পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

সমস্ত এক্সিট পোলের ভবিষ্যৎবাণীকে ধূলিস্যাৎ করে ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচনের রায় যখন সামনে এল, তখন তা দেশ দুনিয়ার অনেককেই চমকে দিল। যে বিজেপি বলেছিল তারা নিজেরাই ৩৫০+ আসন পাচ্ছে আর জোটসঙ্গীদের নিয়ে চারশো পার করে যাবে, সেই বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার অনেক দূরে, ২৪০ আসনেই থেমে গেল। বাকি বিশ্লেষণ পড়ুন নীচের সূত্রে।

Read more


বাম, কংগ্রেস, তৃণমূলের কাউন্টিং এজেন্টরা সাবধান। এই একজিট পোল দেখে দান ছেড়ে দিলে মুশকিল, তাহলে আগেই হেরে যেতে হবে। এই একই কথা রাজ্যের বাইরে অন্যান্য রাজ্যের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

Read more


হিন্দু জাতীয়তাবাদের বিপরীতে বিবেকানন্দ বিশ্বের জাতি ও ধর্মের ক্ষেত্রে বেদান্তিক দৃষ্টিভঙ্গী প্রচার করেছিলেন। তাঁর দৃষ্টিভঙ্গী ছিল আন্তর্জাতিকতাবাদী ও ধর্মীয় বহুত্ববাদী। তিনি অন্ধ স্বদেশভক্তির বিরোধী ছিলেন। তিনি তাঁর শিষ্য আলাসিঙ্গা পেরুমলকে লিখেছিলেন, সেপ্টেম্বর ১৮৯৫-এ, “আমার ক্ষেত্রে, মনে রাখবে, আমি কারুর কাছে বাঁধা নেই। আমি আমার জীবনের লক্ষ্য জানি, এবং আমার কোনো অন্ধ স্বদেশভক্তি নেই; আমি যতটা ভারতের ততটাই বিশ্বের, এটাতে কোনো বাড়াবাড়ি নেই"। আজকের ভারত সেবাশ্রমের সাধুরা কি এই কথা মেনে চলেন?

Read more


সাত-সাতটি দফা। ২০১৯-এর মত নরেন্দ্র মোদি যাবেন আর জয় করবেন! আপাতত সে গুড়ে বালি। উল্টে দফায়-দফায় দলিত- প্রান্তিকের ভোট গোছালেন অখিলেশ-তেজস্বী-রাহুল। ফলাফল এখন স্রেফ ম্যাজিক।

Read more


ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্রে পরিণত করার শপথ নিয়েছেন যাঁরা, তাঁদের টিশার্ট এবং গাড়িতে আজ রাগী হনুমানের ছবির অনিবার্য উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। হনুমানের এই নতুন চেহারার ন্যায্যতা প্রমাণে কোন স্বল্পশ্রুত পুরানের কথা উদ্ধৃত করে বলা হচ্ছে এটা হনুমানের রূদ্ররূপ। ফ্যাসিবাদে চিহ্ন, প্রতীক,মোটিফের ব্যবহার বহু আলোচিত কারণ মানুষকে উগ্র জাতীয়তাবাদে উদীপ্ত করার লক্ষ্যে এই চিহ্নগুলোকে সুকৌশলে ব্যবহার করা হয়। হনুমানের এই বিবর্তনকে আমাদের সেই প্রেক্ষাপটেই বিচার করতে হবে।

Read more


দেশ জুড়ে জয় শ্রী রাম স্লোগান তোলা মানুষ ভোট দিতে ঘর থেকে বেরোননি। তারা টের পেয়েছেন মোদী রাম নয়, এই যুগের রাবণ। যে সাধু বেশে, ভোট ভিক্ষা করতে এসেছে সীতাদের কাছে। ফলে এই ভোটে মহিলা পুরুষ নির্বিশেষে লক্ষণের গণ্ডি কেউ লংঘন করতে রাজি নয়। রাজ্যে রাজ্যে বিজেপি বিরোধী দলগুলো যে গণ্ডি কেটে দিয়েছে।

Read more


নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহরা ভোটের প্রচারে কয়েক মাস ধরেই বলছেন কংগ্রেস ক্ষমতায় আসলে দেশের সমস্ত সম্পদ মুসলিমদের হাতে তুলে দেবে। এসসি, এসটি দের সংরক্ষণ মুসলিমদের হাতে তুলে দেবে। এটা অত্যন্ত মিথ্যা একটা প্রচার এবং সমাজে বিভাজন ঘটানোর একটা নোংরা রাজনীতি। নরেন্দ্র মোদীদের সেই নোংরা ও সংকীর্ণ রাজনীতির সুবিধা করে দিতেই কলকাতা হাইকোর্ট এই ওবিসি শংসাপত্র বাতিলের রায় দিয়েছে, তার বিরোধিতা করা উচিৎ ছিল সমস্ত বামপন্থীদের।

Read more


রামকৃষ্ণ মিশন কিংবা ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘও এই জোয়ারে গা ভাসিয়ে দিয়েছে সহজেই। হিন্দুধর্মের প্রচারক প্রতিষ্ঠান হিসেবে এই সঙ্ঘ দুটির যত না পরিচিতি, চিরকালই তার চেয়ে ঢের বড়ো করে চিরকাল প্রদর্শিত হয়েছে তাঁদের সেবামূলক প্রচেষ্টা। রামকৃষ্ণ মিশনের মূল কর্মনীতি ঘোষিতভাবেই ‘বহুজনহিতায় বহুজনসুখায়’, অন্য সঙ্ঘটির তো নামের মধ্যেই রয়েছে ‘সেবাশ্রম’ শব্দটি। তবু, তাঁদের ধর্মপ্রচারের লক্ষ্যের সঙ্গে যখন মিলে গেল একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের ধর্মীয় ঝোঁক।

Read more


সার্বজনিক জীবনে তিনি কোনোদিনও সাম্প্রদায়িক বিভাজন করেননি বলে প্রধানমন্ত্রী বিষয়টিকে গুলিয়ে দিতে চাইছেন, ভুল বোঝাতে চাইছেন, কিন্তু কেন? আর এস এস – বিজেপি, নরেন্দ্র মোদী – অমিত শাহ, আসলে মানুষকে ভুল বোঝাতে চায়, জনসংখ্যা, উন্নয়ন বিকাশ তাঁদের চিন্তা ভাবনার মধ্যে নেই, আছে ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতা, এক চরম অন্যায়, মিথ্যে অস্ত্র নিয়েই তারা মানুষের ভোট পেতে চায়, একথা আজ প্রত্যেক কে বুঝতে হবে, বোঝাতে হবে।

Read more


নির্বাচন প্রক্রিয়ার মধ্যে মুসলিম বিরোধী বাতাবরণ সৃষ্টি করে চলা-- এ কিন্তু আগের নির্বাচনগুলির সময় যেমন করা হয়েছিল, এখন সেরকম নয়, তাদের আগের বিভাজন-মেরুকরণের সমস্ত প্রচেষ্টাকে ছাড়িয়ে গেছে। এবার আর কুশলী পদক্ষেপ নয়, ঠারেঠোরে নয়, তারা সরাসরি মুসলমান বিদ্বেষ ছড়াতে নেমে পড়েছে, দেশের গোটা মুসলমান সম্প্রদায়কে খোলাখুলি নিশানা করেছে। যদিও হঠাৎ তিনি সুর বদল করেছেন, কিন্তু তাও প্রধানমন্ত্রীকে কি বিশ্বাস করা যায়?

Read more


ভারতীয় জনতার ইসরায়েল প্রীতি এবং প্যালেস্তাইন বিরোধী জনমত গঠনে হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির ভূমিকা এই নিয়ে আলোচনা করলেন সঞ্চারী পাল।

Read more


মজা হলো মুড অফ দ্য নেশন কখন যে পালটে যায়, বুঝতেই পারবেন না, বা বলা যাক আসল মুড অফ দ্য নেশন ঠিক বেরিয়ে আসবে তাকে রামলালা দিয়ে ঢেকে রাখা যাবে না। আর মানুষের মেজাজ? দেখে নিন ছবিটা, মুসোলিনি আর তাঁর প্রেয়সী ঝুলছে, মেরে ক্ষান্ত হয়নি ইটালির জনগণ, তাকে উলটো করে ঝুলিয়েছে। এবং সবাই জানে তার মাত্র দু তিন বছর আগে মুসোলিনীকে দেখলে মানুষ হাত তুলে সেলাম জানাতো, জানতে বাধ্য হতো, সেলামটাকেই মুড অফ দ্য নেশন ভেবে নিলে চাপ আছে স্যর।

Read more


সাইকেল থেকে নেমে হাতের সামনে পেয়েই চটাদাকে যখন প্রশ্ন করলাম, আমাদের বিকাশ পিএম এখন এত ঘন ঘন সাম্প্রদায়িক হুঙ্কার দিচ্ছেন কেন, ওনার সাফ জবাব, কেন আবার? এই গরমে কারও পক্ষে টানা মুখোশ পরে থাকা সম্ভব? মুখোশ মানে? কোনটাকে মুখোশ বলছেন আপনি?

Read more


মাছ, মাংস, মুগল, মঙ্গলসূত্র, মুসলমান বনাম সম্পদের পুনর্বন্টন: মেরুকরণের রাজনীতি বনাম আর্থিক বৈষম্য এই পাঁচটি 'ম' আমাদের দেশের রাজনীতিতে সর্বোচ্চ আলোচিত বিষয়। কেন নরেন্দ্র মোদী এই মেরুকরণের রাজনীতি করছেন, লিখলেন অমিত দাশগুপ্ত।

Read more


রাজ্য সরকার যোগ্য প্রার্থীদের তাদের ঢাল হিসাবে ব্যবহার করতে চাইছেন প্রথম থেকেই। এখনও যখন এসএসসি সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছে, তখন সে যাচ্ছে পুরো রায়কে চ্যালেঞ্জ করে। ‘অযোগ্যদের চাকরি যাক, কিন্তু যোগ্যদের চাকরি যেতে দেব না’, এই কথা তার স্পষ্ট ভাবে বলা উচিত ছিল। এমতাবস্থায় যোগ্য প্রার্থীদের আলাদা করে, ব্যক্তিগত ভাবে সুপ্রিম কোর্টে এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করা উচিত বলে মনে হয়। ঠগ বাছতে গাঁ উজার যেমন ঠিক নয়, তেমনি দুর্নীতি ঢাকার চেষ্টাও কোনও কাজের কথা নয়।

Read more


সামনে লোকসভা নির্বাচন, মানুষ ভোট দিতে যাবে। বাংলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আসন, দার্জিলিং। সেখানকার গতি প্রকৃতি কেমন? কে কোন অবস্থানে আছেন।

Read more


ভোট ব্যবস্থা এবং ভোটের মাধ্যমে শাসক বদলের নেপথ্যে যে সব রহস্যময় ক্ষমতার সমীকরণ প্রধান ভূমিকা নেয়, সেসব কখনোই মূল ধারার সংবাদপত্র জনসমক্ষে আনতে চায় না। অতিসরলীকৃত কিছু ন্যারেটিভ এর মধ্যে জনমানসকে তারা বেঁধে রাখতে চায়। এই আখ্যানের বাইরে গিয়ে, আসন্ন লোকসভা নির্বাচন এবং পট পরিবর্তনের বাস্তবতাকে একটু বোঝার চেষ্টা করা যাক।

Read more


কেন নির্বাচনী জনসভায় মানুষের খাওয়া, পরা নিয়ে কথা বলছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী? উত্তর হল বিভাজনের রাজনীতিকে তীব্র করে তুলে, সহনাগরিক মুসলমান সমাজের মধ্যে একটা ভয়ের ভূগোলকে প্রলম্বিত করা। এভাবেই রাজনৈতিক হিন্দুরাষ্ট্রের দিকে হিন্দুত্ববাদী শিবিরের যে ভারতকে ঠেলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র, সেই ষড়যন্ত্রকেই সমাজের আরো গভীরে ছড়িয়ে দেওয়া টাই হিন্দুত্ববাদীদের একমাত্র টার্গেট।

Read more


বাংলায়, ইন্ডিয়া জোটের নির্বাচনী ঐক্য হয়নি। ঠিক যেমন হয়নি কেরালাতে। তাহলে ইন্ডিয়া জোটের কোনও শরিক, যদি বাংলায় বা কেরালায়, এই শরিকদলের কোনও একটি দলকে ভোট দিতে না বলে, জনগণের বিচারবুদ্ধির ওপর ছেড়ে দিয়ে বলে বিজেপিকে হারান, কাকে হারানো উচিৎ, তা যদি জনগণের প্রজ্ঞার ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে ভুল কোথায়?

Read more


ভোট গ্রহণের দিন যত এগিয়ে আসছে, রাজনৈতিক দলগুলির প্রচার যত তীব্র হচ্ছে, একটাই প্রশ্ন সমগ্র দেশজুড়ে, কর্তৃত্ববাদী দক্ষিণপন্থী শক্তিকে কি পরাস্ত করতে পারবে অসংলগ্নতা এবং খণ্ডিত হওয়ার ঝুঁকি বহনকারি বিরোধীজোট ?

Read more


স্পাই চলচ্চিত্রে তেমন আমরা একটি বাক্য ঘুরে ফিরে শুনতে থাকি, দ্য নেম ইজ বন্ড, জেমস বন্ড। ভারতের সর্বকালের সর্ববৃহৎ আর্থিক কেলেঙ্কারিতে এখন ঘুরেফিরে সেই নামই আসছে। বন্ড, ইলেক্টোরাল বন্ড। তার জন্য সরকারের কেলেঙ্কারি থাকতে এদেশের ঐতিহ্য বাহী ঐতিহাসিক রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ককে রীতিমতো নাকানিচুবানি খেতে হচ্ছে। বিষয়টা এখন সকলের কাছেই স্পষ্ট। দুর্নীতি করতে আর দূর্নীতি থেকে বাঁচতে ওষুধ একটাই, দেহি ইলেক্টোরাল বন্ড মুদারম।

Read more


ফ্যাসিবাদ একটি শক্তিশালী মতাদর্শ। অর্থাৎ দিনের শেষে আমাদেরও একটা মতাদর্শ জনগণের সামনে দাঁড় করাতে হবে যে মতাদর্শ ফ্যাসিবাদ মতাদর্শের ভ্রান্তিগুলোকে ও তার বিষময় ফলগুলোকে জনগণের সামনে তুলে ধরতে সমর্থ হয়। এই কাজটা একদিকে যেমন নিরন্তর প্রচারের মাধ্যমে অনলসভাবে করে যেতে হবে, অন্যদিকে আবার আমাদের কিছু সফল উদাহরণ তুলে ধরতে হবে। যেগুলির মাধ্যমে জনগণ বুঝতে পারে যে ফ্যাসিবাদী শক্তিকে মতাদর্শগতভাবে পরাস্ত করা সম্ভব।

Read more


আসামে বিজেপির নেতৃত্বে, এনআরসি-র ক্ষেত্রে, এটাই প্রমাণিত যে হিন্দু বলে ছাড় পাওয়া যায় না। এনআরসিতে যায়নি, সিএএর ক্ষেত্রে আরো অসম্ভব। ফলে নিজের জন্য নথি সংগ্রহ করে রাখুন। কিন্তু একই সঙ্গে চোখ কান খোলা রাখুন এবং অন্ধের মত ঝাঁপ দেবেন না। কারণ আপনাকে বাঁচানোর জন্য শেষ অবধি একমাত্র আপনিই থাকবেন। আর কাউকে পাওয়া নাও যেতে পারে।

Read more


হলদ্বানিতে উচ্ছেদ ছিল পুরোপুরি রাজনৈতিক বিষয় এবং তা সংখ্যাগুরু আধিপত্যকামী রাজনীতি হওয়ায় উচ্ছেদে বিফল হয়ে ধর্মীয়ভাবে আঘাত করল। এর কিছু আশু উদ্দেশ্য আছে। ধর্মস্থানে আঘাত-ধর্মীয় পরিচিতির দিক থেকে বিরোধিতা-হিন্দু ভাবাবেগে সুড়সুড়ি দেওয়া— একটি উদ্দেশ্য হতে পারে।

Read more


একটা বিষয় স্পষ্ট বর্তমান শাসক দল নির্বাচনী বন্ডের সবচেয়ে বেশি সুবিধা ভোগ করেছে বা করছে। বিরোধীরা এ বিষয়ে খুব একটা চাপ সৃষ্টি করতে পারছে বলে মনে হয় না। নির্বাচন কমিশনও টু শব্দটি করছে না। উল্টে লোকসভা নির্বাচনে কোনো প্রার্থীর নির্বাচনী খরচ ৭০ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৯৫ লাখ টাকা করেছে। ফলে বন্ডের সাহায্যে বাড়তি রোজগারের রাস্তা প্রশস্ত করেছে। উপায় এখন উচ্চ আদালত। ভরসা প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়।

Read more


সরকারি শিক্ষাব্যবস্থার ক্ষমতায়ন আর চাকরি - এই অধিকারের দাবি তোলার মতন স্বর তৈরি না করতে পারলে, মন্দের ভালো বা লেসার এভিল কে ভোট দেওয়া চলতেই থাকবে। উদার অর্থনীতির হাত ধরে আসা কনজিউমারিজম এখন প্রতিটি মানুষকে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে রেখেছে। আর দক্ষিণপন্থী দলগুলোর সাফল্য এখানেই।

Read more


আমরা যদি একবার হাইকোর্টের এজলাসে বসে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিভিন্ন মন্তব্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে রাহুল গান্ধীকে আক্রমণের বিষয়টিকে মাথায় রাখি, তাহলে একমাত্র ব্রাজিলের সার্গিও মোরোর বিচারব্যবস্থাকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির উদাহরণই মনে পড়বে। এবং তাঁকে নিয়ে কলকাতার তথাকথিত প্রথম শ্রেণির সংবাদমাধ্যম এবং টেলিভিশন চ্যানেলগুলির উদ্বাহু হয়ে নৃত্য করার সময় খেয়াল ছিল না অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এই কথাগুলি আইনের এক্তিয়ার মেনে বলছেন না নিজেকে ‘মসিহা’ বলে তুলে ধরার চেষ্টায় ক্রিজের বাইরে গিয়ে খেলছেন।

Read more


লোকসভা নির্বাচনের দিন সমাগত, কিন্তু বেশ কিছু কথা বিজেপির মধ্যে চলছে। সেই বিতর্কগুলো সামলাতে পারাই এখন নরেন্দ্র মোদীর কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। বিরোধীদের চ্যালেঞ্জের থেকেও বিজেপির অন্দরের বিতর্ক সামলানোটাই এখন বড় কাজ।

Read more


আজকের সময়ে বিচারপতিরাও প্রবল চাপে আছেন তা বোঝাই যাচ্ছে। এটা অবশ্যই বলা যেতে পারে যে আজ যখন রাষ্ট্রের যাবতীয় প্রতিষ্ঠান শাসক দলের কুক্ষিগত হয়ে গেছে তখন বিচারব্যবস্থা তার নিরপেক্ষতা বজায় রাখার চেষ্টা করছে। এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে এই নিরপেক্ষতা অনেকটাই গণতন্ত্রের পক্ষে লড়াই শক্তিশালী হওয়ার ওপর নির্ভর করছে।

Read more


ভাস্কো ডা গামা ১৪৯৭ সালের জুলাই ৮ পর্তুগালের লিসবন শহর থেকে যাত্রা শুরু করলেন। এই দিনটি ভারতের উপমহাদেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং পরিবেশক্ষেত্রে এক অপ্রাত্যাহারযোগ্য প্রভাব ফেলেছে। জলদস্যু হওয়ার কারণে তিনি জানতেন যে তিনি যেমন কোনও এক সময় একদল জাহাজকে সমুদ্রে দেখলেই আক্রমণ করতেন, তেমনি মাঝ সমুদ্রে তাঁদের জাহাজ দেখলেও অন্যন্যরা তাঁদের আক্রমণ করতে পারে।

Read more


নাজি জার্মানিতে আধারের মতো এই রকমই একটি পরিচয়পত্র তৈরী করেছিল আইবিএম, যা দিয়ে তাঁরা ইহুদিদের চিহ্নিত করার বন্দোবস্ত করেছিল। তারপরে ইহুদিদের গণহত্যার কথা তো ইতিহাসে লেখা আছে। ভারতে আধার সেইরকমই একটি উপকরণ, যা দিয়ে সহজেই একজন নাগরিককে মেরে ফেলা যায়, তাঁর অস্তিত্ব মুছে ফেলে। এখন আর গণহত্যা করতে হবে না, এখন যে কোনও নাগরিককে বে নাগরিক করে দিয়ে তাঁর ‘সিভিল ডেথ’ করে দেওয়া সম্ভব।

Read more


রামমন্দিরের ধর্মীয় রাজনীতির প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে সংসদীয় নির্বাচনের দৌড়ে, সবচেয়ে বড় প্রশ্নটাই হলো বহু চর্চিত বিরোধী ঐক্য সম্ভব কিনা ! পুরস্কার অথবা কারাবাস, বিশ্বের সর্ববৃহৎ সংসদীয় গণতন্ত্রের দেশে এটাই যখন 'নিউ নর্ম্যাল' এক দেশ, এক দল, এক নেতা তত্ব কে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে, তখন বিরোধীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই করবে এই ভাবনা অবান্তর নয় কি ? যদিও দেশটাকে শাসকদলের শীর্ষ থেকে তৃণমূল স্তরের নেতা পর্যন্ত গণতন্ত্রের মাতৃভূমি হিসেবে প্রচার করে থাকেন। সেই গণতন্ত্রের নিউ নর্ম্যালে নাভিশ্বাস উঠতে শুরু করেছে বিরোধীদের।

Read more


ফরাসি সাংবাদিক ভ্যানেসা ডোনাক-কে বিদ্বেষপ্রসূত সংবাদ পরিবেশনের অপরাধে বলপূর্বক ভারত থেকে বহিষ্কার করা হল। এমনিতেই সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নিরিখে বিশ্বের ১৮০টি দেশের মধ্যে ভারতের স্থান ১৬১তম। এই ঘটনায় তথাকথিত সেই স্বাধীনতা নিয়ে আবার প্রশ্ন উঠেছে।

Read more


দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে লণ্ডনের নাগরিকরা জার্মান বোমারু বিমানের লাগাতার হামলার বিরুদ্ধে আকাশে উড়িয়ে দিতেন শয়ে শয়ে বেলুন। ওই বেলুনের শক্ত সুতো বোমারু বিমানের প্রপেলারে জড়িয়ে গিয়ে তাকে নিষ্ক্রিয় করতো। এর কোন উত্তর জার্মান যুদ্ধবাজদের জানা ছিলনা। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে সৃজনশীল জনতা বাঁচার অস্ত্র তৈরি করেন। আজকে কৃষকেরা ঘুড়ি উড়িয়ে ড্রোণকে অকেজো করে লড়াইয়ের নতুন পন্থা দেখাচ্ছেন।

Read more


প্রশ্ন তৃণমূলকে আক্রমণ করা নিয়ে নয়। প্রশ্ন বিজেপি আর এস এস এর বিপদকে তুলনামূলকভাবে বেশ খানিকটা ছোট করে দেখা ও দেখানোর। মূল রাজনৈতিক নিশানা এই মুহূর্তে কারা এবং কেন, সেটা স্থির করার। এই প্রশ্নে গোড়ায় গলদের ফলে সি পি আই (এম) প্রভাবিত জনগণের কাছে এই বার্তা যায় যে তৃণমূল কংগ্রেস দল ও সরকারই বামপন্থীদের এই মুহূর্তের মূল নিশানা এবং বামপন্থীদের মূল রাজনৈতিক কাজ হল যেন তেন প্রকারেণ তৃণমূলকে পরাস্ত করা ও তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটানো।

Read more

by সৌভিক ঘোষাল | 12 February, 2024 | 0 Comment(s) | 808 | Tags : CPIM TMC BJP RSS


যখন গত ১০ আগস্ট বিজেপি জোট ছেড়ে এই নীতিশ কুমারই বেরিয়ে এসে মহাগঠবন্ধনের সরকার তৈরি করেছিলেন, তখন আমরাও তো কোনও প্রশ্ন করিনি, আমরাও তো তখন মনে মনেই আনন্দিত হয়েছিলাম। আজ ঠিক উল্টোটা হবার পরে সেই আমরাই দুঃখিত, আমরাই পালটুরাম পালটুরাম বলে চিৎকার করছি সেই আমরাও তো তখনই জানতাম যে নীতিশ পালটুরাম।

Read more


একদিন আমরা দেখেছি, মহাত্মা গান্ধীকে হাঁটতে, আজ আর এক গান্ধী পথে আছেন। মানুষ তার সাথে জুড়েছেন। চক্রব্যূহ ভেদ করা বড় কঠিন। বিশেষ যখন জ্যেষ্ঠরা সাথে যেতে ভয় পায়। তখন তো একলাই চলা। অভিমন্যু ফেরার কৌশল জানতেন না। তবু ঢুকেছিলেন। বর্ষীয়ান গান্ধীচিন্তাবিদ কুমার প্রশান্ত যেমন বলেছেন, অন্তত রাহুল ঢুকেছেন।‌ সেটাই‌ সত্য।

Read more


ফ্যাসিবাদী শক্তির মেরুকরণের ক্ষমতা অনেক বেশি। একটাই উপায় ফ্যাসিবাদ-বিরোধী মতাদর্শকে সোচ্চারে সাহসের সঙ্গে জনগণের মধ্যে নেমে প্রচার করা। আপাতদৃষ্টিতে প্রাথমিকভাবে এই কাজটাকে পন্ডশ্রম মনে হতে পারে কিন্তু এটাই একমাত্র উপায়। মনে রাখতে হবে জার্মানীতে হিটলারের সামনে বিরোধীদের নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবার প্রধান কারণ তারা মতাদর্শের সঙ্গে আপোষ করে কেবল কৌশল দিয়ে বাজি মাত করতে চেয়েছিল। ইটালীতে কিন্তু সেরকম হয়নি, ইটালীর কমিউনিস্ট পার্টি মার খেয়েও মতাদর্শগত আপোষ করেনি। সেই কারণেই রাহুল গান্ধীর এই লড়াই সমর্থনযোগ্য।

Read more


ভারতের স্বাধীনতা অর্জন— তারজন্য প্রগাঢ় দেশপ্রেম ছিল, জাতীয়তাবাদের উন্মেষ ছিল, জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ লড়াই ছিল ও অনেক আত্মত্যাগ ছিল। পক্ষান্তরে, ভারতের মতো মিশ্র সংস্কৃতির দেশে কোন বিশেষ সম্প্রদায়ের বৃহত্তম কোন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণ কখনও স্বাধীনতা বা জাতির বিষয় হতে পারে না— তারজন্য যত লড়ালড়িই থাকুক না কেন; এমনকি এতে ভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের সমর্থন থাকলেও নয়। কিন্তু এটা দাঁড় করাতে হবে। হিন্দু জাতীয়তাবাদকে মজবুত করতে এটা দরকার। সেই জন্যেই কি রাম মন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠার আয়োজন?

