেন — এটাই তাদের আনন্দের উপলক্ষ। তারা ভাবছেন এটা "শিক্ষা দেওয়া" হচ্ছে, "জব্দ করা" হচ্ছে। আজকে বাংলার দ্বিতীয় দফার ভোট। আমাদের কিছু সহনাগরিককে বাদের তালিকায় রেখে আমরা আঙুলে কালি লাগিয়ে গণতন্ত্রের শ্রেষ্ঠতম উৎসব পালন করব। প্রশ্ন করতে ইচ্ছে করছে এটা উৎসব না উৎ-শব?
প্রথমে প্রধানমন্ত্রীর কর্তৃক উবাচ নির্দিষ্ট শব্দটি -- ইশতেহার - নিয়ে দুচার কথা বলা যাক। পবিত্র সরকার তাঁর নিবন্ধে ইশতেহার শব্দটি সম্পর্কে একটিমাত্র বাক্য ব্যবহার করেছেন: "... তাঁর গুরু, যাঁকে তিনি আদর করে ' বঙ্কিমদা' বলেন, তিনিই ১৮৯২ নাগাদ সংস্কৃত 'বিজ্ঞাপন' কথাটার জায়গায় 'ইশতিহার' কথাটা ব্যবহার করতে সুপারিশ করে গিয়েছেন লেখায়।" তাহলে আজ মোদী ও যোগীদের ভারতের ভাষার ইতিহাস মুছে দেওয়ার উদ্দেশ্য কী?
ভোট এলেই বাংলার হাওয়া কেমন জানি বদলে যায়। কোকিলের গান, পাখিদের কলতান, ঝর্ণার জল-রব হারিয়ে গিয়ে বইতে থাকে গরম হাওয়া। চারদিক ভরে ওঠে মাইক, মঞ্চ আর ঝালমুড়ির মতো টক ঝাল বক্তিমায়।
হারাধন বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধারাবাহিক উপন্যাসের আজ দ্বিতীয় পর্ব। আগের পর্বের সূত্র এই লেখার প্রথমে থাকলো।
ভারতের সর্বোচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত নিয়ে অনেক প্রশ্ন আছে। হিমাচল প্রদেশের প্রধান বিচারপতি হওয়ার পর তাঁর সুপ্রিম কোর্টে আসার গতি ছিল বিস্ময়কর। সিনিয়রিটির লম্বা তালিকা থাকা সত্ত্বেও কেন তাঁকে এত দ্রুত সর্বোচ্চ আদালতে টেনে আনা হলো? এই দ্রুত উত্তরণ প্রমাণ করে যে, একটি বিশেষ মহলের কাছে তাঁর গুরুত্ব ছিল অপরিসীম এবং তারা তাঁকে সর্বোচ্চ ক্ষমতায় বসাতে মরিয়া ছিল।
গণতন্ত্রের প্রকৃত রূপান্তর এবং গুণগত উন্নতি তখনই সম্ভব, যখন সাধারণ ভোটাররা রাজনৈতিক 'গিমিক' এবং 'বাস্তব উন্নয়ন'-এর মধ্যকার সূক্ষ্ম পার্থক্যটি অনুধাবন করতে পারবেন। প্রার্থীর ঝালমুড়ি খাওয়া বা ধান কাটার নাটকীয়তা দেখে আপ্লুত হওয়ার মোহ কাটিয়ে তাঁদের সোজাসুজি প্রশ্ন করার সময় এসেছে— এম এস পি (ফসলের ন্যায্য দাম ) - র আইনি স্বীকৃতি কি আদৌ মিলবে? আকাশছোঁয়া মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে এনে সাধারণের ক্রয়ক্ষমতা ফেরাতে তাঁদের পরিকল্পনা কী ? ইত্যাদি প্রশ্ন উঠে আসা জরুরি।