Read more


কুস্তীগিরদের এই বছরব্যাপী প্রতিবাদ শিক্ষণীয়। তাঁরা ধৈর্য ধরেছেন, সরকারের সাথে কথা বলেছেন, আলোচনা করেছেন, কখনো এগিয়েছেন, কখনো পিছিয়েছেন, কিন্তু কখনো হাল ছাড়েননি এবং সর্বদা নিজেদের সিদ্ধান্তে অটল থেকেছেন। বিনেশ ফোগত একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন তাঁরা ভেবেছিলেন যে তাঁরা চ্যাম্পিয়ান, দেশের হয়ে মেডেল জিতেছেন, তাঁদের কথা নিশ্চয়ই সবাই শুনবে। তাঁরা কল্পনাও করতে পারেননি যে ব্রিজ ভূষণের এতো ক্ষমতা!

Read more


কয়েক বছর আগে একটি দেশের এক নামী উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কথায় কথায় এক অধ্যাপক বলে বসেছিলেন “ ভগৎ সিংদের এই সময়ে আর কোন প্রয়োজন নেই। এখন বেশি দরকার প্রযুক্তিবিদ আমলার। “ সেই কথা অনেকেই ভাল মনে নেননি, প্রতিবাদ করেছিলেন। তবে সে প্রতিবাদ নিছকই ভগৎ সিং এর মূর্তিপূজায় ব্যাঘাত ঘটায়। আজ যখন দেশের বিরোধী সাংসদদের বহিষ্কার করা হচ্ছে, সংসদে হামলা নিয়ে প্রশ্ন তোলার জন্য, তখনও কি বিরোধিতা এমন ম্যারমেরে হবে?

Read more


সাম্প্রতিক বিশ্বব্যাঙ্কের তথ্য ( দি ওয়ার,অক্টোবর ২৫) যৌবনের কাজ না পাওয়ার ক্ষোভকে সঠিক বলে মনে করছে।সার্ক ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ১৫-২৪ বছর বয়সীদের মধ্যে ভারতে কাজ না পাওয়ার সংখ্যা (২৩.২২%) সবচেয়ে বেশি।এর পরে আছে পাকিস্তান (১১.৩%),বাংলাদেশ (১২.৯%) এবং ভুটান(৯.৩%)। সেই যুবকদের মধ্যে থেকে যদি চাকরির দাবীতে আওয়াজ ওঠে, তাহলে তাঁদের কি সন্ত্রাসবাদী, হামলাকারী বলে দাগিয়ে দেওয়াটা রাষ্ট্রের দায়িত্ব?

Read more


সাম্প্রতিক পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল দেখে আবার মনে হলো, বিজেপি’র সোসাল এঞ্জিনিয়ারিং কতটা শক্তিশালী। যদিও দক্ষিণ ভারতের তেলেঙ্গানাতে তাঁরা পরাজিত হয়েছে, কিন্তু সেখানেও তাঁদের আসন বেড়েছে। যে কথাটা এই নির্বাচনকে মাথায় রেখে বলা উচিৎ, তা হলো রাহুল গান্ধীও নিজেকে পাপ্পু ইমেজ থেকে বার করে গ্রহণযোগ্য নেতা হয়ে উঠছেন দ্রুত। তিনি পরিশ্রম করছেন। কিন্তু তিনি কংগ্রেসের বৃদ্ধ নেতাদের কড়া হাতে মোকাবেলা করতে পারেননি। সেই জন্যেই একটা প্রশ্ন করা জরুরি, দক্ষিণ ভারত কি পারবে, কংগ্রেসকে লড়াইয়ে ফিরিয়ে আনতে?

Read more


পশ্চিম বাংলায় আমরা তো প্রতিদিনই রাজ্যপাল বনাম রাজ্য সরকারের দ্বৈরথ প্রত্যক্ষ করছি। পশ্চিম বাংলাতেও সম্মতির জন্য রাজ্যপালের কাছে ২২টা বিল ঝুলে আছে বলে অভিযোগ। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রেও একই ধরনের সংঘাত আমাদের নজরে আসে। মোদীর পছন্দের রাজ্যপাল সুযোগমত বিজেপির ধ্যানধারণার প্রতি বিশ্বস্ত ব্যক্তিদেরই বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উপাচার্য রূপে নিয়োগ করে থাকেন। শুধু বাংলা নয়, অবিজেপি প্রায় প্রতিটি রাজ্যের সরকারের সঙ্গে সেই রাজ্যের রাজ্যপালের সংঘাত চলছে।

Read more


এই মুহুর্তে দাঁড়িয়ে বাবরি মসজিদের ধ্বংসের পরে এর গুরুত্ব কোথায় দাঁড়িয়েছে? শুধুই মুষ্টিমেয় কতগুলি সংগঠনের প্রতিবাদ সভা আর দৈনিক সংবাদপত্রে এবং ওয়েবজিনে দু কলম লেখা, এতেই কি আমাদের যাবতীয় বক্তব্য আবদ্ধ হয়ে থাকছে?

Read more


রাজস্থান, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ সহ হিন্দি বলয়ে, কংগ্রেসের ভরাডুবির কারণ কী, এই প্রশ্নে আজ অনেক আলোচনা হবে। সেই আলোচনাতে কিঞ্চিৎ কিছু চিন্তার খোরাক দেওয়ার কথা চিন্তা করে এই লেখা। বিজেপিকে হারাতে গেলে, শুধুমাত্র তাঁদের অনাচার, অত্যাচারের কথা বললে হবে না। এমন কিছু পজিটিভ শ্লোগান তুলে আনতে হবে, যাতে প্রতিটি ভোটার ভাবতে বাধ্য হয়, হয়তো বিরোধী ‘ইন্ডিয়া জোট’কে ক্ষমতায় আনলে, তাঁর ও ভালো হতে পারে, ব্যক্তিগত স্তরে।

Read more


কয়েকশো কোটি টাকা খরচ করে, আহমেদাবাদে নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে শেষ হলো ২০২৩ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট। সারা প্রতিযোগিতায় ভাল খেলেও ভারতের ১১ জন ক্রিকেটার পরাজিত হলেন, তবুও তাঁরা পেলেন বাহবা, কোটি কোটি টাকা। কিন্তু ভারতের ৪১ জন শ্রমিক যে উত্তর কাশীতে সিল্কায়ারা সুড়ঙ্গ কাটতে গিয়ে আটকে রয়েছেন, তাঁদের জন্য কি আমরা প্রার্থনা করেছি? দেশের জন্য টানেল কাটতে গিয়ে আটকে পড়া শ্রমিকরা, যাঁদের সুড়ঙ্গয় আটকে পড়ার পর বেরিয়ে এলে পরে নিজেদের পারিশ্রমিকের বাইরে এতটুকু বেশি পয়সা পাবেন কিনা তাও কেউ জানে ?

Read more


মহুয়া মৈত্রকে কেন্দ্র করে প্রহসনের রাজনীতিতে বিজেপির একটাই লাভ, তাঁরা একদম নীচের তলায় এই বার্তা পৌছতে সক্ষম হবে, যে আদানির দুর্নীতির থেকেও বড়, মহুয়া মৈত্রর টাকা নিয়ে প্রশ্ন করার দুর্নীতি। তিনি টাকা নিন অথবা না নিন, বিজেপি কিন্তু এই প্রচারটাই করবে, তাঁদের পোষা গোদী মিডিয়া মারফত। তাহলে সামনে কী ? এই মহিলা সাংসদের জন্য কি বন্ধ হতে চলেছে, সংসদের দরজা? মোদী এবং আদানিই কি জিতে যাবেন এই লড়াই, নাকি সত্যিটা প্রকাশ পাবে একদিন?

Read more


বিজয়া দশমীর ভাষণে মোহন ভাগবত সুচারু ভাবে সামাজিক ন্যায়ের পক্ষে সরব এবং বামপন্থী মতাদর্শে বিশ্বাসী মানুষদের বিরুদ্ধে জনমত গঠনের চেষ্টা করেছেন। তিনি কালচারাল মার্ক্সিস্ট শব্দবন্ধটি এনেছেন। আগে ছিল আর্বান নক্সাল এবার আরো একটা নতুন শব্দবন্ধ। কিন্তু ভারতীয় রাজনীতিতে তার প্রভাব কী?

Read more


ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই মুহূর্তে চলমান প্যালেস্টাইন-ইসরায়েল সংঘাতে তেল আভিভের পাশে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেছেন। সেই ঘোষণায় গাজা ভূখণ্ডের রক্তাক্ত, নির্যাতিত জনগণের উল্লেখ নেই। ভারতের দীর্ঘদিনের প্যালেস্টাইন নীতির সম্পূর্ণ বিপরীত পথের পথিক এখন নরেন্দ্র মোদী। হামাস অভিযান শুরু হওয়ার পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই অভিযানকে "সন্ত্রাসী হামলা " বলে অভিহিত করেছেন, তাতে নিহতদের জন্য শোক প্রকাশ করেছেন" এবং "ইসরায়েলের সাথে সংহতি" জানিয়েছেন।আসলে নীতিগতভাবে ভারতীয় জনতা পার্টি ইজরায়েলের ভীষণ কাছাকাছি। অটলবিহারী বাজপেয়ীর নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার তেল আভিভের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরির উদ্যোগ নেয়।

Read more


একদিকে কুকি-মিজো-জোমি অন্যদিকে মৈতেই সম্প্রদায়। এই দুই পাহাড়ি উপজাতিগোষ্ঠির মধ্যে জাতিবিদ্বেষ, বিজেপি আমলে হিন্দু খৃষ্টান দাঙ্গায় পর্যবসিত। হিন্দু মৈতেইদের আর খৃষ্টান কুকিদের ক্ষেপিয়ে দিয়ে একদিকে হিন্দু আধিপত্য প্রতিষ্ঠা আর কুকি-নাগাদের হাত থেকে চোরাচালানের আধিপত্য ছিনিয়ে নেবার চেষ্টা ব্যকফায়ার করেছে। এক ঢিলে দুই পাখি মারার ছক নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। মণিপুরে তথাকথিত জাতিদাঙ্গা যখন তুঙ্গে নরেন্দ্র মোদী তাঁর স্বভাবসিদ্ধ নির্লিপ্তি ও উদাসীনতার ভান এবং মৌনতা বজায় রেখে ইসরায়েলের হয়ে গলা ফাটাচ্ছেন।

Read more


নিউজ ক্লিক কিন্তু হঠাৎ গজিয়ে ওঠা নিউজ পোর্টাল নয়। এদের যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০০৯ সালে। নিউজ ক্লিক একটি স্বাধীন মিডিয়া হাউস যারা সমালোচনামূলক সাংবাদিকতাকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরেছে বরাবর। যাদের অন্যতম বড় কৃতিত্ব হল, গোদি মিডিয়া যখন কৃষক আন্দোলন সম্পর্কে নীরব, তারা তখন ঐ আন্দোলনের প্রায় প্রতিদিনের বিবরণী দেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছে। এবার বোঝা যাচ্ছে অমিত শাহের দিল্লি পুলিশ, কেন ভোর না হতেই, পৌঁছে গিয়ে নিউজ ক্লিকের দরজায় কড়া নেড়েছিল?

Read more


দীর্ঘ সাতাশ বছরের টালবাহানার পর একটি প্রাপ্য চেক সই করে দেওয়া হল আপনাকে। কিন্তু হাতে নিয়ে দেখলেন, ছয়-সাত বছর পরের তারিখ উল্লেখ করা। এ চেক দুলিয়ে আগামী ছয়-সাত বছর বড়জোর হাওয়া খেতে পারেন। তবে চেকদাতা ইতোমধ্যে নাম কিনেছেন। ঘোষণা করেছেন, তিনি ঈশ্বরপ্রেরিত দূত হয়ে আপনার স্বপ্নপূরণ করলেন। সাম্প্রতিক কালে লোকসভা ও রাজ্যসভায় নারী আসন সংরক্ষণ সংক্রান্ত বিলটি পাশ হওয়ার গল্প মোটামুটি এরকমই।

Read more


অনেকে আবার বলবেন দেশের অধিকাংশ মানুষ এখনো ঘৃণার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। আমার এ কথা বিশ্বাস করতে খুব ইচ্ছে করে অথচ দেখি আজ চারপাশে জনগণের প্রতিবাদের থেকেও বেশী বাঙ্ময় জনগণের নীরবতা। ইতিহাস সাক্ষী, দেশ যখন রমেশ বিধুরিদের মতন জনপ্রতিনিধিদের নেতৃত্বে অবশ্যম্ভাবী ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যায়, তখন দেশবাসীর নীরবতা, সেই যাত্রায় ইন্ধনই যোগায়, তাকে প্রতিহত করতে পারে না।

Read more


বিজেপি সভাপতি থেকে এনবিডিএ প্রেসিডেন্ট সকলেই শিক্ষিত মানুষ। সবিনয় প্রশ্ন তাদের কাছে, ব্যান আর বয়কট কি সমার্থক ? ব্যান শব্দের অর্থ নিষিদ্ধ, আর বয়কট-এর মানে বর্জন অথবা অসহযোগ। বর্জনের সিদ্ধান্ত আর জরুরি অবস্থার নিষেধাজ্ঞা সমার্থক হলো কি করে ? যদিও মানুষকে বিপথগামী করার বহু ব্যবহৃত কৌশল বিজেপি নিচ্ছে, কিন্তু তাতে কি লাভ হবে?

Read more


মুজফফরনগরে একটি স্কুলের ঐ ভিডিও দেখে চমকে উঠেছে, সারা দেশ। যাঁরাই দেখেছেন, তাঁরাই, ছিঃ ছিঃ করেছেন। একজন শিশুর মনে এইভাবে ঘৃণার বিষ ঢোকানো নিয়ে সরব হয়েছেন সকলে। অনেকেই বলেছেন, এই যদি একজন শিক্ষকের আচরণ হয়, তাহলে, আজকের এই শিশুরা কি শিখছে? তারা কি এই শিক্ষককে সম্মান করতে শিখবে, না অন্য ধর্মের সহপাঠীকে ঘেন্না করতেই শিখবে?

Read more


রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সবচেয়ে বড়ো সাফল্য হল ঘৃণার এক দ্বিমুখী ন্যারেটিভকে জনমানসে প্রতিষ্ঠিত করতে সমর্থ হওয়া। এই ন্যারেটিভের একদিকে রয়েছে সন্ত্রাস ও হিংসার নীল নকশা যার আদর্শ উদাহরণ গুজরাট নরমেধ যজ্ঞ। সেই দর্শন ধর্ম সংসদ আবাহন করে মুসলমানদের শারীরিক ভাবে নিকেশ করার নিদান হাঁকে,মুসলমানদের আর্থিক ভাবে দুর্বল করার জন্য তাদের ব্যবসা বাণিজ্য হিন্দুদের হাতে তুলে দেবার হুমকি দেয়। আর এই ঘৃণার রাজনীতির ফেরিওয়ালাদের সাফল্য নিশ্চিত হয় যখন দেখি রেলওয়ে নিরাপত্তা রক্ষী বাহিনীর এক জওয়ান, যার দায়িত্ব রেলে সফররত যাত্রীদের সুরক্ষা দেওয়া,কামরা থেকে কামড়া মুসলমান খুঁজে বেড়ায় গুলি করে হত্যার জন্য। এটাই আচ্ছে দিনের ভারত!

Read more


উত্তর প্রদেশের একটি স্কুলে, এক শিক্ষিকা, এক মুসলমান ছাত্রকে দাঁড় করিয়ে, তাঁর অন্য হিন্দু ছাত্রদের ডেকে, সেই মুসলমান ছাত্রকে চড় মারতে বললেন, একে একে এসে সেই কাজটি করল হিন্দু ছাত্ররা, এই দৃশ্য দেখে চমকে উঠেছে সারা বিশ্ব। আসলে পরের প্রজন্মের মধ্যেও ঘৃণা বিদ্বেষ প্রবেশ করাতে চাইছে কিছু মানুষ, কিন্তু তাঁদের কাছে কি এই তথ্য আছে, আজকের ভারতের চন্দ্রযানের সাফল্যের পিছনেও বহু মুসলমান তরুণ আছেন? এই বৈচিত্রের ভারতকে শেষমেষ শিক্ষায় কখনোই শিক্ষিত করা যাবে না।

Read more


মদ গাঁজা নেশা এবং আরও কিছু অপকর্ম শুধু যে যাদবপুরেই হয় বা কেবল একালেই হয়, এমন নয়। আমাদের ছাত্র দশায় (১৯৭০-৭৭) কলকাতার প্রায় সব কলেজেই এই সব উপকরণের চর্চা ছিল। তখন অবশ্য কোথাও র‍্যাগিং থেকে মৃত্যু ঘটেছে বলে শুনিনি। এ আমাদের সমাজের আর এক সমস্যা। তাহলে কেন শুধু যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের এই দোষে দোষী করা হচ্ছে? আসলে যাদবপুর, ফ্যাসিবাদী শক্তির বিরুদ্ধে একটা জোরালো কণ্ঠস্বর। তাই সেই শক্তি চাইবেই, কীভাবে এই যাদবপুরের মুখ বন্ধ করে রাখতে হয়। ভবিষ্যতে যাতে, এই যাদবপুর কোনও আওয়াজ না তুলতে পারে, তাই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের হেয় করার চেষ্টা?

Read more


অশোকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংগঠন ‘লেহের’ বিবৃতি দিয়ে অধ্যাপক দাসের পাশে দাঁড়িয়েছে। এমনকি একাধিক প্রাক্তন ছাত্র ও শিক্ষক বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ভূমিকার নিন্দা করেছেন । শোনা যাচ্ছে একাধিক অধ্যাপক এবং প্রাক্তনী মোহালির আই আই এস ই আর কর্তৃপক্ষকে সমালোচনা করে চিঠি দিয়েছেন। সম্ভবত আভ্যন্তরীণ চাপের সম্মুখীন হয়ে কর্তৃপক্ষ শো কজের উত্তর পাওয়ার এক মাস পরেও নীরব রয়েছেন। সব্যসাচী দাসের পাশে দাঁড়িয়ে যদি সমস্ত অধ্যাপক বিবৃতি দেন, তাহলে নতুন আশার আলো দেখা যেতেই পারে।

Read more


যখন দেশে ধর্মনিরপেক্ষতা ও গণতন্ত্রের বিপন্নতার গভীরতা বুঝতে চাইছি, তখন অদ্ভুতভাবে দেখছি এক মাপকাঠি— দেখতে পাচ্ছি, এই বিপন্নতা ততটাই যতটা বিপন্ন দেশের মুসলিমরা। দেশের স্বাধীনতার হীরক জয়ন্তী বর্ষ পেরিয়ে এসে মুসলমান সমাজের বিপন্নতা ও সংবিধানের রিক্ততা সমার্থক হয়ে গেছে।

Read more


ক্রমেই মণিপুরের আঁচ মিজোরাম মেঘালয়ে ছড়িয়ে পড়ছে। মণিপুরের নারকীয় ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর মিজোরামের বাসিন্দা যে কুকিরা তাদের একটি সংগঠন বা অনেকগুলো সংগঠনের যৌথ মঞ্চ, মিজোরামে অবস্থিত সংখ্যালঘু মণিপুরী মেইতেইদের ইতিমধ্যেই হুমকি দিয়েছেন, যে তারা যেন সামলে থাকেন, তাদের সুরক্ষার দায় এখন অন্য কেউ নেবে না। আবার অন্যদিকে মেঘালয়ে যে সব কুকিরা আশ্রয়ের আশায় পালিয়েছেন, তাদের আশ্রয় দিতে অস্বীকার করেছে এমনকি কুকি গ্রামগুলোও। এবার কি তাহলে হিংসা ভারতের মূল ভূখন্ডে প্রবেশ করবে?

Read more


দেশের স্বার্থে গণতন্ত্র রক্ষার জন্য ২৬টি দল একজোট হয়েছে। বেশ কিছু প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে সকলের তরফে। ইন্ডিয়া নামটিতে সকলেই মান্যতা দিয়েছেন। আগামী বৈঠক হবে মুম্বইতে। ১১ সদস্যের একটি কমিটি তৈরি করা হবে নির্বাচন সম্বন্ধিত প্রক্রিয়ার জন্য। যদি এই বোঝাপড়া চালিয়ে যাওয়া যায়, তাহলে আশার আলো দেখা যায় বই কি!

Read more


আমরা দেখছি, বিরোধী জোটের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে, বড় কোন অঘটন না ঘটলে বোঝাপড়া হবেই। সর্বত্র একের বিরুদ্ধে এক, না হলেও ৪৫০এর মতো আসনে তা হলেই কেল্লা ফতে। বিজেপি খুব ভালো ফল করলেও ১৮০-১৯০এর মধ্যেই থাকবে, ২০০তেও পৌঁছতে পারবেনা। কিন্তু আত্মতুষ্টির কোন জায়গা নেই। কারণ দলটির নাম বিজেপি এবং দলপতির নাম মোদী। শেষমুহূর্তে কি আবার এক জাদু দেখাবেন, কে বলতে পারে? তবে যে কোন ছুতোয় ভোট পিছিয়ে দেবার বা বন্ধ করার একটা মরীয়া চেষ্টা কিন্তু করতেই পারে।

Read more


দুই নগ্ন মহিলাকে কিছু পুরুষ তাঁদের ভাষায় চিৎকার করতে করতে রাস্তা থেকে নামিয়ে মাঠের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। ভিডিওতে পুরুষের পৈশাচিক উল্লাস প্রকট। মহিলাদের চেহারা লজ্জা ও ভয়ে নুব্জ, এবং বারবার অত্যাচারীদের কাছ থেকে ক্ষমা পাওয়ার আর্তি। এই ঘটনা যদি একজন মানুষকে রাস্তায় না নামায়, প্রতিবাদে তাহলে আর তাঁকে কি মানুষ বলা যায়?

Read more


কেন্দ্রীকরণের বিরুদ্ধে পালটা আন্দোলন চাই গ্রাম সংসদ/ গ্রাম সভা প্রতিষ্ঠার। গ্রামের মানুষই, গ্রাম উন্নয়নের পরিকল্পনা তৈরি করবে—এই স্লোগান তুলেই শুরু হোক এই দুঃশাসনীয় কেন্দ্রীকরণ আর হিংস্র দুর্নীতিরাজের বিকেন্দ্রীকরণের বিরুদ্ধে লড়াই। লিখলেন দেবাশিস আইচ।

Read more


এই মুহুর্তে খুবই প্রয়োজন ছিল ভারতীয় পরিস্থিতিতে গ্রিসের 'সাইরিজা'-র মত একটি বৃহৎ বামমঞ্চ। যা গোটা দেশের মানুষের মধ্যে উদ্দীপনা তৈরি করতে পারত। ফ্যাসিবিরোধী সংগ্রামে শ্রমিক কৃষকের কন্ঠস্বরকে জোরালো করতে পারত। এক বিপুল গণ-আন্দোলন সৃষ্টি করে বিরোধী বুর্জোয়া শক্তির নড়বড়ে শিঁরদাঁড়ায় আঘাত করে তাকে সোজা করতে পারত। নয়া-উদারবাদকে প্রত্যাখ্যান করে ফ্যাসিবাদী প্রকল্পের এক বিকল্প জবাব দিতে পারত।

Read more


মেইতিরা মণিপুরের জনসংখ্যার প্রায় ৬৪ শতাংশ। বিধানসভায় ৬০ জন বিধায়কের মধ্যে তাদেরই ৪০টি, যদিও তাদের বসবাস রাজ্যের মাত্র দশ শতাংশ জমিতে। কুকি সমেত ৩৪ টি উপজাতি গোষ্ঠীর বসবাস রাজ্যের ৯০ শতাংশ পাহাড়ি অঞ্চলে। পাহাড়ের বাসিন্দা উপজাতিরা চাইলে ইমফল উপত্যকায় জমি কিনে বসবাস করতে পারে কিন্তু ইমফল উপত্যাকার মেইতিরা চাইলেই পাহাড়ে গিয়ে জমি কিনতে পারে না। পাহাড়ি উপজাতির মানুষের আশঙ্কা মেইতিরা উপজাতি হিসাবে স্বীকৃতি পেয়ে গেলে তাদের পায়ের নীচের মাটি আলগা হতে পারে। এটাই কি গণ্ডগোলের প্রধান কারণ?

Read more


তখন যন্তরমন্তরে ধর্না দিয়ে আছেন এ দেশের নারী কুস্তিগীরেরা। কুস্তিগীর ও নারী শব্দটিকে পাশাপাশি রেখে যারা দুনিয়া জয় করেছেন তাদের ন্যায়ের জন্য বসতে হয়েছে রাস্তায়। বেটি বাঁচানোর সমস্ত বুলির ভিতরের ফাঁপাটুকু সবার সামনে উঠে এসেছে। সেই সময়েই এক নতুন লড়াইয়ের খবর দিলেন মনীষা বন্দ্যোপাধ্যায়

Read more


সিপিআইএম দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব চায়, মোদী বিদায় নিক। কারণ তারা বোঝে মোদী ২৪ সালে আবার জিতলে দেশের পরিস্থিতি কি হতে পারে বা কত বড় সর্বনাশ হতে পারে। দেশে আর ভোট নাও হতে পারে। কারণ হিন্দু চোল রাজতন্ত্রের প্রতীক সেঙ্গল প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে মোদী প্রমাণ করেছেন যে, তিনি তীব্রভাবে হিন্দু রাষ্ট্র ও রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে। আর রাজতন্ত্রে যে গণতন্ত্রের স্থান নেই, সেটা তো সবারই জানাা, কিন্তু বাংলার সিপিআইএম কি তা বোঝে?

Read more


ক্ষমতার অপব্যবহারের প্রশ্নই যখন উঠল, তখন 'ব্রিজভূষণের বিরুদ্ধে মেয়ের বাবার পক্সো ধারায় এফ আই আর প্রত্যাহার' মর্মে যে সংবাদ প্রায়শ দেখা যাচ্ছে গণমাধ্যমে, তা নিয়েও আলোচনা করা যাক। প্রথমত, পক্সো প্রত্যাহার করা যায় না। এটি নন-কম্পাউন্ডেবল অপরাধ। মানে, অভিযোগকারী একবার অভিযোগ করলে আর তুলে নিতে পারে না৷ মানে, অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত যদি নিজেদের মধ্যে আপোস মীমাংসা করেও নেয়, তাহলেও আদালতে কেস উঠবে ও বিচারক তা খতিয়ে দেখবেন। ব্রিজ ভূষণের ক্ষেত্রে কেন তা হবে না?

Read more


সাম্প্রতিক সময়ে উড়িষ্যার বালাসরে যে ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটেছে, তাতে বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। কার গাফিলতিতে এই ঘটনা ঘটলো? ক্যাগের রিপোর্ট কী বলছে? প্রধানমন্ত্রী বা রেলমন্ত্রী যে এতো অভিনয় করলেন, তা কি লোকদেখানো? শুধুমাত্র বন্দে ভারত বা অন্যান্য দ্রুতগতির ট্রেন নিয়ে হইচই করলেই কি রেলের সমস্যার সমাধান হবে, না কি রেলযাত্রা প্রতিদিন আরও বিপদ ডেকে আনতে পারে?

Read more


২০০৪ থেকে ২০২৩। মাত্র দু’দশকের মধ্যে এমন কী ঘটল যে 'চিত্রাঙ্গদার' পাহাড়ি রাজ্যটি আজ গৃহযুদ্ধে বিধ্বস্ত? তবে কি এক ভারত, এক ধর্ম, এক ভাষা চালু করার রাজনৈতিক তৎপরতা মণিপুরকে অশান্ত করে তুলেছে? মণিপুরে উপজাতি বা আদিম জনগোষ্ঠীর মধ্যে লড়াই নতুন কিছু নয়। ব্রিটিশ এদেশে আসার আগে থেকেই তা চলছে। তবে এবার তা ভিন্ন মাত্রা ধারণ করেছে। কেন মণিপুর জ্বলছে?

Read more


নতুন সংসদ ভবনের উদ্ধোধনের সময় থেকেই আমরা সেঙ্গল শব্দটির সঙ্গে পরিচিত হয়েছি। নানান কথা শোনা যাচ্ছে, তার কতটা সত্যি, কতটা মিথ্যে এবং এই শব্দের সঙ্গে হিন্দু রাষ্ট্রের কি সম্পর্ক? ইতিহাস কী বলে?

Read more


আমি ভয় পাই। ভীষণ ভয়। বস্তুত বাইরে বেরোতেই এখন ভয় হয়, পাছে কখন কোন ঝামেলা বা বিতর্কে জড়িয়ে পড়ি। ভিজে বেড়ালের মতো সুখী গৃহকোণ থেকে বেরোই, কাম-কাজ সেরে ফের মাথা নীচু করে ঢুকে যাই বাড়ির নিরাপদ কোটরে। আগে হীনম্মন্যতায় ভুগতাম, নিজেকে শিরদাঁড়াহীন ভাবার আক্ষেপে মুষড়ে থাকতাম, এখন আর থাকি না। খোঁজটোজ নিয়ে দেখলাম, আমার মতো গোলা লোক মোটেই একা নয়, শচীন থেকে সৌরভ, বিরাট কোহলি থেকে স্মৃতি মান্ধানা, পিভি সিন্ধু থেকে থেকে এমএস ধোনি, আমাদের জাতীয় 'বীর'গণ সবাই আমার মতো, কেন্নোবৎ। শিরদাঁড়াহীন। প্রতিপত্তির সামনে ভয়ে গুটিয়ে যাওয়া পাবলিক।

Read more


পশ্চিমবঙ্গে ও কর্ণাটকে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি-বিরোধী বৃহত্তর ঐক্য হ’তে পারেনি মূলস্রোতের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক রাজনীতি ও রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার কারণে। এরকম অনৈক্যের পরিস্থিতিতে “বিজেপিকে ভোট নয়” জাতীয় প্রচার-অভিযান মুশকিল আসান করেছে। কিন্তু তার কিছু সীমাবদ্ধতা আছে, সেই নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা।

Read more


আসন্ন নির্বাচনে মোদীকে পরাজিত করাই রাহুলের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জকে সফল করার মূলমন্ত্র হচ্ছে বিরোধী ঐক্য। সেই ঐক্য সঠিকরূপে গড়তে পারলেই মোদীর পরাজয় সুনিশ্চিত। কিন্তু সেই ঐক্য গড়ার কাজটিই সম্ভবত সবচেয়ে কঠিন। তবে কঠিন হলেও তা অসম্ভব নয়। বিশ্লেষণ করলেন কল্যাণ সেনগুপ্ত

Read more


কর্ণাটকের নির্বাচন শেষ হয়েছে, ভারতের জাতীয় কংগ্রেস ১৩৫টি আসন পেয়ে জয়ী হয়েছে। তারপরেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, যদি কংগ্রেস বাংলায় তাঁদের বিরুদ্ধে না লড়াই করে, তাহলে তাঁরা অন্যান্য রাজ্যে কংগ্রেসকে বিজেপির বিরুদ্ধে সমর্থন করতে রাজি। বিজেপি বিরোধী ঐক্য কি আদৌ সম্ভব বাংলায়? এই কথার অর্থ কী, খুঁজলেন রাহুল মুখার্জী।

Read more


আরএসএস রবীন্দ্রনাথের জীবনের প্রারম্ভিক পর্ব এবং ফ্যাসিস্ট মত সমর্থনের ছোট্ট পর্বকে আলাদা করে নিয়ে রবীন্দ্রনাথকে নিজেদের রঙে রাঙিয়ে নিতে চাইছে। রবীন্দ্রনাথের নোবেল বিজয়কে বলা হচ্ছে প্রথম ভারতীয় নয়, প্রথম হিন্দুর নোবেল জয়। শান্তিনিকেতনের ব্রহ্মচর্য বিদ্যালয়ের প্রথম পর্বকে দেখিয়ে বিশ্বভারতীকে হিন্দুত্বের ছাঁচে ঢেলে সাজাতে চাইছে।

Read more


প্রবল দেশপ্রেমের আবেগ থেকেই কবি সেদিন এমন দুএকটা টপ্পাঙ্গের গান গেয়েছিলেন, যা আজও আমাদের স্নায়ুতন্ত্রে আলোড়ন তুলতে পারে। এই আলোড়নের জোরেই এক দিন “আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি” ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের সময় থেকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের মর্যাদা লাভ করেছিল। আর পাশাপাশি আর একবার অসম্ভব জনপ্রিয় হয়েছিল এই অসাধারণ গানটি--- সার্থক জনম আমার জন্মেছি এই দেশে। সার্থক জনম, মা গো, তোমায় ভালোবেসে॥

Read more


অনেকে হয়তো সাম্প্রতিক সময়ে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের হাত থেকে বাংলার শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলা সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিরোধিতা করছেন, অনেকে হয়তো দেশের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়কে কাঠগড়ায় তুলছেন, কিন্তু তাঁরা কি একবার ভেবে দেখবেন, এই সর্বোচ্চ আদালতই এখনও অবধি কেন্দ্রের শাসকদলের পুরো বিচারব্যবস্থাকে করায়ত্ব করার প্রয়াসকে কিছুটা হলেও ঠেকিয়ে রাখতে পেরেছে। তদন্ত শেষ হয়নি বলে, দিনের পর দিন কাউকে গ্রেপ্তার করে রাখা অন্যায় এই রায়ের মধ্যে দিয়ে সর্বোচ্চ আদালত কি সেই চেষ্টাই করলেন না?

Read more


দুর্বল কেন্দ্র ও সবল রাজ্য বিরোধী এই মতাদর্শগত পশ্চাদপদতার আলোচনার শুরুতে এটুকু বলা উচিত যে আজকাল ভবিষ্যতের থেকে কম্যুনিস্টরা স্মৃতি রোমন্থনেই বেশি স্বস্তি অনুভব করেন। আজকাল নাকি সমাজতান্ত্রিক জনচেতনার বড়ই অভাব, যা নাকি এককালে বিরাট ছিল --- এই ভ্রান্তিতেই আমাদের দিন কাটছে। আমরা ভুলেই গেছি বোধহয় যে প্যারী কম্যুনের সাহস হয়নি মেয়েদের ভোটাধিকার দেওয়ার। বা ১৮৮৬ সালের সেই ঘটনার সময় ট্রেড ইউনিয়নগুলিতে মেয়েদের প্রবেশাধিকার দেওয়া কিছুতেই হয়নি। তৃতীয় লিঙ্গদের সমাজের অন্তর্ভুক্তিকরণের সাহস হয়নি কয়েক দশকের আগের গণচেতনার।

Read more


১৯৯৯ সালে বাজপেয়ী জমানায় যে মানুষটিকে ভারতে শ্রেষ্ঠতম খেতাব ভারতরত্নে ভূষিত করা হয়েছিল এখন তাঁকে সেই বাজপেয়ীর দলেরই কিছু লোক চোর প্রমাণ করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। যেহেতু এই রাজনৈতিক দলটি গোয়েবলসীয় কায়দায় বারবার মিথ্যা বলে তাকে সত্যে পরিণত করতে চায় এখন এদের সমস্ত প্রচার যন্ত্র এই কথাটাই বলবার চেষ্টা করছে।

Read more


২০২৫ সালে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের একশ বছর পূর্ণ হতে চলেছে। কর্পোরেট আগ্রাসন ও হিন্দুত্বের মেলবন্ধনে যে সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদের আখ্যান তৈরি করা হচ্ছে তার নিয়ন্ত্রণ আজ পুরোটাই সংঘের হাতে আছে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করছে।নরেন্দ্র মোদি- অমিত শাহের জুটির ক্ষমতা কি মোহন ভাগবতদের প্রভাবকে কি দূর্বল করে দিচ্ছে?

Read more


বিচারব্যবস্থার দীর্ঘসূত্রতার ফলে মানুষ আইনি প্রক্রিয়ায় বিচারের ওপরে আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। তাই অ-আইনি পদ্ধতিতে অপরাধী শাস্তি পেলে তারা খুশি হয়। এই প্রবণতা আজকে মানুষের মধ্যে মান্যতা পেয়ে যাচ্ছে। মন্ত্রীসান্ত্রীদের সমর্থন এই প্রবণতাকে সমাজের গভীরে প্রোথিত করেছে।

Read more


গণতন্ত্র, সংবিধান, আইনিব্যবস্থা, সংবাদমাধ্যম - সবই তো গভীর এক চক্রান্তে জড়িয়ে। দেশে দেশে যারা সংস্কৃতি নয়, ধর্মকে প্রাধান্য দিয়ে যাবতীয় মানবিক অধিকার ঢাকা দিতে ব্যস্ত তারাই যেন গুরুত্ব পাচ্ছে। পদ স্খলন শুধু নয় এখন পদসেবা এবং পদ লেহন মনে হচ্ছে উম্নতিলাভের প্রধান হাতিয়ার হয়ে উঠছে। মনে পড়ছে সেই গানঃ "Till wrong feels right'"!

Read more


তাৎপর্যে যতই গুরুত্বপূর্ণ হোক না কেন, ডক্টর আম্বেদকরের সমাজতান্ত্রিক সংবিধানের প্রস্তাবনা রাজনৈতিক গতি পায়নি। সংবিধান সভায় তা গৃহীত হওয়ার সম্ভাবনা ছিল খুবই কম। সেখানে সুবিধাভোগীদের স্বার্থই প্রতিনিধিত্ব করত। যাই হোক না কেন, ডক্টর আম্বেদকর কিন্তু অর্থনৈতিক গণতন্ত্র ও সমাজতান্ত্রিক আদর্শকে সাংবিধানিকভাবে সুরক্ষিত রাখার চিন্তা কখনও ত্যাগ করেননি। আজ আম্বেদকরের জন্মদিনে এই লেখাটি থাকলো সহমনের পাতায়।

Read more


সাম্প্রতিক সময় নিয়ে একটি কাল্পনিক কথোপকথন, শুনলেন এবং শোনালেন অশোক মুখোপাধ্যায় ।

Read more


রামনবমীর দিন গোটা দেশে একত্রে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ও দাঙ্গা পরিস্থিতি সৃষ্টি করা সেই বিভাজনের রাজনীতি রূপায়নের কাজের প্রাথমিক রূপ। আগামী দিনে আরো বাড়ানো হবে। শিবপুর, সাসারাম, বরোদা, চারমিনার, ঔরঙ্গাবাদ সেই পরিকল্পনারই অঙ্গ। কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এই পরিকল্পনাতেই ২০২৪ ভোট কর।

Read more


কালের নিয়মেই একসময় মোদী হারবে এবং তখন জিতবে কংগ্রেসই, এমন মনোভাব নিয়ে চললে যে দেশ নিশ্চিতভাবেই সর্বনাশের পথে যাবে, এরকম নির্ভুল আশঙ্কা অনেকেরই। যেমন তেমনভাবে লড়ে যে মোদীকে হারানো যাবে না, ২০১৯এর নির্বাচনই তার বড় প্রমাণ। ২০২৪ এ কি হবে, সেই দিকে তাকিয়ে পুরো দেশ।

Read more


প্রশ্ন হল রাহুল শাস্তি পেয়েছেন, তা নিয়ে আমরা যারা কংগ্রেসের লোক নই, যারা এই কংগ্রেসেরই নকশাল দমন, এমার্জেন্সি থেকে অপারেশন গ্রীন হান্ট ইত্যাদি জানি – তারা কেন এত কথা বলছি ? প্রশ্নগুলো সহজ আর উত্তর তো জানা। আবার ভারতচন্দ্রের সেই লাইনটায় ফেরা যাক। “নগর পুড়িলে দেবালয় কী এড়ায়?” জার্মানীর নাজিবাদের প্রেক্ষাপটে এক বিখ্যাত কবি নাট্যকারের এরকম এক কবিতা আছে, যেখানে একজন উপলব্ধি করছে অন্যেরা বিপদে পড়ছিল যখন একের পর এক, তখন এক চুপ করে থাকা মানুষের কথা। খানিক স্বস্তিতেই ছিলেন তিনি। ভেবেছিলেন যে তার গায়ে আঁচ পড়বে না, অতএব অন্যের জন্য প্রতিবাদে নামার দরকার কী। পরে তার ওপরেই যখন আক্রমন নেমে এল তিনি দেখলেন তখনো কেউ প্রতিবাদ করছে না। আসলে তখন প্রতিবাদ করার মতো কেউই আর বেঁচেবর্তে ছিল না।

Read more


সাচার কমিটির রিপোর্ট থেকেই প্রথম জানা যায়, পশ্চিমবঙ্গে সরকারি উচ্চপদে মুসলমানদের অংশগ্রহণ মাত্র ৪.৭ শতাংশ, এবং সরকারি চাকরিতে মাত্র ২.১ শতাংশ। মুসলমানের সামনে উন্নতির টোপ ঝুলিয়ে রাজনৈতির ফয়দা তোলার চেষ্টা হয়েছে বিস্তর। গণতান্ত্রিক ধর্মনিরপেক্ষ সমাজ ব্যবস্থায় পিছিয়ে-পড়া শ্রেণির মানুষের উন্নতি করা সরকারের দায়িত্ব। তা না করতে পারলে একটা সমান সমাজ গড়া সম্ভব নয়। সে কাজটা হচ্ছে কি?

Read more


ইতিহাসকে কীভাবে দেখা হবে। আমরা যখন দেখি, এক কালের ডালহৌসি স্কোয়ারের নাম বদলে করা হয়েছে বিনয়-বাদল-দীনেশ(বিবাদী) বাগ, তখন আমাদের সামনে এই তিন স্বাধীনতা সংগ্রামীর আত্ম-বলিদানের গৌরবই প্রতিভাত হয়। এই রকম নাম বদল দেশের ইতিহাসের গৌরবকে সূচিত করে। কিন্তু কেন্দ্রীয় ও সহযোগী সরকারগুলো যেরকমভাবে নাম বদলে হাত লাগিয়েছে, তাতে উল্টোটাই করা হচ্ছে—ইতিহাসের গৌরব বা প্রাসঙ্গিকতাকে ছেঁটে দিতে চাওয়া হচ্ছে। এজন্য তাদের উৎসাহের উৎস হ’ল একদেশদর্শিতা ও বিভাজনের রাজনীতি।

Read more


আন্তর্জাতিক নারী দিবসে দাঁড়িয়ে মনে পরে যায় নির্ভয়া কাণ্ডের পরেও এ দেশে ঘটে যায় কাঠুয়া থেকে হাথরাস। এ দেশেই ধর্ষকদের সমর্থনে জাতীয় পতাকা নিয়ে মিছিল বের করার দুঃসাহস দেখাতে পারে এক বিশেষ চিন্তাধারার মানুষজন। এ দেশেই গুজরাত দাঙ্গার সময় গণধর্ষণের শিকার বিলকিস বানুর অপরাধীদের সাজা মকুব করা হয় অমৃতকালের অজুহাতে, আর সেই ধর্ষকদের মালা পরিয়ে মিষ্টিমুখ করিয়ে সমাজে বরণ করে নেওয়ার লোকেরও অভাব হয় না।

Read more


দু'বেলা গরম ভাত-রুটি তরকারি খাওয়ার অভ্যাস ছেড়ে দিয়েছেন মুর্শিদাবাদের ডোমকল বাজারের ছোট কাপড়ের দোকানদার সিরাজুল সেখ। সকালের জলখাবার রুটি-তরকারি, লুচি বেগুনভাজার জায়গায় এসেছে মুড়ি, চানাচুর। গ্যাস ছেড়ে উনুনেই আবার ভরসা। আগে মায়েরা ঘুঁটে ও কাঠ জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করতেন। সেই অবস্থায় ফিরে আসছে।

Read more


আম আদমি পার্টির দ্বিতীয় ব্যক্তি, দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়াকে গ্রেফতার কি অ্যাডভান্টেজ বিজেপি? এই গ্রেপ্তারের মধ্যে দিয়ে কি বিরোধী ঐক্য মজবুত হবে, না এটা একটা কৌশল, বিরোধী ঐক্যে চিড় ধরানোর?

Read more


প্রশ্ন হলো, সি পি আই (এম এল) – সরাসরি বা আড়াল থেকে এটা করছে কেন ? সত্তর দশকের জরুরী অবস্থার সময় কমিউনিস্ট বিপ্লবীদের হত্যালীলার নায়ক কংগ্রেস, বা বিহারে সি পি আই (এম এল) এর ছাত্র নেতা চন্দ্রশেখরকে হত্যার পেছনে থাকা আরজেডি আজ সি পি আই (এম এল) এর মঞ্চে কেন ? বা এদের সবাইকে ফ্যাসিবাদ বিরোধী মঞ্চে শামিল করার পেছনে সি পি আই (এম এল) এর উদ্দেশ্য কি ? এটা কি অনেকটা জ্যোতি বসুর সময়ের সি পি এম কে অনুকরণের চেষ্টা নয় ? উত্তর খুঁজলেন পার্থ প্রতিম রায়

Read more


‘ভারত জোড়ো যাত্রা’র অন্তিম পর্বে যোগ দিয়ে আয়েশা খাতুন হেঁটেছেন পাঞ্জাব থেকে কাশ্মীর পর্যন্ত। জলন্ধরে হাঁটা শুরু করে শ্রীনগরের লালচকে যাত্রাশেষে রাহুল গান্ধীর জাতীয় পতাকা উত্তোলন পর্যন্ত অনন্য অভিজ্ঞতার বর্ণনা করেছেন তিনি। চার পর্বের এই যাত্রাকথনের এটি চতুর্থ পর্ব।

Read more


‘ভারত জোড়ো যাত্রা’র অন্তিম পর্বে যোগ দিয়ে তিনি হেঁটেছেন পাঞ্জাব থেকে কাশ্মীর পর্যন্ত। জলন্ধরে হাঁটা শুরু করে শ্রীনগরের লালচকে যাত্রাশেষে রাহুল গান্ধির জাতীয় পতাকা উত্তোলন পর্যন্ত অনন্য অভিজ্ঞতার বর্ণনা করেছেন তিনি। চার পর্বের এই যাত্রাকথনের এটি তৃতীয় পর্ব।  

Read more


‘ভারত জোড়ো যাত্রা’র অন্তিম পর্বে যোগ দিয়ে তিনি হেঁটেছেন পাঞ্জাব থেকে কাশ্মীর পর্যন্ত। জলন্ধরে হাঁটা শুরু করে শ্রীনগরের লালচকে যাত্রাশেষে রাহুল গান্ধির জাতীয় পতাকা উত্তোলন পর্যন্ত অনন্য অভিজ্ঞতার বর্ণনা করেছেন তিনি। চার পর্বের এই যাত্রাকথনের এটি দ্বিতীয় পর্ব।  

Read more


‘ভারত জোড়ো যাত্রা’র অন্তিম পর্বে যোগ দিয়ে তিনি হেঁটেছেন পাঞ্জাব থেকে কাশ্মীর পর্যন্ত। জলন্ধরে হাঁটা শুরু করে শ্রীনগরের লালচকে যাত্রাশেষে রাহুল গান্ধির জাতীয় পতাকা উত্তোলন পর্যন্ত অনন্য অভিজ্ঞতার বর্ণনা করেছেন তিনি। চার পর্বের এই যাত্রাকথনের এটি প্রথম পর্ব।

Read more


বিজেপি আরএসএস পরিচালিত সরকার তার কর্পোরেট বান্ধবদের কাছে দেশের জল, জমি, জঙ্গল - সবকিছু বেচে দিয়ে এদেশের নাগরিকদের নিঃস্ব করে দিচ্ছে। রাষ্ট্র পরিচালিত সংস্থাগুলো, যা আসলে এদেশের জনগনের সম্পত্তি, মায় হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সবকিছুই এর মধ্যেই বেচে দিয়েছে তারা। এদেশের প্রকৃত মালিক আদিবাসীদের ওই সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষা লাভ বা হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসার সুযোগ নেই। কর্পোরেটমুখী অপউন্নয়নের স্বার্থে বলি দেওয়া হচ্ছে দেশের অরণ্য পাহাড় - সব কিছু।

Read more


NRC যে কোন রথে চড়ে কোন শুভ (!) দিনে আসছে তা বোঝা দুষ্কর। ইতিমধ্যে সাম্প্রতিক CAG প্রতিবেদনে আসামের NRC সম্বন্ধে ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ করা হয়েছে। তৎকালীন NRC কো-অর্ডিনেটর প্রতীক হাজেলা এবং সিস্টেম ইন্টিগ্রেটর উইপ্রো কোম্পানির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সুপারিশ করেছে এই প্রতিবেদন। কিন্তু এই NRC কর্মকাণ্ডের অন্যতম প্রধান কারিগর বিজেপি দল ও সুপ্রিম কোর্ট কি এর দায় এড়াতে পারে?