গণতন্ত্রের প্রকৃত রূপান্তর এবং গুণগত উন্নতি তখনই সম্ভব, যখন সাধারণ ভোটাররা রাজনৈতিক 'গিমিক' এবং 'বাস্তব উন্নয়ন'-এর মধ্যকার সূক্ষ্ম পার্থক্যটি অনুধাবন করতে পারবেন। প্রার্থীর ঝালমুড়ি খাওয়া বা ধান কাটার নাটকীয়তা দেখে আপ্লুত হওয়ার মোহ কাটিয়ে তাঁদের সোজাসুজি প্রশ্ন করার সময় এসেছে— এম এস পি (ফসলের ন্যায্য দাম ) - র আইনি স্বীকৃতি কি আদৌ মিলবে? আকাশছোঁয়া মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে এনে সাধারণের ক্রয়ক্ষমতা ফেরাতে তাঁদের পরিকল্পনা কী ? ইত্যাদি প্রশ্ন উঠে আসা জরুরি।
ভারতের সর্বোচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত নিয়ে অনেক প্রশ্ন আছে। হিমাচল প্রদেশের প্রধান বিচারপতি হওয়ার পর তাঁর সুপ্রিম কোর্টে আসার গতি ছিল বিস্ময়কর। সিনিয়রিটির লম্বা তালিকা থাকা সত্ত্বেও কেন তাঁকে এত দ্রুত সর্বোচ্চ আদালতে টেনে আনা হলো? এই দ্রুত উত্তরণ প্রমাণ করে যে, একটি বিশেষ মহলের কাছে তাঁর গুরুত্ব ছিল অপরিসীম এবং তারা তাঁকে সর্বোচ্চ ক্ষমতায় বসাতে মরিয়া ছিল।
একটু ইতিহাস স্মরণে রাখলে অমিত শাহ ও মোদিজি দেখতে পেতেন সুলতানি থেকে মুঘল যুগ পর্যন্ত কোন শক্তি বাংলাকে কখনো দিল্লির প্রত্যক্ষ শাসনাধীনে আনতে পারেনি। এনে থাকলেও সেটা খুবই সাময়িক। এমনকি গুপ্ত রাজারা মূলত উত্তর ভারতকে ঐক্যবদ্ধ করলেও, গুপ্ত দের সামন্ত নরেন্দ্র গুপ্ত বা নরেন্দ্রাদিত্য, যিনি শশাঙ্ক নামে পরিচিত। তার হাতে স্বাধীন গৌড়ের প্রতিষ্ঠা হয়। বাংলা কনৌজের নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত হয়।
রান্নার গ্যাস পাওয়া যাক বা না-যাক, কলিকাতা কলিকাতাই … সঙ্গে কুয়াশা ঘেরা হাইরাইজের একটা ছবি জুড়ে দিয়েছে। জানে ও, কী পোস্ট অনুগামীরা পছন্দ করবেন।ইন্সটাগ্রামে এরই মধ্যে এত ফলোয়ার! সারাক্ষণ সোশ্যাল মিডিয়া করে চলেছে। কি যে আনন্দ পায় এতে কে জানে ! পাগলী একটা !
সংসারের মাঝপথে হঠাৎ ছন্দপতন। পেঁপে আর পেপসি নিয়ে গন্ডগোলের সূত্রপাত। জ্যৈষ্ঠ মাসের মঙ্গলবার। গনগনে রোদে কার গাছ থেকে কে জানে, এক বস্তা পেঁপে পেড়ে বস্তাবন্দি করে কাঁধে নিয়ে ঘরে আসে লখাই। বস্তাটা ঘরের মেঝেতে ধপাস করে নামিয়ে আদরিনীকে ডাকে।
মনে পড়ে যাচ্ছে, কলকাতা ১৯৬৫-৬৬’র কথা। খাদ্যের জন্য আন্দোলন; আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশের গুলি--বসিরহাট, বারাসাত, কৃষ্ণনগর। খাদ্য চাই, সেই চাওয়া আদায় করে নেবে আন্দোলনকারীরা, এমনই প্রতিজ্ঞা! ৪৫ জন শহীদ। আন্দোলনের এই প্রসার, জনতার এই রুদ্ররোষ কমিউনিস্ট ও বামপন্থী দলগুলির কল্পনার বাইরে, এবং এই আন্দোলনকে সহমর্মিতা দেখিয়েই তাদের ক্ষমতায় আসা!