Read more

by জিতেন নন্দী | 19 January, 2023 | 0 Comment(s) | 1195 | Tags : NPR NRC AAdhaar RTI


ভারত জোড়ো যাত্রার মহারাষ্ট্র চ্যাপটারে অন্যান্য রাজনৈতিক ইস্যু গুলোর সঙ্গে আদিবাসীদের জমির অধিকারের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি সামনে এনেছেন রাহুল। বিজেপি - আরএসএস'র মুখিয়াদের ওই 'আদিবাসী' বা ‘মূলবাসী' নামটা একেবারেই না পসন্দ, তাঁরা দেশের ওই বিশাল সংখ্যক মানুষকে 'জঙ্গল বাসী' বলে চালিয়ে দিতে চান তাদের কর্পোরেট লুঠেরাদের স্বার্থে। সংবেদনশীল এই ইস্যুটার সঙ্গে জড়িয়ে আছে দেশের প্রাচীন ইতিহাস ও সংস্কৃতির পরম্পরা।

Read more


অন্যরা যখন অর্থবল বা সরকারের পেশীবলের কাছে আত্মসমর্পণ করে চলেছেন একে একে তখন রবীশকুমার দেখালেন যে, সব মানুষের শিরদাঁড়া বিক্রি হয় না, হবার নয়।

Read more


অবশেষে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের কাছে আপাতত মাথা নত করলো, কেন্দ্রীয় সরকার। কলেজিয়াম পদ্ধতি যত দিন না পরিবর্তন হচ্ছে, ততদিন বিচারপতিদের আসন শূন্য থাকবে বলে হুমকি দেওয়া কেন্দ্রীয় সরকার অবশেষে ৪৪ জন বিচারপতিকে নিয়োগ করবে বলে জানালো সর্বোচ্চ আদালতে। কি সেই কলেজিয়াম ব্যবস্থা, যা নিয়ে এতো ভীত কেন্দ্রের সরকার? কলেজিয়ামের পরিবর্তে NJAC হলেই কি সব সমস্যার সমাধান হবে, সেই নিয়েই এই আলোচনা।

Read more


মোবাইল ফোনের প্রযুক্তিটা আজকাল এমন যে একজন মানুষ কোথায় কখন কার সঙ্গে কী কথা বলছেন, কী বার্তা চালাচালি করছেন, সব একটা সেন্ট্রাল সার্ভারে প্রতি দিন জমা হচ্ছে। কেউ দেখতে চাইলেই দেখতেও পারে, তার ভিত্তিতে মনিটরিংও করতে পারে। তার সঙ্গে যদি পেগাসাসের মতো স্পাইওয়ার যুক্ত হয়, কি হতে পারে?

Read more


মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, যদি সরকারী অনুষ্ঠানে জয় শ্রী রাম শ্লোগান তোলা নিয়ে তাঁর আপত্তি জানিয়ে থাকেন, নিশ্চিত উচিৎ কাজই করেছেন, কিন্তু আরো একটা কথা থেকেই যায়, এই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিছুদিন আগেই কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করেছিলেন, তখন কি তিনি ভুলে গিয়েছিলেন, যে এই প্রধানমন্ত্রী যখন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, সেই সময়েই গুজরাট গণহত্যা সংগঠিত হয়েছিল? তিনি কি ভুলে গিয়েছিলেন এই প্রধানমন্ত্রী নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলনরত মানুষদের নিয়ে কী বলেছিলেন?

Read more


মিড-ডে মিল ব্যাপারটা সম্পর্কে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিগুলো ভীষণই গোলমেলে। আমাদের রাষ্ট্রনেতারা এটাকে একটা ফালতু খরচের বেশি কিছু মনে করেন না। কারণ সহজবোধ্য। ছয় থেকে চোদ্দর বাচ্চারা ভোটার নয়। আঠারোইয় পৌঁছে ভোটার হতে হতে তারা স্কুলে কী খাবার পেয়েছিল না-পেয়েছিল সেসব ভুলে যাবে। (এ তো আর কন্যাশ্রী নয় যে আঠারোয় পা দিতেই হাতে-হাতে নগদ পঁচিশ হাজার এবং প্রতিদানে এক-একটি পরিবারের অন্তত খান চারেক ভোটের নিশ্চয়তা।) আমরা, সমাজের সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষজন মিড-ডে মিলকে দেখি গরীব ছাত্রদের জন্য নিছক একটা দয়ার দান হিসেবেই গণ্য করি।

Read more


সিপিআইএম রাজ্য নেতারা বলেন, মোদী ও মমতা উভয়ই খুব খারাপ, ফলে দুজনের বিরুদ্ধেই লড়াই চালাতে হবে একসাথে। ইদানিং বিজেমূলের গল্প বিশেষ শোনা যাচ্ছে না বটে, কিন্তু মানসিকতার কোন বদল হয়নি আদৌ। ধরে নেওয়া যাক, মমতা ও মোদী সমান খারাপ, সমান ভয়ংকর। কিন্তু যুক্তি কি বলে, মোদী ও মমতার ক্ষতি করার সুযোগ বা ক্ষমতা কি এক?

Read more


This Bharat Jodo Yatra is about connecting with the people. But it is also about creating positive vibes and optics. If marshalling local support and resources. The states which this Yatra will go through are the ones where the party’s organizations are the strongest. They have the capacity to sustain the momentum over a week or more. Honestly, the state units of Andhra Pradesh, Odisha or Bengal would have a tough time doing the same for even an entire day

Read more


শুধু আম্বেদকরকে নাকচ করার মধ্যেই গল্পটা শেষ হয়ে যাচ্ছে না।স্থাপিত হচ্ছে সংঘ পরিবারের সংবিধান ভাবনা,সাভারকার থেকে হেগড়েওয়ার যার প্রচারক। এই হিন্দুত্ববাদীরা বিশ্বাস করে বর্ণ ব্যবস্থা এক বিজ্ঞান সন্মত জীবনশৈলী যা ভারতের সামাজিক সম্প্রীতিকে অক্ষুন্ন রেখেছে। কোনরকম ভণিতা না করেই তারা বলে ভারতের ভবিষ্যৎ লুকিয়ে আছে,' not in equality but in harmony' বর্ণবাদী সেই স্তরীভূত ব্যবস্থা তাদের আদর্শ, যাকে তারা নতুন দিনের সংবিধান বলে চালাতে চাইছে। গণতন্ত্রের জননী সন্ধান সেই নীল নকশার একটা গ্রন্থি মাত্র।

Read more


প্রগতিশীলতা এক মনোমুগ্ধ বুদবুদ। উড়ন্ত। ভাসমান। হাল্কা ও স্বচ্ছ। সূর্যকিরণে তা চকচক করে। কবিতায় তা হয়ে ওঠে স্বর্ণাভ। রবীন্দ্রসঙ্গীতে তাকে ছোঁয়া যায়। হারমোনিয়ামের প্রতিটা রিডে তারই শরীর। আবার এই শরীর যেহেতু ঈশ্বরতুল্য, তাই তা একই সঙ্গে অলীক ও অসীম। বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পরে আজ তিরিশ বছর কেটে গেছে, একজন মুসলমান যুবকের কী অনুভূতি হয়েছিল সেদিন, আজ ই বা তিনি কী ভাবেন... ছবি - আনখ সমুদ্দুর।

Read more


গুজরাট নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে কৌতুকাভিনেতা পরেশ রাওয়াল বলেন তাঁর পাশে যদি কোনও বাঙালী প্রতিবেশী মাছ রান্না করে, তাহলে তাঁর ঘেন্না করে, পরে তা নিয়ে বিতর্ক হওয়ার ফলে, উনি বলেন যে উনি অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশী এবং রোহিঙ্গাদের কথা বলতে চেয়েছিলেন, তাঁর বাঙালীদের অপমান করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না, কিন্তু তাতে বিতর্ক আরও বেড়েছে। এই প্রসঙ্গে বাঙালীর মাছ খাওয়া এবং তার রকমফের নিয়ে একটি অন্য আলোচনা থাকলো।

Read more


বাঙালীরা মাছ খাবে, কাঁটা বেছে খাবে না শুঁটকি খাবে, তা কি ওঁরা ঠিক করতে পারে? মাছে ভাতে থাকা বাঙালী রেগে গেলে কিন্তু খুব বিপদ, সেটা যদি ওঁরা বুঝতে না পারে, তাহলে ওঁরাই সমস্যায় পড়বে। পরেশ রাওয়াল ক্ষমা চাইলেও তাঁকে কি এতো সহজে ক্ষমা করবে বাঙালীরা? তিনি যদি জ্যোতি বসুর ভুমিকায় অভিনয় ও করেন, তাহলেও কি তাঁকে মাপ করবে আপামর বাঙালী?

Read more


এই সংখ্যাগুরু-সংখ্যালঘু, সীমান্ত-কাঁটাতার, সাদা-কালো, ধর্ম-অধর্ম সবকিছু নির্বিশেষে আমার পক্ষ, আমার পোশাক, আমার অধিকার, আমার লড়াই আদতে এক। মুসকান বা মাহসাদের মতোই। ভারত বা ইরানের মতোই। নাহলে খেলা শুরুর আগের জাতীয় সঙ্গীতে গলা না মেলানো এই অভিনব প্রতিবাদের জন্য ইরানের খেলোয়াড়দের এত কুর্নিশ আমরা ভারতীয়রা কেনই বা দিচ্ছি?

Read more


রাহুলের পাশে এসে দাঁড়াচ্ছেন এমন এমন ব্যক্তিত্ব, যা দেখে অনেকেরই চক্ষু চড়কগাছ। এমনকী, রাহুলকে 'পাপ্পু' বলে কটাক্ষ করা যাঁদের অভ্যাস দাঁড়িয়ে গিয়েছিল, তাঁরাও একটু থমকেছেন। এই পদযাত্রায় ঐতিহ্যের বিস্তার দেখা গেল যেদিন জওহরলাল নেহরু প্রদৌহিত্রর পাশে হাঁটলেন মহাত্মা গান্ধীর প্রপৌত্র তুষার গান্ধী। মনে হল সেই ট্রাডিশন সমানে চলছে।

Read more


এসসি-এসটি-ওবিসি কোটা বাতিল করার দাবি আরএসএস বহুদিন ধরেই করে আসছে। ক্ষমতায় কে আছে না আছে সে কথা মাথায় রেখে তারা মাঝে মাঝে এবিষয়ে লুকোচুরি খেলা খেলে। কিন্তু আরএসএস’এর সমস্ত দীর্ঘস্থায়ী এজেণ্ডা বাস্তবায়নে একের পর পদক্ষেপ নিয়ে চলে ক্ষমতাসীন বিজেপি।

Read more


স্লোগান গর্জনে পরিণত হচ্ছে। হাজার হাজার মানুষ আনন্দের সঙ্গে হেঁটে চলেছে, স্লোগানে গলা মিলাচ্ছে। এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। এই পদযাত্রায় হাঁটতে হাঁটতে তীব্র একটা অনুভূতি যেন হৃদয় ছুঁয়ে যায়।

Read more


"একজন চমৎকার লোক, কিন্তু ভারতীয় রাজনীতির জন্য উপযুক্ত নয়", কয়েক মাস আগে পর্যন্ত তার সম্পর্কে আমার এটাই ধারণা ছিল। এবং তারপরে রাহুল ভারত জোড়ো যাত্রা-র ব্যানারে ভারতকে ঐক্যবদ্ধ করার ভাবনা নিয়ে কন্যাকুমারী থেকে কাশ্মীর পর্যন্ত ৩৫০০ কিলোমিটার পদযাত্রা শুরু করেন। একজন রাজপুত্র কি ৩৫০০ কিমি হাঁটেন, তাও এমন ধারাবাহিক ভাবে ? রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ভারত জোড়ো পদযাত্রায় হেঁটে এসে লিখলেন দর্শন মন্দকর ।

Read more


সাংবিধানিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার তিনটি অঙ্গ, আইনসভা, প্রশাসন ও বিচার ব্যবস্থা। সংবিধানের বিধিনিষেধের মধ্যে থেকে আইন প্রণয়ন করতে পারে আইনসভা, সেই আইন অনুযায়ী কাজ করার কথা প্রশাসনের। সুপ্রিম কোর্টের মতাদর্শ নিরপেক্ষ ও নির্ভীক বিচারকেরাই পারেন দেশে আইনের শাসনকে কার্যকরী করে তুলতে, শাসকের রক্তচক্ষু ও প্রলোভনকে উপেক্ষা করে। অতীতে ভারতীয় বিচারব্যবস্থা তথা সুপ্রিম কোর্ট বিশেষ ক্ষেত্রে নতজানু হয়েছে শাসকের কাছে (যেমন জরুরি অবস্থার সময়ে), কিন্তু সাম্প্রতিক অতীতে, গত ৮ বছরে বিচারব্যবস্থা তথা সুপ্রিম কোর্ট ক্রমাগত শাসকের আদালতে পরিণত হচ্ছে, কোর্টে সলিসিটর জেনারেল সরকার পক্ষের হয়ে যা বলেন অধিকাংশ ক্ষেত্রে সেটাই রায় হিসেবে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। সম্প্রতি দায়িত্ব নেওয়া প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের আপাত প্রগতিশীল দৃষ্টিভঙ্গীর রায়গুলির বিপ্রতীপে রয়েছে বাবরি-অযোধ্যা সংক্রান্ত, বা বিচারপতি লোয়ার মৃত্যুর পুনর্তদন্ত সংক্রান্ত অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক রায়। সংবিধানের উপরে ফ্যাসিবাদি আক্রমণের এই সঙ্কটমুহূর্তে সুপ্রিম কোর্ট কী অবস্থান গ্রহণ করে তার উপরে ভারতীয় গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ বহুলাংশেই নির্ভর করছে।

Read more


আমি, শান্তনু দা এবং ইমতিয়াজ একমাত্র কলকাতা থেকে এসেছি এবং যাকেই আমরা বোঝানোর চেষ্টা করেছি যে আমরা বিশেষভাবে এতদূর এসেছি এই যাত্রায় অংশগ্রহণ করতে, বিস্ময়ে তাদের চোখ প্রশস্ত হয়ে গেছে। কর্ণাটকের কিছু সহযাত্রী যাদের সাথে আমি স্লোগান দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলাম তারা আমাকে ‘ম্যাডাম বাঙালি’ বলে সম্বোধন করছিলেন। মৌখিকভাবে আমরা একে অপরকে বুঝতে পারিনি ভাষাগত কারণে এবং বেশিরভাগ সময় সাংকেতিক ভাষায় যোগাযোগ করতাম কিন্তু যখন শ্লোগানের কথা আসে তখন আমরা সবাই জানতাম কেন আমরা এখানে ছিলাম। ‘জোড়ো জোড়ো’ ‘ভারত জোড়ো’ বা ‘জোডিসি জোডিসি’ ‘ভারত জোডিসি’ ই আমাদের যোগাযোগের মাধ্যম হয়ে উঠেছে যখনই আমরা দৌড়ের সময় যাদের কাছেই এসেছি তার সাথে ।

Read more


কংগ্রেসের শক্তিবৃদ্ধি কি সত্যিই দারিদ্র্যদূরীকরণে সহায়ক হবে? এ প্রশ্ন মৌলিকভাবে জরুরী, কিন্তু এখন লক্ষ্য হিন্দু রাষ্ট্রের শকটকে শুধু রোখা নয়, ভেঙ্গে চূর্ণ করাও। সেই সংকল্প রূপায়নের ভিত গড়বে এই কর্মসূচি, সেই প্রত্যাশা কোটি কোটি মানুষের। তাছাড়া এই মুহূর্তে দেশের সংবিধান ও গণতন্ত্র রক্ষার্থে মোদী-শাহর ফ্যাসিবাদী সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানোর বিকল্প কিছু নেই।তার জন্য সমস্ত বিরোধী পক্ষকে একটা জায়গায় আসতেই হবে। এই ভারত জোরো পদ যাত্রা সেই সম্ভাবনাকে সবল করবে।

Read more


দিল্লির "আপ" মন্ত্রীসভার মন্ত্রী রাজেন্দ্র পাল গৌতম খুব সম্ভবত জানতেনই না যে, তিনি আগুনে হাত দিতে যাচ্ছেন। জানলে হয় দিতেন না নইলে বিজেপি/ আর এস এস-কে মুখের মত জবাব দিয়ে লড়াইটাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারতেন। ব্রাহ্মণ্যবাদের সঙ্গে শ্রমণবাদ এবং আম্বেদকরবাদের লড়াইয়ে দ্বিতীয়পক্ষে অংশগ্রহণ করায় তিনি মন্ত্রীত্ব খোয়ালেন।

Read more


রাহুল গান্ধীর ' ভারত জোড়ো যাত্রা " বহুদিন পর বিজেপির সরকারের কোনো কাজের প্রতিক্রিয়ায় নয়, স্বতন্ত্রভাবে নিজেদের দিক থেকে প্রধান বিরোধী দল জাতীয় কংগ্রেস নিজের অ্যাজেন্ডা সেট করছে। সেই কারণেই, এই পদযাত্রার একমাসের মধ্যেই সঙ্ঘের অনেককেই প্রথমবারের জন্য বিজেপি সরকারের আমলে বাড়তে থাকা বেকারত্ব, দারিদ্র্যের পরিসংখ্যান ইত্যাদি নিয়ে কথা বলতে বাধ্য হচ্ছে।

Read more


সংসদীয় কমিটির কাছে পেশ করা হয়েছে একটি রিপোর্ট, তাতে প্রস্তাব আনা হয়েছে, আগামীদিনে কেন্দ্রীয় সরকারী চাকরীতে হিন্দি ভাষা বাধ্যতামূলক। নানা দেশ, নানা ভাষা, নানা পরিধানের এই দেশে, একটি ভাষা জোর করে চালু করার মধ্যে দিয়ে আসলে আমাদের দেশের যে বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্যের ধারণাকেই ধ্বংস করা হচ্ছে, তা কী আমরা বুঝতে পারছি? এই মূহুর্ত থেকে যদি এই বিষয়ে কোনও রকম নড়াচড়া আমরা না করি, তাহলে সামনে সমূহ বিপদ।

Read more


বিরোধীদের মধ্যে এক অলিখিত ঐক্য তৈরি হয়েছে। বিজেপিকে হারাতেই হবে। কোন প্রক্রিয়ায় তা নিয়ে মতানৈক্য থাকলেও। রাজ্যে রাজ্যে জোট হবে নাকি যে যেখানে শক্তিশালী সেখানে তারই দায়িত্বে বিজেপি হারবে--- বিতর্ক চলছে। কিন্তু মিডিয়াও এখন বিজেপি বিরোধী জোটের কথা বলছে বার বার। বিজেপির কাছে এই ঐক্য অনভিপ্রেত। সামান্য ভীতিপ্রদও বটে। ফলে বিজেপির নয়া স্লোগান #জয়শ্রীইডি। যার সাহায্যে এই দুই বিপদকেই তারা মোকাবিলা করতে পারবে বলে ভাবছে। তারা রাজ্যে রাজ্যে অ-বিজেপি সরকারগুলিকে ভেঙে দিতে পারবে, আবার একই সাথে বিরোধী ঐক্যের পরিবেশটিকেও বিষিয়ে দিতে পারবে।

Read more


মুখ্যমন্ত্রীর নিজের দুর্নীতি সম্পর্কে ধারণা কি সেটা জানা দরকার।তিনি যখন কর্মীদের উপদেশ দেন যে, কাউকে চাকরি দিতে হলে পার্টির লেটার হেডে লিখবেন না, মুখে বলুন। কিংবা কাউকে টাকার ব্যাপারে কথা বললে ফোনে নয়, সামনাসামনি বসে কথা বলুন, তখন ভয় হয় তবে কি মুখ্যমন্ত্রী ধরেই নিয়েছেন এই ভাবেই দুর্নীতি চলতে থাকবে,সর্বস্তরে ছড়িয়ে পড়বে। না কি ভোট ধরে রাখতে তিনি কর্মীদের দুর্নীতিতে প্রশ্রয় দিচ্ছেন। আসলে ভোট বড় বালাই।

Read more


একদিকে আজাদী কা অমৃত মহোৎসব পালিত হচ্ছে দেশ জুড়ে, আর অন্যদিকে আমরা ক্রমশ ভুলে যাচ্ছি, আমাদের এই বাংলার ব্রিটিশ বিরোধী বিদ্রোহের কথা, মুসলমান বিপ্লবীদের কথা।

Read more


বাল্মীকি রামায়ণের উত্তরকাণ্ডে আছে : এক শূদ্র তপস্বী একবার ঈশ্বরকে লাভ করতে চাইলেন। এর জন্য শুরু করলেন কঠোর তপস্যা। সামনে অগ্নিকুণ্ড জ্বাললেন, আর বৃক্ষে পা ঝুলিয়ে মাথা অগ্নিকুণ্ডের উপর রেখে শুরু হল কঠোর তপস্যা। তাঁর ঈশ্বর লাভ হল। অবতার রামচন্দ্রের দেখা তিনি পেলেন। সেই ভগবান তাঁকে দেখে প্রশ্ন করলেন, ‘হে তপস্বী! আপনার জাত কী?’ তপস্বী বললেন, ‘আমার নাম শম্বুক, জাতিতে আমি শূদ্র’। শূদ্র শম্বুকের কথা শুনে ভগবান ক্রোধে কাঁপতে লাগলেন, ক্রোধাগ্নিতে তার দুই চোখ জ্বলে উঠলো। শূদ্র হয়ে তপস্যা ? রাম এক মুহূর্তও বিলম্ব করলেন না, তার হাতের খড়্গ দিয়ে এক কোপে শম্বুকের মাথা কেটে ফেললেন।

Read more


দেশভাগের পরে অখণ্ড বাংল‌ার পশ্চিমাংশে হঠাৎ সংখ্যালঘু হয়ে যাওয়া মুসলমানদের কি হল সে খবর কি রেখেছি আমরা! যারা এ পার বাংলা থেকে পূর্ব পাকিস্তানে চলে গেল তাদের খবর আমরা রাখিনি, এই বাংলায় যারা রয়ে গেল তাদের সম্বন্ধেও সামান্যই জানি।

Read more


প্রকাশ্যে স্বাধীনতা দিবসে মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকারী নাথুরাম গডসের ছবিতে মালা দেওয়া হয়।এই ভারতে রীতিমতো সাংবাদিক সম্মেলন করে প্রস্তাবিত হিন্দু রাষ্ট্রের সংবিধানের খসড়া বিলি করা হয়।সেই খসড়ায় উজ্জ্বল অক্ষরে লেখা থাকে প্রস্তাবিত হিন্দু রাষ্ট্রে মুসলমান ও ক্রিশ্চানদের ভোটাধিকার থাকবে না।এই ভারত আজ মুসলমানদের তাদের রাষ্ট্র ভাবনা থেকে বিযুক্ত করতে চায়।

Read more


যাঁরা বিলকিস বানোকে ধর্ষণ করেছিলেন, এগারোজনের মধ্যে তিন জোড়া ভাই ছিল — নরেশ মোধিয়া এবং প্রদীপ মোধিয়া, শৈলেশ ভাট এবং মিতেশ ভাট, কেয়ারভাই ভোহানিয়া এবং বাকাভাই ভোহানিয়া। আর ছিল এক চাচা-ভাতিজা জুটিও — যশবন্ত নাই এবং গোবিন্দ নাই। ভাইয়ের উপস্থিতিতে ভাই বিধর্মী নারীর শরীরে উপগত হচ্ছে; ভাইপো অপেক্ষা করছে, চাচার হয়ে গেলে তার পালা আসবে বলে; নাপিত অপেক্ষা করছে, বামুনের হয়ে গেলে সে সুযোগ পাবে বলে — এসব আশ্চর্য দৃশ্য অগত্যা কল্পনা করতে হয়। এমনটা সম্ভব হয়েছিল, কারণ তখন কেউ কারও ভাই নয়, কেউ কারও পিতৃব্য নয়, কেউ কারও প্রতিবেশীও নয়৷ তখন মুখোমুখি হয়েছিল কেবল এক গর্ভবতী মুসলমান নারী আর এগারোজন হিন্দু পুরুষ।'

Read more


বিলকিস বানো নিজের এত লাঞ্ছনা, চোখের সামনে নিজের পরিবারের এতজন মানুষের হত্যার পরেও ন্যায়বিচার চাওয়ার সাহস দেখিয়েছিলেন। সেদিন বিচার চাইতে গিয়ে তাঁর সকল অনুভূতিকে প্রজ্জ্বলিত করেছিলেন। আজ তিনি যখন ধর্ষক-হত্যাকারীদের সাজা মকুবের সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় কথা বলছেন, তখন অবধারিতভাবে তাঁর অন্তর আর্দ্র হয়ে উঠেছে। বেদনা কি শুধু তাঁর একার? মুসলমান সমাজের ভিতরে তা কি অনুরণিত হচ্ছে না?

Read more


দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোটা ভেঙে দিতে পারলে আমাদের সংবিধানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকটি পঙ্গু করে দেওয়া যায় এবং সংবিধানের মৌলিক কাঠামোতে আঘাত আনা যায়। গণতান্ত্রিক, ধর্ম নিরপেক্ষ এবং সার্বভৌম সংবিধান বহাল থাকলে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘ এবং বিজেপি-র প্রক্রিয়া প্রণয়ন করা সম্ভব নয়।

Read more


প্রধানমন্ত্রী বর্তমানের দায়বদ্ধতার কথা বলছেন, বলছেন ঘরে ঘরে তেরঙা পতাকা তুললে পতাকার সাথে একাত্মতা বাড়বে। কেন্দ্র সরকারের যে কোনও প্রকল্পের মতোই বিজ্ঞাপনী প্রচার-ট্যুইট-মার্কেটিং এর কোনও অভাব নেই এবারও। বিজেপি'র নেতা মন্ত্রীরা কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন দেশবাসীকে দায়িত্ববান নাগরিক করে তোলার কাজে। প্রশ্ন হচ্ছে, ভারতবাসী যে ঘরে ঘরে পতাকা তুলবেন, প্রত্যেক নাগরিকের জন্য সেই ঘরের ব্যবস্থা মোদী সরকার করতে পেরেছে কি?

Read more


সেনাবাহিনীর ‘অগ্নিপথ’-এর চাকরি, সাধারণ সাফাইকর্মী, আশাকর্মী, অঙ্গওয়ারি বা ব্যাঙ্কের ঠিকা চাকরির সমস্যার মধ্যে কোনও ফারাক নেই। তাঁদের আসল লড়াইটা ভাতের। সেদিনও লড়াইটা ছিল ভাতের, জাতের নয় ধর্মেরও নয়— আজও তাই।

Read more


আরএসএস-বিজেপি কর্তৃক গৈরিকীকরণের মাধ্যম হলো অপবিজ্ঞান ও কুসংস্কারের প্রচার। এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো পড়ুয়াদের মধ্যে বিজ্ঞানভিত্তিক ও যুক্তিভিত্তিক চিন্তাভাবনার সমূলে বিনাশ। সেই কারণেই হয়তো আইআইটি মান্ডির অধিকর্তা তাঁর ভূত ছাড়ানোর কথা সকলের সামনে দাবী করতে পারেন। সেই কারণেই হয়তো আইআইইএসটি শিবপুরে নোটিশ বেরোতে পারে মকর সংক্রান্তি উপলক্ষ্যে সূর্য নমস্কারে অংশগ্রহণের কথা বলে।

Read more


সার্বিকভাবে সমস্ত স্তরে বামপন্থার বিরুদ্ধে আক্রমণে নামার আগে ভারতে এই শক্তিটির বিরুদ্ধেই প্রথমে আক্রমণে নেমেছে মোদী-অমিত শাহর বিজেপি-আর,এস,এস। সে কারণে আজকের ফ্যসিবাদের বিরুদ্ধে আপোষহীন শক্তিদের সার্বিক নির্ভরতার ভরকেন্দ্রকেও এই মূহুর্তে পাল্টে নেয়া প্রয়োজন বলে মনে হয়। ভারতের উচ্চকিত সর্বহারা শ্রেণী মূলত বিজেপি-আর,এস,এসের সাংস্কৃতিক শক্তি, তাদের অন্তরে তীব্র বাহ্মন্যবাদী অবশেষ। সেই কারণেই ঐ পরিসরে গতানুগতিক আন্দোলন চলুক কিন্তু এক্ষণে ঐ দিক থেকে মাত্রাতিরিক্ত দৃষ্টি সরিয়ে মধ্যবিত্ত উদারনীতিবাদী সাংস্কৃতিক শ্রেণীটিকে বিশেষভাবে সংগঠিত করা দরকার।

Read more


'নিন্দারে করিব ধ্বংস কণ্ঠরুদ্ধ করি। নিস্তব্ধ করিয়া দিব মুখরা নগরী স্পর্ধিত রসনা তার দৃঢ়বলে চাপি মোর পাদপীঠতলে।... রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'গান্ধারীর আবেদন'এ এই দম্ভোক্তি করেছিল দুর্যোধন। শুনিয়েছিল পিতা ধৃতরাষ্ট্রকে। কিন্তু প্রজাদের কণ্ঠরুদ্ধ করেও শেষরক্ষা করতে পারেনি দুর্যোধন। এমনকী, মামা শকুনি, সখা কর্ণ ও ভাই দুঃশাসনকে নিয়েও পারেনি। মোদী কি পারবেন, সমস্ত শব্দকে স্তব্ধ করে দিয়ে প্রতিবাদ বন্ধ করতে?

Read more


এই নব্য-ভারতে অ-শোকীয় কর্পোরেট দম্ভে আবহমানকাল ভারতবর্ষ যে প্রাতিষ্ঠানিক-অপ্রাতিষ্ঠানিক শিল্পতত্ত্ব প্রয়োগ করে বিশালতম থেকে ক্ষুদ্রতম শিল্পকর্ম স্থাপন করেছে, আধুনিক কর্পোরেট যুগে সেই শিল্পতত্ত্বের বিসর্জনের বাজনা বেজে উঠেছে। নোট-বাতিল প্রকল্পে তিনি চাষী-কারিগর-হকারদের বাজার খেয়েছেন, মুড়ি বা টক দই বা কারিগরির ওপর জিএসটি প্রয়োগ করে প্রাতিষ্ঠানিক কর্পোরেট উৎপাদন ব্যবস্থার বাইরের অপ্রাতিষ্ঠানিক উদ্যমীদের যতটুকু শক্ত মাজা ছিল তাকেও ভেঙে দেওয়ার উদ্যম নিয়েছেন। এই ব্যবস্থায় লাভ হয়েছে, নরেন্দ্র মোদির অভয়হস্ত মাথায় থাকা ডিজিটাল যুগের কর্পোরেটের। দাঁত-মুখ-খিঁচিয়ে থাকা নতুন চার-সিংহ নরেন্দ্র মোদির যুগেরই যোগ্য প্রতীক।

Read more


স্বাধীন ভারতের জাতীয় প্রতীক, যা প্রায় আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন এক ভাস্কর্য থেকে গৃহীত, তাতে তো সব নাগরিকের উত্তরাধিকার। আশ্চর্য প্রাচীন আর সর্বসমন্বয়ী এই দেশের তা অহংকারও বটে, তাকে বিকৃত করে একেবারে পার্লামেন্টের মাথায় বসানোর অধিকার কারোরই থাকতে পারে না। শুরু হয়েছে এই জাতীয় প্রতীক নিয়ে বিতর্ক।

Read more


বিজেপি-বিরোধী দলগুলো আজ পথহারা পথিক। তা না হলে এরা কংগ্রেসকে পায়ের তলায় রাখতে চাইছে কেন? এখন কি এর উপযুক্ত সময়! তৃণমূল কংগ্রেসের ডিক্টেটর ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, আম আদমি পার্টির সুপ্রিমো ও দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল কংগ্রেসকে দাবিয়ে রাখতে চায়। বিজেপি-বিরোধী ব্যাপক ঐক্য গড়া যে সহজ নয়, তার প্রমাণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ঝাড়খন্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের দ্রৌপদী মুর্মুকে সমর্থন।

Read more


বৃত্ত ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে; এখন যে কোনও দিন, যে কোনও সময়ে, যে কোনও স্থানে, বিনা কারণে অথবা মামুলি কারণে প্রতিবাদী মানুষ গ্রেপ্তার হতে পারেন এবং তাঁকে অজানা স্থানে চালান করা হতে পারে। সমাজকর্মী তিস্তা সীতলাবাদ এবং ভুয়ো খবরের পর্দা ফাঁস করার অন্যতম মুখ মহম্মদ জুবেইরের গ্রেপ্তারি তাই প্রমাণ করে। প্রতিবাদের পরিসর ক্রমশ ছোটো হয়ে আসছে, প্রতিবাদীদের হাজতে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। ঘুরে এখন দাঁড়াতেই হবে কারণ আমাদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে।

Read more


আজ দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা না করেও সাম্প্রদায়িক ফ্যাসিস্ত সরকার দমনপীড়ন, অত্যাচার, নিপীড়নকে অবাধ করে তুলেছে। জরুরি অবস্থা জারি না করেও সারাদেশে সংবাদপত্রের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ জারি রেখেছে। সত্য এবং ব্রতবদ্ধ সাংবাদিকদের হত্যা, কারারুদ্ধ করে চলেছে। বিভিন্ন অছিলায় মুসলিম, ক্রিশ্চান, দলিত জনসাধারণকে হত্যা, পিটিয়ে এবং পুড়িয়ে মারার মতো সামন্ততান্ত্রিক প্রথার উজ্জীবন ঘটিয়ে চলেছে। জরুরী অবস্থার সেকাল একাল নিয়ে লিখলেন অশোক চট্টোপাধ্যায়

Read more


দেশের মধ্যে যখন চরম বেকারত্ব, সেই সময়ে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে অগ্নিপথ প্রকল্প ঘোষণা করা হলো। কিন্তু সেই প্রকল্পের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শুরু হয়ে গেল বিক্ষোভ। অনেক প্রশ্ন উঠছে, অনেকে বলছেন সেনাবাহিনীতে এই নিয়োগটি আসলে সেনাবাহিনীর হিন্দুকরণের প্রকল্প। অনেকে বলছেন, এই প্রকল্পের সঙ্গে হিটলারের অস্থায়ী এসএস বাহিনীর সাযুজ্য আছে।

Read more


৬ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধে ভোগান্তিতে পড়ে কেউ বিরক্ত হলেন, কেউ বিরোধিতা করলেন, কেউ গালাগাল করলেন; সমবেত বিক্ষোভের ভাষাটুকু একজনও কানে তুললেন না। সোশ্যাল মিডিয়ায় মানুষের ভোগান্তির ছবিই ভাইরাল হয়ে ঘুরতে থাকল। দশ ঘন্টায় অবরোধ উঠে গেল আর ভাইরাল-চক্কর চলল বাহাত্তর ঘন্টা ধরে। তার রেশ থাকবে সামনের নির্বাচন অবধি।

Read more


আপ সম্পর্কে যে কথাটা প্রথমেই বলে নেওয়া প্রয়োজন যে আপের সেই অর্থে কোন নির্দিষ্ট মতাদর্শ না থাকলেও অবশ্যই একটা নির্দিষ্ট কর্মসূচি আছে। দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলন ও তারও আগে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের এন জি ও নিয়ন্ত্রিত নাগরিক উদ্যোগ ( যার জন্য কেজরিওয়াল ম্যাগসাসাই পুরষ্কার পান) ছাড়া সেই অর্থে আপের কোন রাজনৈতিক অতীত নেই।এটা তার পক্ষে প্রাথমিক সুবিধার জায়গা কারণ রাজনীতিতে মুখোশের যে প্রয়োজন থাকে তা আপের নেই।

Read more


ফরাসী বিপ্লব থেকে রুশ দেশের বলশেভিক বিপ্লব, তৎপরবর্তীতে মাও সে তুং-এর নেতৃত্বে চীন বিপ্লব, বুর্জোয়া ও সামন্তশ্রেণীর বিরুদ্ধে, ঔপনিবেশিকতাবাদের বিরুদ্ধে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিতে শতাব্দীপ্রাচীন সংগ্রাম, রাষ্ট্রবিপ্লবের ন্যায্যতা কোন ইতিহাস সচেতন মানুষ অস্বীকার করতে পারবেন না। রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে তদন্ত, আইনি প্রক্রিয়া মুলতুবি থাকার আদেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তাহলে কি আর এই আইন প্রয়োগ হবে না?

Read more


হিন্দুত্বের ধ্বজাধারীরা দেশজুড়ে মসজিদের সামনে মিছিল করে যাচ্ছে ও দাঙ্গা বাঁধানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে জ্ঞানবাপি মসজিদের ভিতরে পুরাতত্ব বিভাগ আদালতের নির্দেশে মন্দিরের অবশেষ খুঁজে বেড়াচ্ছে, মথুরাতেও সেই মর্মে মামলা চলছে, তাজমহলকে তেজো মহালয়ের দিকে নিয়ে যাওয়ার প্রথম দাপ হিসেবে আদালতে মামলা হয়েছে। দেখাতে চেষ্টা করা হচ্ছে যে মুসলিম শাসকরা মন্দিরের পর মন্দির ভেঙেছে, হিন্দু ধর্মের উপরে আঘাত করার জন্য। কিন্তু ইতিহাস অন্য কথা বলছে।

Read more


গুজরাত গণহত্যা ভারতের গণতন্ত্রের ইতিহাসে বাস্তবিক এক প্রহসন। গোধরা-কাণ্ডের আপতিক ফলাফল যে গুজরাতের এই দুঃসময় নয়, এটা হিন্দুত্ববাদীদের মুসলমান বিরোধী অভিযানের চূড়ান্ত পরিণতি, তা অনেক অনেক হিন্দুর চিন্তা-চেতনে পৌঁছে দেওয়া যায়নি। কারণ একটা সময় ধরে যখন মুসলমান বিরোধী প্রচার, ঘৃণা-বিদ্বেষের মহড়া চলছিল গুজরাত জুড়ে, তখন গণতন্ত্রের প্রক্রিয়াগুলো সজাগ হতে পারেনি, হিন্দুত্বের কর্মসূচির বিকল্প নিয়ে ভাবেনি। আজকে কি ভাবছে?

Read more


বর্তমান রাজ্য প্রশাসনের উচ্চতম কর্তা থেকে শুরু করে থানার ইন-চার্জ পর্যন্ত কেউই জানেন না, তাঁদের শাসক দলের কোন স্তরে কার কার কথা মেনে চলতে হবে, আর কাকে কাকে কখন অগ্রাহ্য করা যায়। সুতরাং চোখের সামনে অপরাধ সংঘটিত হতে দেখেও পুলিশের সাধ্য ছিল না, আরও উচ্চতর হুকুম বিনা, তাতে হস্তক্ষেপ করার। আর—কোট অ্যান্ড আনকোট অনুব্রত—শর্ট সার্কিট হয়ে টিভি ফাটুস কাণ্ড ঘটলে পুলিশের এক্তিয়ারেই তা আসে না, অগ্নিকাণ্ড হয়ে দুপাঁচজন আহত না হলে বা মারা না গেলে।

Read more


লখিমপুর খেরিতে সিবিআই হোক বা আনিস খান হত্যাকান্ডে বিশেষ তদন্তকারী দল— উভয়ের ক্ষেত্রেই নিরপেক্ষতার অভাবই আসল কারণ। কোনো তদন্তেই আসল অপরাধী শাস্তি পায় না। তাই পুলিশের সংশোধন বা রিফর্মকে অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি নিয়ে রাজনৈতিক দল এবং নাগরিক সমাজের এগিয়ে আসা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে সরকার বদল হলেও পুলিশ নিরপেক্ষ থাকে।

Read more


সেই কবে ১৮৫৭ সালের ৮ ই মার্চ মজুরিবৈষম্য, কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট করা, কাজের অমানবিক পরিবেশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের রাস্তায় নেমেছিলেন কাতারে কাতারে সুতা কারখানার নারী শ্রমিকেরা। বিশ্ব জুড়ে যার আঁচ ছড়িয়ে পড়েছিল। পরবর্তীতে যুক্ত হয়েছিল মহিলাদের ভোটাধিকারের প্রশ্ন। আমেরিকায় মহিলারা সরব হয়েছিলেন বর্ণবাদের বিরুদ্ধে। উত্তাল হয়েছিল শহর, নগর। আজও কি সেই লড়াই চলছে না, কখনো আনিস খানের হত্যার তদন্তের দাবীতে, কখনো দেউচা পচামীতে? আন্তর্জাতিক শ্রমজীবী নারী দিবসে কি এই লড়াইগুলো আবার সেই প্রশ্নই তুলছে না?

Read more


সম্প্রতি হরিদ্বার ধর্ম সংসদের ' সুবচনী' ওয়ানসির সেই হাড় হিম করা ইতিহাসকে আজকের ভারতের প্রাসঙ্গিক করে তুলেছে। যতি নরসিংহানন্দ,স্বামী প্রবোধানন্দ গিরি, সাধ্বী অন্নপূর্ণা প্রমুখ হিন্দু ধর্মের স্বঘোষিত অভিভাবকরা তাদের কল্পিত হিন্দু রাষ্ট্রের বাস্তবায়নে সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়কে নিকেশ করার ফতোয়া দিয়েছেন। তার সঙ্গে কি ইতিহাসের কোনো মিল আছে?

Read more


হেরিটেজ স্বীকৃতির পর কলকাতার পথে ইউনেস্কোকে ধন্যবাদ জানানোর সাংস্কৃতিক মিছিলে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ শোভিত ব্যানার দেখে কিংবা কর্তাদের বক্তব্য শুনে মনে হয় , কলকাতার দুর্গাপুজোর বয়স যেন এই দশ বছর। আর এই স্বীকৃতি প্রাপ্তির জন্য যাবতীয় প্রশংসা একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এরই প্রাপ্য। কিন্তু এই তথ্য কি সত্যি? না, এই দশ বছরের আগেও এই দুর্গাপুজো যে এপার-ওপার, ঈশান বাংলার পুজো, এই স্বীকৃতি যে আপামর বাংলার স্বীকৃতি, আত্মগৌরব প্রচারের ঢক্কানিনাদে তা হারিয়ে গেল।

Read more


২০২১ সালের গত তিন মাসে সারা পৃথিবীতে মারা গেছে: করোনাতে = ৩১৪৬৮৭ জন, ম্যালেরিয়াতে = ৩৪০৫৮৪ জন, আত্মহত্যা = ৩৫৩৬৯৬ জন, পথ দুর্ঘটনা = ৩৯৩৪৭৯ জন, এইচ আই ভি = ২৪০৯৫০ জন, মদ্য পানে = ৫৫৮৪৭১ জন, তাহলে ? কেন এই বাধানিষেধ? কেন স্কুল বন্ধ করা? কেন লোকাল ট্রেনে বাধানিষেধ?

Read more


বিএসএফ আইনের সংশোধনী গৃহীত হলে পশ্চিম বাংলার এক তৃতীয়াংশ অধিক্ষেত্র কেন্দ্রীয় সরকারের আওতায় চলে যাবে। স্লোগান উঠুক বিএসএফ তুমি গ্রামে নয়, সীমান্তে যাও। মানুষের দুর্দশা কমাও, বিএসএফ সরাও। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত বাতিল কর।

Read more

by অসিত রায় | 28 December, 2021 | 0 Comment(s) | 2084 | Tags : BSF Border Bnagladesh


আফস্পা (আর্মড ফোর্সেজ স্পেশাল পাওয়ার অ্যাক্ট) নামক জনস্বার্থবিরোধী ঔপনিবেশিক আইন আমাদের দেশের সরকার দেশের মানুষের গণক্ষোভ দমনের জন্যেই ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দের ১১ অক্টোবর জারি করেছিলেন। সময়টা ছিল ১৯৪৭-এর পনেরোই অগাস্টের এগারো বছর পর। দেশীয় শাসকেরা দেশের জনচিত্তের স্বাভাবিক ক্ষোভ-অশান্তচিত্ততার নিরসনের প্রয়াস না পেয়ে তাঁদের দমনের উদ্দেশ্যেই এই ঔপনিবেশিক কালা কানুন জারি করেছিলেন। আজ কি তা তোলার সময় হয়নি?

Read more


আজ গোয়া, কাল মেঘালয় পরশু ত্রিপুরা, এই ভাবে কংগ্রেসকে দুর্বল করে কি বিজেপিকে সামনের লোকসভায় পরাজিত করা সম্ভব? কিন্তু তৃণমূল তাহলে কি উদ্দেশ্যে এই কাজটা করছে? নিন্দুকেরা প্রশ্ন করছেন, কে বা কারা কি উদ্দেশ্যে এই ঘোড়া কিনতে টাকা দিচ্ছেন? কোনও লড়াই ছাড়া, কেন তৃণমূল এই প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে প্রধান বিরোধী মুখ হয়ে উঠতে চাইছে?

Read more


আমাদের দেশে যে কোনও জোরালো আন্দোলন ভাঙ্গার প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে তাতে ধর্মীয় বিভাজন সৃষ্টি করা। বৃটিশদের দেখানো সেই চিরাচরিত পথে শাসকরা গত পঁচাত্তর বছর ধরে বিভিন্ন আন্দোলন ধূর্তভাবে দমন করেছে। গত মে মাস থেকে পশ্চিম উত্তরপ্রদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ বেড়ে যায়। গোরক্ষার নামে, নানা অজুহাতে মুসলিমদের ওপর আক্রমণ হয়েছে, তাঁদের হেনস্থা করা হয়েছে এমনকি খুনও হয়েছে। কিন্তু তাও তাঁরা সফল হননি, আজকে কিছুদিন পর সেই কৃষক আন্দোলনের বর্ষপুর্তি হবে।

Read more


২০২০ সালের কালান্তক ভাইরাস ও লকডাউন নাভিশ্বাস উঠিয়ে দিয়েছে অ্যাপনির্ভর তথাকথিত স্বাধীন পেশার পরিষেবা শ্রমিকদের। ইতিউতি চালু হওয়া মাত্র ‘ডেলিভারি পার্টনার’রা ভিড় করে আছেন রেস্টুরেন্টের সামনে, গত বছরের জুলাই মাস থেকে, কিন্তু সেই মত অর্ডার আসছে কোথায় ? কিভাবে চলছে তাঁদের? যে স্বপ্ন দেখতে গিয়ে, এই যুবক যুবতীরা এই ডেলিভারি পার্টনার হয়ে উঠেছিলেন, তাঁরা কি ভালো আছেন আজকে?

Read more


একটি দেশে সংখ্যাগুরুর দায়িত্ব সংখ্যালঘুর অধিকার সুনিশ্চিত করা, সুরক্ষার দায়িত্ব নেওয়া৷ বাংলাদেশিরা ব্যর্থ হয়েছে৷ কিন্তু অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এদেশে? এদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দিতে হিন্দুত্ববাদের পূজারীরা কতখানি সোচ্চার? তাঁরা নিজ দেশে কতখানি দায়িত্ব পালন করেছেন? আখলাখের খুনিদের সাজা চেয়েছেন? সংখ্যালঘুর লিঞ্চিংয়ে অভিযুক্তদের সংবর্ধনা দিলে বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন? বেছে বেছে বিশেষ ধর্মের সংখ্যালঘুদের রাতারাতি ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠানোর উদ্যোগ হলে রুখে দাঁড়িয়ে বলেছেন, কারও বাপের ক্ষমতা নেই পাঁচপ্রজন্ম এদেশে থাকা সংখ্যালঘু পরিবারের কাগজ দেখার কথা বলার? না বলেননি৷ উল্টে 'এদেশে থাকতে হলে দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক হয়ে থাকতে হবে' মানসিকতাই উঠে এসেছে।

Read more


বাংলাদেশের নাগরিক সমাজের একটি বড় অংশ এই সহিংসতার বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলছেন। এই বাংলায়ও অনেকেই প্রতিবাদে মুখর হয়েছেন। কিন্তু কিছু কিছু প্রতিবাদের ধরণ-ধারন এখনও ভাবাচ্ছে। সেই গতে বাঁধা আমরা-ওরা চলছে। এইভাবে বেছে বেছে প্রতিবাদী হওয়াটাও কম বড় অপরাধ নয়। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, তার পরবর্তী হতাশা, আক্রোশ এবং প্রতিবাদ যার যার তার তার হয়ে গেলে সেটা পরবর্তী দাঙ্গার ইন্ধন যোগানো ছাড়া আর অন্য কোনো কাজেই আসেনা।

Read more


কোরান-কাণ্ডে দেখা গেল, মূল পূজা মণ্ডপ সংলগ্ন আলাদা মণ্ডপে বাঙালি হিন্দুদের দুর্গাপূজার রীতির বাইরে গিয়ে রাম-সীতা-হনুমানের মূর্তি রাখা হয়েছিল। গত ১৮ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামে হিন্দুদের এক বড়সড় প্রতিবাদ মিছিলে স্লোগান শোনা গেল, জয় শ্রী রাম, হর হর মহাদেব, জ্বালিয়ে দাও পুড়িয়ে দাও। মানে দাঁড়ায়, বাংলাদেশে হিন্দু-মেরুকরণের চোরাস্রোত বইতে শুরু করেছে।

Read more


দুর্গাপূজা ঘিরে এবার সারা দেশে যে তাণ্ডব ঘটে গেল, নিকট অতীতে তার সঙ্গে তুলনা করা চলে ২০০১ সালের নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার সঙ্গে। কেউ কেউ পাল্লায় মাপতে বসে যাবেন, কোনটা কয় ছটাক কম বা বেশি। কিন্তু এটা স্পষ্ট হয়ে গেছে যে এ দেশের নাগরিকের সবাই সমান নন। এ দেশে গরিবের তো কোনো জায়গাই নেই, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অস্তিত্বও বিপন্ন। তারা এখন বিলীয়মান প্রজাতি হয়ে যাচ্ছে। লেখা প্রথম আলো থেকে সংগৃহীত।

Read more


শুধুমাত্র দেশের বড় শহরে বসে স্কুল শিক্ষার প্রকৃত চিত্রটা উপলব্ধি করা যায় না। কিন্তু বাস্তব হল, অতিমারীর সময় থেকে দেশের প্রায় অর্ধেক পড়ুয়া শিক্ষার পরিধির বাইরে চলে গিয়েছে। "অনলাইন শিক্ষা" বলতে যা বোঝান হয়, দৈনন্দিন তার সুযোগ খুব অল্প সংখ্যকের কাছেই পৌঁছয়। বয়ঃসন্ধির ছেলেমেয়েদের চোখের ইশারা, হাতে হাত, গায়ে গা লাগিয়ে দাঁড়িয়ে করা প্রাকটিক্যাল ক্লাস, ছুঁড়ে দেওয়া কবিতা, স্কুলের শেষে অনেকক্ষন ধরে একসঙ্গে বাড়ি ফেরা -এসবের নামও কিন্তু স্কুল।

Read more


রাত জেগে, লাইনে দাঁড়িয়ে, পুলিশের লাঠি খেয়েও টিকা পাচ্ছেন না বহু মানুষ। কাজ-হারানো মানুষের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। আর ধনী এবং প্রভাবশালীরা নিজেদের সুবিধামতো সময়ে এবং স্থানে টিকা নিচ্ছেন। টিকাকরণের এহেন ধনী-দরিদ্র ভাগাভাগি আগে দেখেনি দেশের মানুষ।

Read more


আফগানিস্তানের যেন এটাই নিয়তি। গত একশো বছরের ইতিহাসে টানা চল্লিশ বছরের অধিক কোনও শাসনকাল নেই আফগানিস্তানে। ইতিহাসের পুনবাবৃত্তি কি ঘটতেই থাকবে এ ভাবেই!

Read more


তালেবান নিছক কোনও সামরিক বা রাজনৈতিক শক্তি নয়, তালেবান একটা মৌলবাদী তত্ত্বও বটে। তাই সামরিক অভিযান দিয়ে তাকে সাময়িক উৎখাত করা গেলেও মূলোচ্ছেদ করা যায়নি। আবারও আফগানিস্তানে ক্ষমতায় ফিরেছে তালেবান। এখন তারা নাকি আর আগের মতো খারাপ নেই— তারা এখন ভাল তালেবান।

Read more

by মিলন দত্ত | 28 August, 2021 | 0 Comment(s) | 2181 | Tags : Taliban Afganistan


আপনার সম্পর্কে জোগাড় করা ভুরি ভুরি তথ্য কিন্তু ফেসবুক বিক্রি করে না। অনেকেই ভাবেন তথ্য বিক্রি করে ফেসবুক টাকা পায় – না তা নয়, যেখানে পণ্য আপনি – সেখানে আপনার ব্যক্তিগত তথ্যগুলো আসলে দরকার আপনার ভার্চুয়াল ওই মডেলের জন্য, যেখানে কম্পানীগুলো নিশ্চিত হয়ে যেতে পারে আপনার সম্পর্কে, ভবিষ্যতে ঠিক কোথায় কখন, কোন জিনিসটা আপনি করবেন – এবং যাতে করে আরও নিশ্চিতভাবে, আপনাকে ওই বিজ্ঞাপনদাতাদের হাতে তুলে দেওয়া যাবে।

Read more


দেশদ্রোহিতা’ আইনের বেশ কিছু ধারা ১৮৭০ সালে গৃহীত হয়। এমন বক্তব্য বা লেখা যা সরকারের প্রতি ‘অসন্তোষের উদ্রেক’ করে তাকেই দেশদ্রোহিতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ১৮৯৮-এর সংশোধনীতে এই দেশদ্রোহিতার ধারণা ও নীতিকে আরও তীক্ষ্ণ করা হয় এবং যে কোনো ধরণের সরকারের প্রতি ‘এনমিটি' বা বিরুদ্ধতাকেই চিহ্নিত করা হয় দেশদ্রোহ হিসেবে। বাল গঙ্গাধর তিলকের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহ মামলার পরবর্তীতেই এই সংশোধনী গৃহীত হয় এবং তিলকের বিরুদ্ধে মামলার অন্যতম প্রধান কারণ ছিল কেশরী ও মারাঠা পত্রিকায় ‘ব্রিটিশ রাজ’ বিরোধী প্রচার।

Read more


পেগাসাস স্পাইওয়ার, আরোগ্যসেতু, স্বাধীন সংবাদপত্রগুলির অফিসে ইডি-র তল্লাশি, সিনেমাটোগ্রাফি বিল – মতপ্রকাশের তথা নাগরিকের মৌলিক অধিকার খর্বকারী সমস্ত নীতি আসলে আমাদের চোখ ফেরাতে বাধ্য করে অতীতের দিকে। মতপ্রকাশের অধিকারের উপরে এই চূড়ান্ত আক্রমণের সময়ে তাই ফিরে দেখার প্রয়োজন রয়েছে ঔপনিবেশিক কাঠামোকে যার এক উন্নত রুপ আমরা আজ দেখছি প্রাত্যহিক জীবনে। কোম্পানির সময়ে নজরদারির বা বিরোধী স্বরকে স্তব্ধ করার লক্ষ্যে প্রচলিত হওয়া অন্যতম কুখ্যাত আইন হলো ‘দেশীয় সংবাদপত্র আইন’ বা ‘ভার্নাকুলার প্রেস অ্যাক্ট’(১৮৭৮) লিখলেন ঋতম মাজি

Read more


“একজন চিত্রসাংবাদিক হিসেবে সব ঘটনা তুমি যেন বা প্রথম সারিতে বসে প্রত্যক্ষ করছ। এটা যেমন এক সম্মান, তেমন দায়িত্বও। যারা সেখানে উপস্থিত নেই, তুমি তাঁদের প্রতিনিধি, তাঁদের চোখ, তাঁদের কান। ছবির যে চরিত্র, তাঁর জায়গায় মানুষ যদি তাঁদের প্রিয়জনকে দেখতে পায়, আমার কাজ সেখানেই শেষ, সেখানেই সফল" আগামী দিনগুলিতেও আপনার ছবি নিয়ে আমাদের আলাপ জারি থাকবে,আমাদের বিবেককে আপনার ক্যামেরা সদাই জাগিয়ে রাখবে,শাসকের ভ্রুকুটিকে থোড়াই কেয়ার দানিশ! লিখলেন দেবলীনা, ছবি এঁকে সহযোগিতা করলেন কৌশিক চক্রবর্তী ।

Read more


সংসদীয় গণতন্ত্রে ভোটে জেতা জরুরি। কিন্তু তার জন্য প্রয়োজন জনসমাজে প্রভাব বৃদ্ধি। আর সে জন্য প্রয়োজন সংগঠন। সংগঠন গড়তে চাই লড়াই আন্দোলন এবং প্রয়োজনে সমমনোভাবাপন্ন সংঘঠনের সঙ্গে বিষয়ভিত্তিক জোট বাঁধা। ভারতবর্ষে সংসদীয় গণতন্ত্রের শেকড় অতি গভীরে। মানুষ তার ভোটাধিকারকে এক অতি পবিত্র কর্তব্য বলে মনে করে শুধু নয়, সরকার নির্বাচনে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কারণে যথেষ্ট গর্ববোধও করে। সুতরাং লড়াই সংগ্রামের পাশাপাশি ভোটের লড়াইও ফেলনা নয়। তবে ভোটে সুফল পেতে হলে সারা বছর ধরে লড়াই চালাতে হবে মানুষের স্বার্থে, তাদের দাবিদাওয়ার লড়াইকে সঠিক দিশায় পরিচালিত করে। সফল আন্দোলনের মাধ্যমেই সংগঠনের শক্তিবৃদ্ধি ঘটে, সবপক্ষের সমীহ আদায়ে সক্ষম হয়। ভোট থেকে লড়াই আন্দোলন, সর্বত্রই সংগঠনের ভূমিকা অপরিসীম।

Read more


মোদি সরকার সারা দেশের জন্য “গুজরাট মডেল” চালুর চেষ্টা করেই চলেছে। কিন্তু গুজরাটের বাস্তবতা আর সারা দেশের বাস্তবতা এক নয়। গুজরাটে সম্পদের অসম বন্টন, বাণিজ্যের বাতাবরণ, গণতান্ত্রিক বোধ ইত্যাদির সঙ্গে দেশ হিসেবে ভারতে ঐক্যের চেয়ে বিভেদই বেশি। সারা দেশের কোণে কোণে যেখানে স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদের স্মৃতিচিহ্ন আবৃত, সেখানে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের আঁচ পর্যন্ত লাগেনি সেই গুজরাট রাজ্যে।

Read more


দোষী সাব্যস্ত হোক কিংবা বিচারাধীন, একজন বন্দির সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার কেড়ে নেওয়া যায় না। লঙ্ঘিত হলে তা রক্ষা করার দায়িত্ব আদালতের। আদালত সে দায়িত্ব পালন করেনি। তাঁকে তিলে তিলে মরতে দিয়েছে। কোভিডে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। বম্বে হাইকোর্টে শেষ জামিনের আবেদনে রাঁচির বাগাইচা আশ্রমে ফিরে যেতে চেয়েছিলেন আদিবাসী-প্রাণ ফাদার স্ট্যান স্বামী। আদালত তা মঞ্জুর করেনি। তবু, স্ট্যান লিখেছিলেন খাঁচাবন্দি পাখিও গাইতে পারে। তিনি বন্দি শিবিরে সহ-বন্দিদের মানবিক মুখগুলিও এঁকে রেখে গিয়েছেন।

Read more


লড়াই করে লর্ড কার্জনের বঙ্গভঙ্গ রুখে দিয়েছিল, ৭১'এর যুদ্ধে ভাই বলে ওপার বাংলার মানুষকে এপার বাংলায় ঠাঁই দিয়েছিল, যে বাঙালির বুকে আজও টাইগার হিলের সূর্যোদয়ের আলো, তারা পাহাড়, ডুয়ার্স, মল্ল রাজাদের ভূম আলাদা করতে দেবে? বঙ্গভঙ্গ ছেলেখেলা নয়। ১৯০৫ সালে হাতে রাখি পরে রাস্তায় নেমে বাঙালি গেয়ে উঠেছিল "আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।" সেই ঐতিহ্য, সেই পরম্পরা আমাদের উত্তরাধিকার। বঙ্গভঙ্গের প্রশ্ন উঠলে আমরা আবার রাখি পড়ব, রাস্তায় নামব, গণ আন্দোলন হবে।বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের উচিত অবিলম্বে সর্বভারতীয় নেতাদের হাতে একটি করে বাংলার ইতিহাস ও ভূগোলের বই ধরিয়ে দেওয়া।

Read more


লকডাউনে গরিব খেটেখাওয়া মানুষের সর্বনাশ হয়েছে, হাতে ভাতে ও মারিতে মরেছে। কাজ খুইয়েছে লাখে লাখে। অবর্ণনীয় দুর্দশার মধ্যে রাস্তায় হেঁটেছে, রেল লাইনে ট্রেনের তলায় চাপা পড়েছে। ধনী ব্যবসায়ী, শিল্পপতিরা ক্রমাগত ফুলে ফেপে আরো বড়লোক হয়েছে। বিশ্ব জুড়ে দারিদ্র বেড়েছে, বেড়েছে বেকারি। লকডাউনে কি কোভিডে মৃত্যু কমেছে? মনে তো হয় না। এই মৃত্যুর মধ্যে অনেকটাই লকডাউনের বাইপ্রোডাক্ট। অনাহারের হাত থেকে মানুষকে বাঁচাবার জন্য মারির প্রকোপ যতদিন জারি থাকবে ততদিন মানুষকে বিনামূল্যে রেশন দিতে হবে। অন্তত তিন মাস ৫০০০ টাকা প্রত্যেকের ব্যাংকের খাতায় দিতে হবে। এনরেগায় ২০০ দিনের কাজ দিতে হবে। পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য শহরে সস্তা ঘরের ব্যবস্থা করতে হবে।

Read more


মুরগী, চিংড়িচাষ, কাটাপোনা – সবইতো এখনই কোম্পানি চাষের আওতায়। দিব্যি তো চলছে। মুরগী, ডিমের দাম কমেছে কত – সস্তায় প্রোটিন পৌঁছে যাচ্ছে ঘরে ঘরে -এ কথাও শোনা যাচ্ছে আকাশে বাতাসে। কিন্তু সেই মাছের ডেডবডি, হরমোন ও অ্যান্টিবায়োটিক সমৃদ্ধ মুরগীর খাদ্যগুণের কথা আর নাই বা তুললাম। কোম্পানি এসেছে মুনাফা করতে – তার দোষ দেখিনা। কিন্তু রাশি রাশি শহুরে মানুষ এই সাব স্ট্যান্ডার্ড খাবারের পিছনে দৌড়চ্ছেন – আর রাশি রাশি গ্রামের মানুষও চাট্টি দেশী হাঁস মুরগী পুঁটিমাছ পোষার বদলে বাজার থেকে কুখাদ্য কিনে খাচ্ছেন – আর ১১৫ টা দেশের মধ্যে বিশ্ব ক্ষুধাসূচকে ১০২ নম্বর জায়গা দখল করে আমরা এখনও কোম্পানির গুন গাইছি –

Read more


লাক্ষা সাগরে মালাবার উপকূলে ভারতের কেন্দ্রশাশিত অঞ্চল লাক্ষাদ্বীপ। প্রাকৃতিক রূপ-ঐশর্য্যময় ভূমি এই প্রবাল দ্বীপপুঞ্জ। সেই আকর্ষণে এখানে ভ্রমণ-পিপাসু মানুষের যাতায়াত। লাক্ষাদ্বীপ সম্পর্কে এর বেশি বিশেষ কিছু আমরা অনেকেই জানি না। জানলেও বোধহয় আমাদের অভ্যাসের দৃষ্টিতে দ্বীপবাসীদের ঠিক বুঝতে পারি না। তবু জানা যাক। বোঝাবুঝি যা-ই হোক, জানা ভীষণ দরকার। লাক্ষাদ্বীপ এখন বর্গিহানার শিকার। লাক্ষাদ্বীপবাসী সাহায্যপ্রার্থী। এদের পাশে দাঁড়ানো জরুরি।

Read more


ভারতীয় রেল তার পরিকাঠামোর উন্নতির জন্য ভারতের করদাতা জনতার টাকায় অনেক লগ্নি করেছে, তার মধ্যে সব কিছুই যে ভারতের জনতার প্রয়োজনে এমন নয়। কেন্দ্রীয় সরকারের বাধ্যবাধকতা অনেক কেন্দ্রীয় প্রকল্পকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করার সুযোগ করে দেয়, যেমন মুম্বাই-আমেদাবাদ “বুলেট ট্রেন” প্রকল্প। কিন্তু রেলের পরিকাঠামোর অন্যান্য অনেক উন্নয়ন রেলের জন্য এবং তা আম জনতার জন্যও প্রয়োজনীয়। এমন একটা প্রকল্প দ্রুতগতি পার্শেল সরবরাহ ব্যবস্থা। পরীক্ষামূলকভাবে এই ব্যবস্থা দিল্লি ও মুম্বইয়ের মধ্যে ১১৩ দিন চালানো হয়। এই ব্যবস্থার নিশ্চিত দ্রুতগামিতায় আশ্বস্ত হয়ে আমাজন ইন্ডিয়া এই ব্যবস্থা ব্যবহার শুরু করে এবং ভারতীয় রেল শুধু আমাজন-এর কাছ থেকেই ২ কোটি টাকা লাভ করে। রেল ব্যবস্থার ছড়িয়ে পড়ার হার বেড়ে চলেছে দ্রুত গতিতে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সারা বিশ্বের রেল-বাজারে ভারতীয় রেল তৃতীয় স্থান দখল করবে, এবং বিশ্বের বাজারের ১০ শতাংশ কব্জা করবে।

Read more


বলিলাম, “মহাশয়, এক ভয়ানক মেষকাণ্ড ঘটিয়াছে।” “মেষকাণ্ড? কী কহ? ভারতীয়রা তো গোকুলেই তিষ্ঠে। তোমাদিগের বাঁকাচাঁদ সেই সেইবারে এক গো-মোকদ্দমায় আমাকে ফাঁসাইয়াছিল বলিয়া মনে পড়িতেছে, কিন্তু মেষ, … মেষ, না, স্মরণে আসিতেছে না! আর একটু বিস্তারে বলিতে হইবে।” “বাঙালির বিশেষ সৌভাগ্য গুণে বড়লাট ভবনে এক অতিশয় মহাশয়ের আগমন ঘটিয়াছে। বাঙালিদিগকে পদ্মপাঠে আপ্লুত করিয়া এক বিশেষ শ্মশ্রূধারী ভজনান্তে স্বর্ণবঙ্গ স্থাপনায় তিনি আপনাকে সম্পূর্ণ নিবেদন করিয়া রাখিয়াছেন। অথচ বঙ্গবাসী তাহা গ্রহণ করিতে সম্মত নহে, কেহ কেহ তাঁহার বাসভবনের সম্মুখের উন্মুক্ত প্রান্তরে কতিপয় মেষ লইয়া বিচরণ করিয়া গিয়াছে।” একটুখানি শ্বাসবায়ু আত্মসাত করিয়া আদি বচন সমাপ্ত করিতে প্রয়াস পাইলাম, “মহাজনকে উত্তমরূপে দর্শাইয়া। ইহাতেই সেই লাটসাহেব প্রচণ্ড কুপিত হইয়াছেন। অদ্যপি তাঁহাকে শান্ত করিতে হইবে। উপায় বলিয়া দিন মহাশয়।”

Read more


পশ্চিমবঙ্গের সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী মানুষদের কাছে নিশ্চিতভাবে স্বস্তিদায়ক।ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ ও বিজেপি আগ্রাসী হিন্দুত্বকে ভরকেন্দ্রে রেখে যেভাবে রাজ্যের নির্বাচনে বাজিমাৎ করতে চেয়েছিল তাকে সচেতন মানুষ সফল হতে দেয় নি।একই সঙ্গে এটাও সত্যি যে বিজেপির ফ্যাসিবাদী, সাম্প্রদায়িক, বিভেদকামী রাজনীতিকে উন্মোচিত করতে নন- পার্টি বিভিন্ন মঞ্চ ও ফোরাম ( নো ভোট টু বিজেপি, একুশের ডাক,দিল্লির সংগ্রামী কৃষক নেতৃত্ব, বিভিন্ন প্রগতিশীল পত্রিকা, পোর্টাল,সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল।এই পরিস্থিতিতে আগামী দিনে ফ্যাসিবাদ বিরোধী লড়াইয়ের রুপরেখা কি হবে তা নিয়ে আলোচনার লক্ষ্যে এই লেখা একটি প্রস্তাবনা মাত্র।

Read more


ভারতবর্ষের এখনকার অবস্থা নিয়ে বিদেশী পত্র পত্রিকা কি বলছে? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টাইম ম্যাগাজিনের কথা দিয়েই বলা যাক। “শক্তি ও ক্ষমতার সঙ্গে প্রয়োজন ছিল দায়িত্ববোধের। দায়িত্ব থেকে এড়িয়ে গিয়েছে সরকার। মোসাহেবরা মন্ত্রিসভায় থেকে প্রধানমন্ত্রীকে করোনা মোকাবিলার জন্য শুধু বাহবাই দিয়ে গেছেন। এদিকে, টেস্টিং মন্থর হয়েছে, আর মানুষকে আরও বেপরোয়া হতে এবং করোনাকে পাত্তা না দেওয়ায় উৎসাহিত করেছে।”

Read more


মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের নানান ধরণের জন-কল্যাণ মূলক পদক্ষেপ, মেয়েদের শিক্ষা থেকে আরম্ভ করে দলিত ও মাইনোরিটি ছাত্রদের জন্য ফেলোশিপ ইত্যাদি একটা পথ দেয় যার ফলে গোটা রাজ্যে বেশ ভালো রকম অর্থনৈতিক বৃদ্ধি হয়েছে বলে অর্থনীতিবিদরা মনে করেন। নির্বাচনোত্তর পরিস্থিতিতে ফেডেরালিজমের প্রশ্নটা নতুন করে উঠছে।

Read more


তাবড় পোল-পণ্ডিতদের মিথ্যে প্রমাণিত করে বিপুল সংখ্যাধিক্য নিয়ে ক্ষমতায় এল তৃণমূল কংগ্রেস। শেষ খবর অনুযায়ী তৃণমূলের ঝুলিতে ২১৪টি আসন। ফলে গেল প্রশান্ত কিশোরের ভবিষ্যৎবাণী। বিজেপি পার করতে পারল না দুই অঙ্ক। তাদের আসন সংখ্যা ৭৬। তৃতীয় বারের জন্য পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আপনাকে অভিনন্দন মমতা। কভার ছবি ঃ টেলিগ্রাফ পত্রিকার সামনের পাতার ছবি।

Read more


তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যকলাপের মধ্যে অনেক কিছুই আছে যা আমাদের অপছন্দ হতে পারে। তার সমালোচনা যেমন করে যেতে হবে, তেমনি তার ভুল কাজ গুলির বিরুদ্ধে প্রয়োজনে রাস্তায় ও নামতে হবে। বিজেপি কে প্রধান শত্রু হিসাবে চিহ্নিত করার অর্থ এ নয় যে বাম শক্তিগুলি কে শাসক দলের ভুল কাজগুলিকেও সমর্থন করে যেতে হবে। আগামি দিনগুলি তে তৃণমূল কংগ্রেস শাসক দল থাকুক বা নাই থাকুক, বিজেপির বিপদটা আরো বড় আকারে হাজির হতে চলেছে।

Read more


নো ভোট টু বিজেপি শুনলেই চিড়বিড়িয়ে উঠে অতিবাম-অতিবাম, চালচোর, চটিচাটা, কাটমানিখোর, তোলাবাজ বলে, ব্যক্তিচরিত্র নির্বিশেষে গাল পাড়ছে কেন? তাহলে কি সিপিএম বিজেপিকে হারানোর চাইতে, অনেক বেশি তৃণমূলের হার চাইছে? বিজেপি জিতলে জিতুক, কিন্তু হে মার্ক্সঠাকুর, মমতার দল যেন হারে। সব মিলিয়ে দাঁড়াচ্ছে, বিজেপিকে ভোট দিতে বারণ করা, আর সংযুক্ত মোর্চার বিরোধিতা করা সমার্থক। সংযুক্ত মোর্চার সাথীরা, সময়ের অভিশাপের জন্য প্রস্তুত থাকুন। আপনাদের জেতা হারায় কিছু এসে যায় না। বিজেপি জিতলে তার সহযোগী হিসেবে ধিক্কৃত হবেন, হারলেও। জিতলেও হারবেন, হারলেও হারবেন।

Read more


কেবল জাতীয় আয় বাড়লেই তো ‘সুনার বাঙ্গালা’ গড়া হয়ে যাবে না। সুশাসনের অন্যন্য সূচকগুলির কয়েকটিকে একটু খতিয়ে দেখা যাক। ২০১৫-১৬ সালের ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেল্থ সার্ভে (এনএফএইচএস ৪), এখন অবধি প্রকাশিত শেষ পূর্ণাঙ্গ জাতীয় পরিবার স্বাস্থ্য সমীক্ষা অনুসারে এনডিএ শাসিত বিহারে ৫৯ শতাংশ বাড়িতে বিদ্যুৎ পৌছেছিল (পশ্চিমবঙ্গে ৯৪ শতাংশ, কেরালায় ৯৯ শতাংশ)। যথাযোগ্য পানীয় জল ছিল এনডিএ শাসিত ঝাড়খন্ডে ৭৮ শতাংশ, মধ্যপ্রদেশে ৮৫ শতাংশ, গুজরাটে ৯১ শতাংশ বাড়িতে (পশ্চিমবঙ্গে ৯৫ শতাংশ, কেরালা ৯৯ শতাংশ)।

Read more


পশ্চিমবঙ্গের ভোটের প্রচারে মোদীর আভাবনীয় বাংলাদেশ অভিযান তাঁর নানা (অপ)কীর্তির মতোই উজ্জ্বল হয়ে থাকবে। প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ অভিযানটা এবার ছিল অবিস্মরনীয়। কারণ আমরা এই প্রথম জানতে পারলাম, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মুক্তিযুদ্ধের সমর্থনে সত্যাগ্রহ আন্দোলনে নেমে জেলেও যেতে হয় তাঁকে।

Read more


দিলীপ ঘোষ কেন প্রশ্নকর্তা মহিলাকে এই কথা বললেন? এর পিছনে আসলে কি আছে? রাজনৈতিক দলের নেতা হলেই কি এইভাবে কথা বলা যায় না উচিৎ? আসলে এর পিছনে কি মানসিকতা আছে? মহিলাদের অপমান করা বা ছোট করে দেখানোই কি উদ্দেশ্য?

Read more


যেটা একেবারেই বোঝা যাচ্ছে না, এই সব কাদার তাল নিক্ষেপন কায়দার “খেলা”-য় সিপিএম-এর এত উল্লসিত হওয়ার কারণ কী। প্রকৃতপক্ষে ২০০৭ সালের ৩ জানুয়ারি থেকেই নন্দীগ্রাম উত্তাল হয়ে ওঠে। সালেম-সান্তোসা গোষ্ঠীর সঙ্গে ইন্দোনেশিয়ায় বসে বুদ্ধবাবু কী চুক্তি করেছিলেন, কেমিক্যাল হাব নির্মাণের জন্য চিন থেকে দুর্নীতির অভিযোগে বিতাড়িত সেই গোষ্ঠীকে নন্দীগ্রামে সেজ মাফিক কী কী সুবিধা দেবেন বলেছিলেন, তার অনেক কিছুই এখনও অজানা। আশা করি কর্দম-মন্থনের শেষে একদিন সেই সব তথ্য জনগোচরে উঠে আসবে।

Read more


সম্প্রতি কলকাতায় এক নাগরিক কনভেনশনের মধ্য দিয়ে ‘ফ্যাসিস্ট আরএসএস-বিজেপির বিরুদ্ধে বাংলা’ নামে ফোরাম গড়ে ওঠে। এই ফোরাম থেকে বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ‘নো ভোট টু বিজেপি’ শ্লোগান উঠে আসে । এখন নির্বাচন পর্বে ফোরাম প্রচারে নেমে পড়েছে পুরোদমে। যুক্ত হয়েছেন সমাজকর্মী, অধ্যাপক, চাকরিজীবি, ব্যবহারজীবি, ছাত্র-যুবশক্তির একাংশ।

Read more


আমি নিজে ৩৭ বছর ধরে সার্বক্ষণিক কর্মী হিসাবে একটা দলে কাজ করে বাম জমানায় টিএমসি-র সঙ্গে রাজনৈতিক জোট করায় দল ছেড়েছিলাম। কেন না, ওরকম জোটের মধ্যে থেকে সত্যিই আমি কাজ করতে পারতাম না! আমরা বামপন্থীদেরই চাই। সিপিএম-এর রাজনীতির অন্য সমালোচনা যাই থাকুক, যদি নির্বাচনে তারা একটা সৎ, স্বচ্ছ, পরিচ্ছন্ন অবস্থান নিয়ে বিজেপি-বিরোধিতায় সদর্থক ভূমিকা পালনে ব্রতী হতেন, আমরা অন্তত নির্বাচনী সময়টুকুতে তাদের সঙ্গেই স্বচ্ছন্দ বোধ করতাম।

Read more


প্রথম থেকেই দেখে মনে হয়েছিল এটা খুব গুরুত্বপূর্ন একটা ক্যাম্পেন। কারন বিজেপি’র বিরুদ্ধে, বিশেষ প্রচারের দরকার আছে। কেন? কারন বিজেপির পক্ষে যে বিশাল ক্যাম্পেন চলছে, সেটাকে আলাদা করে কাউন্টার করার দরকার আছে। কারা করছে এই ক্যাম্পেন, বিজেপি’র পক্ষে? আর কেন এই ক্যাম্পেনের পক্ষে দাঁড়ানোটা সময়ের দাবী?

Read more


ডবল ইঞ্জিন সরকার হলেই কি সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে? ত্রিপুরাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২০১৮ সালে বলেছিলেন যে বিজেপি যদি একবার ক্ষমতায় আসে তাহলে তাঁরা সপ্তম পে কমিশন চালু করবেন, কিন্তু তার পর থেকে আর অমিত শাহ ত্রিপুরা যেতে পারেননি। উল্টে সরকারী চাকরীই লাটে উঠছে ত্রিপুরাতে। তাহলে যারা আচ্ছে দিনের স্বপ্ন দেখে গ্যাসের দাম হাজার টাকা দিচ্ছেন তাঁরা কি করে আবার সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখছেন? যাহা চকচক করে তাহাই কিন্তু সোনা নয়- এটি একটি প্রাচীন প্রবাদ।

Read more


বাম প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক শক্তির সরকারি অংশ ক্রমশ চলে যাচ্ছে পেছনে। এর জন্য দায়ী তারাই। ন্যানোবাবুদের জন্য এখনও বিরক্তিকর বিলাপ আর মমতা ব্যানার্জির প্রতি অরাজনৈতিক অসূয়া, এই দুই গাড্ডা থেকে এই ১০ বছরে বেরিয়ে আসতে পারেনি তারা। প্রচুর ইস্যু ছিল, ব্যক্তিগত অসূয়া কাটিয়ে ত্যাগ ও তিতিক্ষা নিয়ে বছরভর মাঠে থাকতে পারলে আজ জনভিত্তি অনেকটা ফিরে পেত।

Read more


অনেকে বলছেন ‘নো ভোট টু বিজেপি’ একটি নেতিবাচক শ্লোগান। প্রসঙ্গত আমরা বলতে চাই, স্পেনে ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে জেনারেল ফ্রাঙ্কোর বিরুদ্ধে বামপন্থী নেত্রী ডোলোরেস ইবারুরির বিখ্যাত স্লোগান ছিল ‘নো প্যাসারন’ অর্থাৎ পিছোব না, যা আজও প্রতিবাদী মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে আছে। তাই না মানে নেতিবাচক নয়, ইতিবাচকও বটে।

Read more


মার্কিনপন্থী ভারতীয় ও বাঙালিরা মঙ্গলগ্রহ বা নাসা নিয়ে যতই নাসাগ্র ফোলান না কেন, তাঁদের উচ্চনাসা আরো অনেকগুলো দরকারি বিষয়কে সুকৌশলে এড়িয়ে যান। মঙ্গলগ্রহে যাবার অতি অবিশ্বাস্য অঙ্কের অর্ধেক ব্যয় করলে আমেরিকার মানুষের পেট ভরে খাওয়া জুটতো, মাথার ওপরে ছাদ জুটতো, আর স্বাস্থ্যসঙ্কট, শিক্ষাসঙ্কট, পরিবেশ ও জলবায়ুসঙ্কট থেকে মুক্ত হওয়া যেতো।

Read more


রাস্তায় কৃষকরা বসে থাকুন ঠান্ডায় গরমে বর্ষায়। ছবি না হলেই হলো। টিভিতে যেন দেখানো না হয়, নেটে যেন ঘুরে না বেড়ায়। আজকের ফ্যাসিস্টদের ধারণা, ছবির ওপরই সব নির্ভর করে, ছবি দেখানো কিম্বা তোলা যদি বন্ধ করে দেওয়া যায়, রাষ্ট্ৰবিরোধী আন্দোলনও বন্ধ হয়ে যাবে।

Read more


ধরেই নিচ্ছি, মতুয়াদের বেনাগরিক বানিয়ে আবার নাগরিক করা হবে, একটা গেরুয়া নাগরিকত্বের কার্ড দেওয়া হবে। সমস্ত ভারতীয়র টিকাকরণের পর মতুয়ারা ‘নাগরিকত্ব’ পাবেন, এই কথা যদি অতি কষ্টে মেনে নিই তাহলে ক্ষতি কী? দেখে নিই চলুন। ২৬ দিনে ভারতে ৭০ লক্ষ মানুষকে টিকা দিয়েছে সরকার। বিশ্বরেকর্ড। ভাবাই যায় না। অতএব, সহজ অঙ্কে ভারতের ১৩০ কোটি লোককে ভ্যাকসিন দিতে সময় লাগবে ৪৪২০ দিন অর্থাৎ ১২ বছরের কিছু বেশি সময়। ইতিমধ্যে বহু শিশু জন্মাবে, তাদের টিকা দিতে আরও কয়েক বছর লাগবে। অর্থাৎ, মোট সময় লাগবে কমপক্ষে ১৪ বছর।

Read more


বাংলা ভাষার সম্মান ও অধিকারের জন্য বাহান্নর একুশে ফেব্রুয়ারি ঢাকার রাজপথে ঝরা সেই রক্ত থেকেই ভাষা দিবস। আর দু দশক পরে স্বাধীন বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশ। সেই ভাষা দিবস আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। একুশে ফেব্রুয়ারীর অমোঘ শিক্ষা - বহু ভাষাভাষী সমাজে ধর্ম দিয়ে দেশ হয় না, জোর করে বানিয়ে দিলেও ধরে রাখা যায় না। এক দেশ বলে এক ধর্ম, এক ভাষা, এক দল, এক নেতা কখনোই চলে না, চলতে পারে না। এ বছর, ২০২১ সাল আর এবছর একুশে ফেব্রুয়ারী তাই অন্য মাত্রা নিয়ে আসছে। তাই এবারের একুশের ডাক - ফ্যাসিবাদ নিপাত যাক। বাংলার উদার ঐতিহ্য জিন্দাবাদ। প্রতিবাদের ভাষা, প্রতিরোধের আগুন দ্বিগুণ শক্তিতে জ্বলে উঠুক।

Read more


ইন্দিরা জমানার জরুরী অবস্থা কালে অনেক সাংবাদিককে জেলে পাঠানো হলেও তাঁদের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহের অভিযোগ প্রবীণরা মনে করতে পারছেন না। বস্তূত মোদি- শাহ- আদানি-আম্বানিদের রাজত্বে দীর্ঘতর অঘোষিত জরুরি অবস্থা চলছে। এই মুহূর্তে পরঞ্জয়ের মতো প্রবীণ ও মনপ্রিতের মতো তরুণ সাংবাদিকদের পাশে দাঁড়ানো নাগরিক হিসেবে আমাদের কর্তব্য। স্বাধীনচেতা সাংবাদিকরা আজ বিপন্ন। লিখলেন প্রবীণ সাংবাদিক বিশ্বজিৎ রায়।

Read more


মহাত্মা যদি বীরপুরুষ হতেন কিংবা লড়াই করতেন তবে আমরা এমনি করে আজ ওঁকে স্মরণ করতুম না। কারণ, লড়াই করার মতো বীরপুরুষ এবং বড়ো বড়ো সেনাপতি পৃথিবীতে অনেক জন্মগ্রহণ করেছেন। মানুষের যুদ্ধ ধর্মযুদ্ধ, নৈতিক যুদ্ধ। ধর্মযুদ্ধের ভিতরেও নিষ্ঠুরতা আছে, তা গীতা ও মহাভারতে পেয়েছি। তার মধ্যে বাহুবলেরও স্থান আছে কি না এ নিয়ে শাস্ত্রের তর্ক তুলব না। কিন্তু এই যে একটা অনুশাসন, মরব তবু মারব না, এবং এই করেই জয়ী হব— এ একটা মস্ত বড়ো কথা, একটা বাণী। আজ মহাত্মাকে যারা খুন করেছিল তাঁরা উল্লাস প্রকাশ করছেন, আমাদের ও কি সেই দিনটাকে ফিরে দেখা উচিৎ নয়?

Read more


অন্নদাতারা জীবন বাজী রেখে নিজেদের ও আপামর দেশবাসীকেও আজ রক্ষার দায়িত্ব নিয়েছেন। এই লড়াই কর্পোরেট শক্তির সঙ্গে কৃষক সমাজের লড়াই। যদি আমরা আজ কৃষকদের পাশে থেকে এই মরণপণ লড়াইয়ে সামান্য সাহায্যটুকুও না করি, ইতিহাস আমাদের কোনওদিন ক্ষমা করবে না। কৃষক সমাজ শেষ হয়ে গেলে ধরিত্রীর মাটিও শুকিয়ে কালো হয়ে যাবে।

Read more


প্রধান বিচারপতি বোবদের নিষেধকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে নারী আন্দোলনকারীরা কৃষক আন্দোলনের সামনের সারিতে সদম্ভে থেকে গেলেন। কৃষি আইনে মহিলা কৃষকদের ন্যায্য মজুরি, স্বীকৃতি বা কর্মক্ষেত্রে সামাজিক সুরক্ষার কোনও উল্লেখ নেই। বরং কর্পোরেটের হাতে কৃষিক্ষেত্র তুলে দিয়ে কৃষক নারীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক শোষণ বৃদ্ধির চক্রান্ত, তা বুঝতে নারী-কৃষকেরা ভুল করেননি।

Read more


যে আইন বাতিলের দাবিতে আন্দোলনের ঝড় উঠেছে, তার প্রয়োগে আদালতের স্থগিতাদেশ, অযাচিত ভাবে কমিটি গঠন, কৃষকদের সেই কমিটি প্রত্যাখ্যান এবং অবশেষে কমিটির সদস্যেরই অব্যাহতি কি বিচারবিভাগের প্রতি অনাস্থাকেই বাড়িয়ে দিল না ?

Read more


বিদেশে বসবাসকারী ভারতীয়রা সবাই কি এই বিজেপির রাজনীতি সম্পর্কে সম্যক জানেন, তাহলে কেন তাঁদের এই পোষ্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ানোর এতো তোড়জোড় ? তাহলে কি অবিজেপি রাজ্যগুলো দখল করে আগামী কয়েকবছরে সংবিধান বদল করে ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণা করাটাই বিজেপির উদ্দেশ্য ? নাগরিক পরিসর থেকেও কি এর বিরুদ্ধে আওয়াজ ওঠা জরুরী নয় ?

Read more


রাজনৈতিক মতাদর্শ ঠিক কতটা প্রভাব বিস্তার করে জীবনে ও যাপনে? সুজাতা মণ্ডল থেকে তাপসী মণ্ডল, সম্পূর্ণ ভিন্ন মেরুর রাজনৈতিক বিশ্বাসে দিন যাপন করবার পরও, কোথায় গিয়ে মিলে যান?

Read more

by তাপস দাশ | 26 December, 2020 | 0 Comment(s) | 1545 | Tags : BJP TMC Soumitra Khan


বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিরচিত "জন গণ মন অধিনায়ক" গানটি ১৯৫০ সালের ২৪শে জানুয়ারি জাতীয় সংগীত হিসাবে গৃহীত হয়। বিরোধিতা সত্ত্বেও স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জহরলাল নেহেরুর নেতৃত্বে, রাজেন্দ্র প্রসাদের উপস্থিতিতে কনস্টিটিউয়েন্ট এসেম্বলির প্রতিটি সদস্য সমবেত ভাবে "জন গণ মন" গেয়ে গানটিকে ভারতের জাতীয়সংগীত হিসাবে সিলমোহর দেন। এখন এটা বদলানোর চিন্তাভাবনা চলছে। কিন্তু তার উদ্দেশ্য কি?

Read more


মানুষের শ্রম-শক্তি আর প্রকৃতির বৈচিত্র দুটোই ন্যাচারাল , দুটোই পুঁজির বিরুদ্ধে লড়ে চলেছে এক বেঁচে থাকার লড়াই। কারণ পুঁজি শুধুই এক-করন চায়, পৃথিবীর প্রতিটি দেশেই , প্রতিটি জনপদেই গড়ে উঠেছিল নিজস্ব শুশ্রুষা ব্যবস্থা, নতুন সৃজন, নতুন ফসল উৎপাদন এবং নতুন জীবনচর্যা। সমস্ত কিছুর ওপর দিয়ে বুলডোজার চলছে , বন্ধ হচ্ছে প্রাকৃতিক চিকিৎসা, প্রাকৃতিক ওষুধ, প্রাকৃতিক পথ্য, প্রাকৃতিক সেবা পদ্ধতি, এবং প্রাকৃতিক উৎসব - ঠিক একই কারণে এবং একই ধাঁচায় একই এক-করণের সেই বুলডোজারি ক্রিয়াকলাপে।

Read more


আন্তঃধর্ম বিবাহ নিয়ে রাজনীতি হিন্দুসভার সময় থেকে শুধু নয়। আর্যসমাজের বয়ানেও এসব ছিল। বর্তমানে হিন্দুত্ববাদীরা এরই নাম দিয়েছে 'লাভ জিহাদ'। প্রেমের অছিলায় অন্য ধর্মের প্রতি ইসলামের জিহাদ— এই রকম একটি কনস্পিরেসি থিওরির জন্ম তাঁরা দিয়েছেন। এটা তাদের নির্বাচনী অ্যাজেন্ডাও বটে।

Read more


ট্রেড ইউনিয়ন শ্রমিকশ্রেণীর শিক্ষাগার। আবার ট্রেড ইউনিয়নকেই ধান্দাবাজি আর দলবাজিরও হাতিয়ার করা হয়। কীভাবে শ্রমিকদের নিজস্ব আন্দোলনের সাথে সাধারণ জনতার প্রশ্নকে এক করে তোলা যায়, সেটা একটা বড় প্রশ্ন। সেকথা মাথায় রেখে এই লেখা।

Read more

by ধীমান বসাক | 06 November, 2020 | 0 Comment(s) | 1512 | Tags : local train pandemic


আজ, ৫ নভেম্বর দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের (১৮৭০ - ১৯২৫) জন্মদিন। তাঁর প্রতি রইলো আমাদের শ্রদ্ধার্ঘ্য। তাঁর সম্প্রীতির আদর্শটি আজ অনুধাবন করা খুবই দরকার। সেই কথা মাথায় রেখেই এই লেখা।

Read more


এই লেখা যখন লেখা হচ্ছে তখনো নির্বাচন সম্পন্ন হয়নি আমেরিকায়। পৃথিবীর প্রাচীনতম গণতন্ত্রের ভাগ্য নির্ধারিত হতে আর কয়েক ঘন্টা বাকি। আমেরিকা প্রবাসীর চোখে মার্কিন নির্বাচন ও নির্বাচকদের নিয়ে এক বিশ্লেষণী আলেখ্য।

Read more


রামমন্দিরের ভিত্তিস্থাপনের প্রক্রিয়ায় ‘পূজন’ মহোৎসবের ঢক্কানিনাদের আড়ালে কাশ্মিরের ক্ষুব্ধ জনসাধারণের কণ্ঠস্বর যাতে প্রকম্পন তুলতে না পারে তার ব্যবস্থা হয়েছে। সারাদেশ এখন রামমহিমায় ম ম করছে! আগামি দিনগুলোতে হিন্দুত্ববাদিদের নতুন নতুন মহড়ার কলাক্ষেত্র তারই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে চলেছে।

Read more


সরকারি কোনো প্রকল্প বা সহায়তায় নয়, পরভূমে মাথা গুঁজে থেকে, কায়ক্লেশে নিজেদের ভাগ্য নিজেরা গড়ে নিয়েছে। কিন্তু মুসলিমদের আত্মবিশ্বাস-আত্মনির্ভরতা ভেঙে দিতে এ রাজ্যের মুসলিমদের সন্ত্রাসবাদের নামে চিহ্নিত করছে কেন্দ্র সরকার। বাংলার মুসলিমরা তা হলে দাঁড়াবে কোথায়?

Read more


নদী ভাঙন প্রতিরোধ সমেত হাজারো গাল ভরা প্রতিশ্রুতি দিয়ে দেশের অন্যতম দরিদ্র অঞ্চল জঙ্গিপুর থেকে প্রণব মুখার্জি দু-দুবার সাংসদ নির্বাচিত হয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতার শীর্ষে থেকেছেন। রাষ্ট্রপতি হয়েছেন। কিন্তু তাঁর ভোটারদের জন্য কিছুই করেননি। আশাভঙ্গের সেই বৃত্তান্ত।

Read more


ধর্ষকের সমর্থনে তার স্বজাতি বা স্ববর্ণ-র পুরুষ ( কখনও আবার মহিলাও) পথে নামছে, প্রকাশ্যে ধর্না দিচ্ছে বা মিছিল করছে, এরকম নজির তার মানে বাড়ছে। এরকম নজির যত বাড়ছে, ততই স্পষ্ট হচ্ছে, ধর্ষণ একটি সামাজিক অপরাধ, ব্যক্তির বিকৃতি নয়। কোথাও ধর্ষণে নারীবিদ্বেষের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে ধর্মীয় বিদ্বেষ, কোথাও বর্ণবিদ্বেষ৷ কিন্তু এই সকল প্রকার বিদ্বেষ, যতটা না ব্যক্তিগত, তার চেয়ে অনেক বেশি সামাজিক।

Read more


অনেকের এই নামটা শুনেই সন্ত্রাসবাদী, মৌলবাদী বলে মনে হতে পারে। একটা অংশের মানুষ খুব সহজেই বিশ্বাস করবেন যে আমার দ্বারাই তো এই সব সম্ভব, আমার ফাঁসি হওয়া উচিত।

Read more


দেশ, বিদেশের নানান প্রান্ত থেকে সংহতি জানিয়ে মেইল আসছে। কে নেই? সালমান রুশদি, নোয়াম চমস্কি থেকে শুরু করে অরুন্ধুতি রায়, পি সাইনাথ, হর্ষ মান্দার সহ অন্যান্যরা পাশে দাঁড়াচ্ছেন। প্রায় ২০০ জন মানুষ উমরের মুক্তির দাবীতে সরব হয়েছেন এবং আগামীদিনে আরও মানুষ উমরের জন্য রাস্তায় হাঁটবেন এটা আমি বিশ্বাস করি। শুধু উমর নয়, ২৮ বছরের গুলফিশা, যিনি গত ৬ মাস ধরে জেলে আছেন , অত্যাচার সহ্য করছেন সবার মুক্তির দাবীতে একদিন রাস্তা মুখর হয়ে উঠবে সেই বিশ্বাস আমি করি, এবং আমি জানি আমার এই বিশ্বাস একদিন নিশ্চিত সত্যি হবে।

Read more


ভারতেও আজকে যে কথা উঠেছে যে তারা তাদের ব্যবসার জন্য শাসকদলের কিছু নেতা মন্ত্রীর করা ঘৃণা ও বিদ্বেষমূলক পোস্টকে সরায়নি তা আবারও দেখিয়ে দেয় যে তৃতীয় বিশ্বের দেশে তাদের কোনও নিয়ম নেই। আমেরিকাতে তারা যেমন কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা দিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে প্রভাবিত করে, অন্যান্য পিছিয়ে পড়া দেশে তারা তাদের ব্যবসার জন্য গৃহযুদ্ধ কিংবা গণহত্যার মতো ঘটনাও ঘটাতে পারে ফেসবুক

Read more


পরাধীন ভারতবর্ষ দেখেছে “Hand Picked Tribunal”. দেখেছে ভগৎ সিং-এর ফাঁসির রায়। স্বাধীন ভারতবর্ষ দেখতে চায় এক ন্যায় সঙ্গত সুবিচারক; যে বা যারা রাষ্ট্র শক্তি দ্বারা প্রভাবিত নয়। শুধুমাত্র তথ্য প্রমাণ আইন ও তার ব্যাখ্যা দিয়ে নয়, একজন বিচারক সঠিক বিচার তখনই দিতে পারেন যখন দেশের অধিকাংশ মানুষের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থান সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকবে।

Read more


“যখন ওরা প্রথমে কমিউনিস্টদের জন্য এসেছিল, আমি কোনো কথা বলিনি কারণ আমি কমিউনিস্ট নই। শেষবার ওরা ফিরে এলো আমাকে ধরে নিয়ে যেতে, আমার পক্ষে কেউ কোনো কথা বলল না, কারণ বলার মত তখন কেউ আর বেঁচে ছিল না” এই ফ্যাসিস্টরা তাঁদের ক্ষমতার স্বার্থে যদি প্রয়োজন পরে কাউকে রেয়াত করবে না, দরকারে ফাঁসাবে যে কাউকে। হয়তো তখন কেউ থাকবে না বলার জন্য!

Read more


করোনা হয়তো প্রাকৃতিক নিয়মে একদিন লুপ্ত হবে। তা বিজ্ঞানের অগ্রগতির জন্যে যত দ্রুত হয় ততই মঙ্গল। কিন্তু করোনা পরবর্তী পৃথিবীকে ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের হাত থেকে বাঁচাতে কাজে লাগাতে হবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে।

Read more


আজকের ভারতের সময়ের সঙ্গে চিলির কি অদ্ভুত মিল। সেইসময়েও পিনোশে ক্ষমতায় থাকাকালীন সরকারী খনিগুলিকে বেসরকারী করা করা, সামাজিক সুরক্ষা ভেঙে দেওয়া হয়, আর ভূমি সংস্কার উল্টে দিয়ে গরিব কৃষকদের জমি কেড়ে আমেরিকার বহুজাতিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এই অর্থনৈতিক ত্রাসের সাথে সাথে চলেছিল রাজনৈতিক নিধন যজ্ঞ - যার পোশাকি নাম ‘অপারেশন কন্ডর’।

Read more


এই মুহূর্তে এই প্রযুক্তিনির্ভর কোম্পানিগুলো চায় যে প্রতিটি মানুষ যাতে স্মার্টফোনে ব্যস্ত থাকে, তাঁদের যাতে দেশের বেকারত্ব, জিডিপি বা চাকরি যাওয়া এই সমস্ত বিষয়ের দিকে নজর না যায়। বিভিন্ন বয়সী মানুষের জন্য বিভিন্ন বিনোদন। কম বয়সী মানুষদের জন্য জাতীয়তাবাদী বিনোদন, তার পরের অংশের মানুষের জন্য জুয়া খেলা... আর সববয়সী মানুষকে ফেসবুক এবং হোয়াটসআপের মধ্যে দিয়ে মিথ্যে তথ্য পরিবেশন তো থাকছেই।

Read more


প্রথাগত সংবাদপত্রের তুলনায় অনেক বেশি জনমত গড়ে তলা সম্ভব সোশ্যাল মিডিয়ার সাহায্যে।তার একটি বড় কারণ হল মাধ্যমটি ইন্টেরাক্টিভ। এর মধ্যে অডিও,ভিসুয়াল, প্রিন্ট,এমনকী লাইভ স্ট্রিমিং এর মতো এতগুলো প্ল্যাটফর্ম রয়েছে! কিন্তু এই সামাজিক মাধ্যমের বিপদ সম্পর্কে সচেতন থাকাটা জরুরী।

Read more


গ্রিন ট্রাইব্যুনাল বিশ্বভারতীকে নিজের সীমানা নির্ধারণ করার নির্দেশ দিয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রেখেও সেটা হয়তো করা যেত। সেজন্য দরকার ছিল আলোচনা। ঔদ্ধত্য এবং অহঙ্কার সমস্যা বাড়ায়। সেটাই ঘটেছে শান্তিনিকেতনে।

Read more


কুকুর নাগাল্যান্ডের কয়েকটি ট্রাইবের কাছে কেবল আহারযোগ্য মাংস নয়— তাদের চিরায়ত খাদ্য সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের সঙ্গে ওতপ্রোত হয়ে রয়েছে। যেমন বাঙালির কাছে মাছ কিংবা ভারতের বহু জনগোষ্ঠীর কাছে শুয়োর। কুকুরের মাংসে নিষেধাজ্ঞা উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উপজাতি মানুষের বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে— তার মধ্যে হিংসা, ঘৃণা এবং জাতপাত সবই রয়েছে।

Read more


আমাদের সন্তানরা যখন বড় হবে, তখন হয় আজকের এই অন্ধকার আর থাকবে না, নয় গাঢ়তর হবে। তখন তাদের যা যা পড়াতে হবে কিভাবে এই অন্ধকার কাটল তা বোঝানোর জন্য, অথবা কেন কাটল না তা বোঝানোর জন্যও যখন বলতে হবে অন্ধকারেও কারা আলো জ্বেলে রেখেছিল, তখন কাজে আসবে সুপ্রিম কোর্টে আদালত অবমাননায় দোষী সাব্যস্ত প্রশান্ত ভূষণের এই বিবৃতি

Read more


চার মাস পরেও করোনা পরিস্থিতি বে-লাগাম কেন, এটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন। প্রশ্ন তো আরও। মানুষ কতদিন লকডাউনের বোঝা বইবে? দেশ আর কত ক্ষয়ক্ষতি মানবে? নিম্নবর্গের মানুষজনের এই ধকল সহ্য করার ক্ষমতাটুকুও যে আর অবশিষ্ট নেই।

Read more


বিশেষ মর্যাদার বিলুপ্তি এবং কাশ্মীর থেকে বিযুক্তির পরে লাদাখিদের আশঙ্কা: মারোয়ারি, গুজরাটি বা পাঞ্জাবি ব্যবসায়ীরা লাদাখে গিয়ে জমি কিনে জাঁকিয়ে ব্যবসা জমাবে না তো। রিয়াল এস্টেট ব্যবসায়ী আর হোটেল ব্যবসায়ীদের আটকাতে তাঁরা চান সংবিধানের ষষ্ঠ কিংবা সপ্তম তফশিলির অন্তর্ভুক্তি।

Read more


মসজিদের ধ্বংসস্তূপে মন্দিরের ভিত গড়া হবে, উদ্বোধন করবেন এক 'সমাজতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ' রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী। একুশ শতকের ভারতের এক রাষ্ট্রনেতা। বেশীর ভাগ রাজনৈতিক দল হয় সম্মতি জানিয়েছে নয় মৌন থেকেছে। গোটা বাবরি মসজিদ-রাম জন্মভূমির বিবাদের গল্পটাই দাঁড়িয়ে আছে এক প্রতীকী লড়াইয়ের ওপর। কারোর কাছে ঐ মসজিদ ভাঙাটা তাদের ওপর আক্রমণ ও লাঞ্ছনার প্রতীক, কারোর কাছে সেটা বিদেশী বিধর্মীদের চিহ্ন বিলোপ করে এক নতুন ভারত গড়ার প্রতীক।

Read more


এখন গঞ্জ এলাকার স্কুলশিক্ষিকা স্ত্রীর কাছেও শুনি, অনেক ছাত্রীর মেধা থাকা সত্ত্বেও বিয়ে হয়ে যায় মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়ার আগেই। বেশি লেখাপড়া শিখলে পাত্র পাওয়া মুশকিল হবে, বরপণের অঙ্কটা তখন নাগালের বাইরে চলে যাবে। অনেক ছাত্রী স্কুলে এসে থেকে কেবল জানতে চায় কখন মিড ডে মিল পাওয়া যাবে, কারণ বাড়ি থেকে ভরপেট ভাত খেয়ে আসার সৌভাগ্য তাদের হয় না। এই আমাদের দেশ। এ দেশের শিক্ষানীতি নিয়ে আমরা কথা বলছি।

Read more


একশো দিনের কাজের পরিমাণ কয়েকগুণ বাড়ানো, তার জন্য অর্থবরাদ্দের জন্য চাপ সৃষ্টি, মিউনিসিপাল এলাকায় এরকম প্রকল্প চালু করা, অভিবাসী শ্রমিক সহ কর্মচ্যুত সমস্ত মানুষকে নগদ অর্থ দেওয়া, কারখানার শ্রমিকদের বন্ধের সময়ের মজুরীর দাবী, সারা ভারত জুড়ে অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য বাসস্থান ও স্বাস্থ্য সহ সামাজিক নিরাপত্তা দাবী করা, নতুন আইন তৈরীর দাবী তুলে ধরার মধ্যে দিয়ে এলাকা জেলা রাজ্য ভারতজোড়া স্তরে সেই কাজ শুরু হতে পারে।

Read more


লক-ডাউনের পর থেকে এই সকল খেটে খাওয়া পরিবারগুলি রোজগার-বিহীন। যে পরিবারগুলির মহিলারা আশেপাশের পাড়ায় পরিচারিকার কাজ করেন, তাদের রোজগার একদম না চলে গেলেও, তার পরিমাণ কমেছে। কারণ বহু বাড়ি তাদের শুধু কাজে আসতে বারণ ই করেনি, তাদের প্রাপ্য মাস-মাইনে থেকেও টাকা কেটে নিয়েছে বা মাইনে দেয়নি। শহরতলির চিত্র আঁকা থাকলো।

Read more


করোনা চলে যাবে না করোনাকে সঙ্গে নিয়ে মানুষকে থাকতে হবে সেটা পরের বিষয়। প্রকৃতির প্রতি অবমাননা করোনা পরবর্তী পৃথিবীকে আবার নতুন ভাবে ভাবতে বাধ্য করবে মানব জীবনের সূক্ষ্ম মনুষ্যত্বের বিকাশ কে আবার ফিরিয়ে আনা যায় কিনা!

Read more


ভারতে জনস্বাস্থ্যের অপ্রতুল ব্যবস্থাপনার পরিস্থিতিতে কেন্দ্র ও আর সব রাজ্য সরকারগুলির উচিত ছিল যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ও সংবেদনশীল দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে মানুষের কাছে পৌঁছনো, মানুষকে সঙ্গে নিয়ে এগোনো। লকডাউন সেখানে অপৎকালীন ব্যবস্থাপনা হতে পারত। তা হ’লে হয়তো আর্থিক ও মানবসম্পদের ক্ষতি অনেকটা এড়ানো যেত। এদিকে না হেঁটে লকডাউনকেই সর্বরোগহর দাওয়াই বাতলে যান্ত্রিকভাবে প্রয়োগ করা হ’ল

Read more


স্বাধীনতার এতগুলো বছর পেরিয়েও দেশের সবরকম খাবার সবার মুখে পৌঁছে দেওয়া গেলনা।এ দায় কার?রাষ্ট্রের।সব মনে রাখা হবে।

Read more


তেলেঙ্গানাতে এক ৮০ বছরের বয়স্ক মহিলাকে তাঁর বাড়িতে ঢুকতে দেওয়া হয়নি, যদি তিনি করোনার বাহক হন, এই ভয়ে। এই বাংলার এক পরিযায়ী শ্রমিক জলপাইগুড়িতে ফিরেছিলেন কেরালা থেকে। সরকারী নিয়মের মান্যতা দিয়ে তাঁর স্ত্রী তাঁকে বাড়ির রান্নাঘরে থাকতে দেন। একদিন পর তাঁকে খাবার দিতে গিয়ে দেখা যায় যে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। ‘ মনে রাখবেন আমাদের রোগের সঙ্গে লড়তে হবে, রুগীর সঙ্গে নয়’ এটা প্রতিদিন হয়তো আমরা বহুবার শুনছি, কিন্তু আদপে কি করছি সেটা মনে করার কি সময় এখনও হয়নি?

Read more


শেষ ভাল যার সব ভাল।অথচ সেই সেসের টাকাই খরচ না করে জমিয়ে সরকার মাসে মাসে সুদ খাচ্ছেন।সেখানে পরিযায়ী শ্রমিকদের ভবিতব‍্য ভাল না হওয়াই স্বাভাবিক।

Read more


অতিমারির অছিলায় সরকারি-অসরকারি কর্মকর্তাদের যে অতি-আচার নামিয়ে আনা হ’ল ওদের জীবনে, তার কি কোনো প্রয়োজন ছিল? এপ্রশ্নের উত্তর মিলবে না, ওরা জেনে গেছে। আর এখান থেকে ওরা ভয় পায় নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে। লকডাউনের জের কতদিন চলবে, জানা নেই। ওদের পুরনো কাজের জায়গায় ফিরে যাওয়া কি সহজ হবে? লকডাউনের জেরে ব্যবসাপত্র সবকিছুতে মন্দা নেমে এসেছে। সরকার টাকা ঢালবে না পরিযায়ী শ্রমিকদের কথা

Read more


সাতাশ বছরের ছাত্রীর ভবিষ্যৎ জেলের কালকুঠুরিতে অপেক্ষার দীর্ঘশ্বাসে আটকে। অনিশ্চয়তার যাপনে আতঙ্কিত পরিবার। গর্ভের বাচ্চা গরাদের বাইরে খোলা আকাশের নীচে এক টুকরো তাজা হাওয়ায় অপেক্ষায়। মেয়েটির নাম সাফুরা জারগর

Read more


সরকার কি আদতে দেশের প্রত্যেক নাগরিকের প্রতিটি পদক্ষেপকে নজরে রাখতে চাইছে? আধারের সঙ্গে থাকা বায়োমেট্রিক্স সহ বিশাল তথ্য ভাণ্ডার কি ধীরে ধীরে আইনত নজরদারির কাজে ব্যবহৃত হবে? অদূর ভবিষ্যতে আমরা কি এমন কোনও দেশ দেখতে চলেছি; যেখানে সর্বত্র মনে করিয়ে দেওয়া হবে-"BIG BROTHER IS WATCHING YOU"?

Read more


গত মার্চ মাসে কেন লক ডাউন হল সারা দেশে? সত্যিই কি সংক্রমণ আটকালো তাতে, বা কম হল? যদি বৃদ্ধি পেয়ে থাকে তবে কেন লক ডাউন উঠে গেল? এই প্রশ্ন করবেন না?

Read more


মাইলের পর মাইল অনন্ত হেঁটে চলেছে ভারতের শ্রমিকেরা। তারা ভারত গড়ার কারিগর। ঘরে ফেরার অসহায় আর্তি নিয়ে আজ তারা পদাতিক। কারও নিথর দেহে ঘরে ফেরা। কেউ লাশকাটা ঘরে বেওয়ারিশ। আর অবশেষে দেহে প্রাণ নিয়ে ঘর অবধি পৌঁছনো, সে যেন ভাঙচুর হয়ে যাওয়া দেহ-মনের পরম ক্ষান্তি।

Read more


সারা দেশের গালে একটি বিরাশি সিক্কার থাপ্পড় অজান্তেই মারল একটি টলমলে শিশু , বিহারের মুজফ্ফরপুর স্টেশনের এক প্ল্যাটফর্মে শুইয়ে রাখা তার মরা মায়ের গায়ের চাদর দিয়ে বোধহয় মায়ের সঙ্গেই টুকিটুকি খেলার চেষ্টা করছে। অফ দ্য পিপল , বাই দ্য পিপল , ফর দ্য পিপলের মধ্যে কিন্তু ঐ টলমলে দুধের শিশু আর তার মরা মায়েরও থাকার কথা ছিল

Read more


আম্পান বিপর্যয় নিয়ে চর্চায় বাংলার রাজনীতিতে অন্যতর এক হৈচৈ শোনা গেল। রাজনীতি নিয়ে নয়, হৈচৈ মানবিকতা নিয়ে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দেশের প্রধানমন্ত্রীকে আহ্বান জানিয়েছিলেন, রাজ্যে আম্পানের তাণ্ডবে কী বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তিনি এসে স্বচক্ষে দেখে যান। অর্থাৎ মানবিকতার আহ্বানে সাড়া পাওয়া গেল  মানবিকতারই খাতিরে।

Read more


প্রথম বিশ্বের দেশও যখন এই ভাইরাসের খপ্পরে পড়ে তখন তড়িঘড়ি তা সংবাদ শিরোনামে; তাই ঘটেছে এবারেও। এই মুহূর্তে পরিযায়ী, কাজহীন শ্রমিকের ঢল রাজ্যে রাজ্যে; তারা অনেকেই এই রোগে আক্রান্ত; নিভৃত গৃহবাস ক’জনের সম্ভব তা অনুমেয়। ১০০০-১৫০০ কিলোমিটার পথ গোরুর মতো গাদাগাদি করে ট্রাকে, পায়ে হেঁটে, সাইকেলে, অভুক্ত আর অনাহারে থেকে  স্বাভাবিক Immunity-ই তলানিতে

Read more


মধ্যবিত্ত ঘরে বসে। লকডাউন ডিপ্রেশন উদযাপন করছে। আর লক্ষ লক্ষ শ্রমিক হেঁটে চলেছেন অনন্যোপায় হয়ে। মৃত্যুমিছিল চলছে। এরই মাঝে রামমন্দিরের টাকার বন্দোবস্ত হয়েছে। দেশের সবকিছু বিক্রি করা হয়েছে। আমাদের হেলদোল নেই। এই নিয়ে পরে আলোচনা করব, কিন্তু আদত সত্যিটা একটু বলে যাই। সেটা হোলো আপনার আমার এখনও শোকের অবকাশ আছে। ভয়ানক ডিপ্রেশন হলে এই খবর এড়িয়ে যাবার ক্ষমতা আছে। অনেকের নেই। শ্রমিকের নেই।

Read more


আজ গোটা ভারত তাদেরকে পরিযায়ী শ্রমিক বলছে, তাদের কথা ভাবছে। কাস্তে হাতুড়ি, পদ্ম ফুল থেকে শুরু করে ঘাস ফুল সবাই টিভিতে দুঃখ প্রকাশ করছে, অনেক উপদেশ দিচ্ছে এবং একে অপরকে দোষারোপ করছে। আসল কথা হল এরা কারা, এই মহামারির আগে কি তারা এই দেশের কেউ ছিল না, নাকি সেই সময় কোনো ফুল মালিকের সময় হয়নি নিজের ক্ষেতের ফসলের দিকে চোখ দেওয়ার?

Read more


কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি আমরা, আজ বুদ্ধ পূর্ণিমা আর আগামী কাল বিশ্বকবির আবির্ভাব তিথি। এই প্রথম বার আমরা দুই মহামানবের জন্মতিথি ঘরে বসে পালন করছি, নিজেদের মতন করে। বর্তমান বিষম পরিস্থিতিতে এঁদের দেখানো পথের প্রাসঙ্গিকতা বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করেছে এই প্রবন্ধ টি।

Read more


আমাদের দেশে ফি বছর যক্ষায় ৪ লক্ষ ৪০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। ২০১৯ সালে মৃত্যু হয়েছে আট লক্ষেরও বেশি নবজাতকের। সে তুলনায় করোনায় মৃতের সংখ্যা কত? কিন্তু তার জন্য কত দাম দিতে হবে ভারতবাসীকে?

Read more


বিভেদ-বিদ্বেষের রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকতায় চালিত গণপ্রহারের প্রবণতাকে লক্ষ্মণরেখায় আবদ্ধ করে রাখা অসম্ভব। গণপ্রহারের প্রবণতা আসলে সামাজিক বিচারধারার এক বিকৃতি। তাতে সমাজের যে অংশটা জড়িত, তারা সামাজিক প্রবণতার বাইরে নয়। ফলে রাজনৈতিক স্বার্থের বাইরেও তারা এরকম সংগঠিত অপকর্ম চালাবে। তাদের প্রতি শাসকশক্তির পক্ষপাতিত্ব থাকবে, এটা যখন নিশ্চিত, তখন তারা বেপরোয়াই হবে।

Read more


করোনা-উত্তর পৃথিবীতে ওই ভেতরের মানুষের কি অভিষেক হবে এক সীমান্তহীন পৃথিবীতে? মানুষ কি আপন থেকে বাহির হয়ে বাইরে দাঁড়িয়ে বিশ্বলোকের সাড়া পাবে বুকের মাঝে? ‘যেথায় থাকে সবার অধম দীনের হতে দীন’, আচারের কারাগার ভেঙে সেখানেই কি ঈশ্বরের সন্ধান করবে ধর্ম? ‘আমার মুক্তি সর্বজনের মনের মাঝে, দুঃখবিপদ তুচ্ছ করা কঠিন কাজে’ এই মন্ত্রে প্রত্যাবর্তন হবে কি মতাদর্শের এই অন্তঃসারশূন্য পৃথিবীতে?

Read more


গতকাল প্রাক্তন আইএএস কান্নন গোপীনাথন প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতা নিয়ে একটি টুইট করেছেন। উনি কাল রাত আটটায় কী বলেছেন আমরা শুনেছি। কান্নান গোপীনাথনের টুইটের বিষয়: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কী বলতে পারতেন। এখানে সেই পুরো কাল্পনিক বক্তৃতাটি অনুবাদ করে দেওয়া হল।

Read more


প্রথমটি ধনী মনিবদের সেবায় ন্যস্ত, দ্বিতীয়টি গরিব সহনাগরিক দরিদ্র ভারতীয়দের সেবায় উৎসর্গিকৃত এই দু ধরনের জীবন নিয়ে একটি লেখা।

Read more


সুন্নত দিলে হয় মুসলমান নারীর তবে কী হয় বিধান বামুন চিনি পৈতে প্রমাণ বামনি চিনি কেমনে রে

Read more


দিল্লির হিংসার পর কেমন আছে শাহিনবাগ? নতুন কি লড়াইয়ের কথা বলছেন তাঁরা?

Read more


প্রাতিষ্ঠানিক বাধ্যবাধকতা  নেই  এমন রাজনৈতিক  দলগুলির  সাধ্য  এনপিআর-এনআরসি’র   বিরুদ্ধে  বৃহত্তর লড়াইয়ে  পর্যাপ্ত  নয়। সামাজিক  পরিসরে  এক ধরনের  লড়াই  আছে। বিভিন্ন  নাগরিক  ফোরাম আছে,  কিছু  সোশ্যাল মিডিয়া  আছে,  আর আছে  স্বতস্ফূর্ত  জন আলোড়নের দৃষ্টান্ত। তাহলে কি হবে ?

Read more

by মনসুর মণ্ডল | 28 February, 2020 | 0 Comment(s) | 1878 | Tags : NPR NRC


এনআরসি, সিএএ,এনপিআর কি? আর কেনই বা বলা হচ্ছে কথা বলব না কাগজ দেখাব না ?

Read more


ঘরে আগুন লেগেছে। কে ঘুমোচ্ছে আর কে-ই বা জেগে আছে? কে আন্দোলন করছে, কেমন আন্দোলন? হুতোম ভারত ভ্রমণে বেরিয়ে যা দেখলেন

Read more


বিহার এবং পশ্চিমবঙ্গে আগামী দুটো বিধানসভা নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দিল্লিতে বিজেপির পরাজয়ের কোনও প্রভাব কি পড়বে পূর্বভারতের দুই রাজ্যের নির্বাচনে?

Read more


কর্ণাটকের এন.আর.সি , সি.এ.এ বিরোধী বিক্ষোভে বিভিন্ন সংগঠন, আর স্বতস্ফূর্ততার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে ‘হাম ভারত কে লোগ’, যা অন্য উদ্যোগ গুলির পাশাপাশি বিভিন্ন আন্দোলন সংগঠিত করতে গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা গ্রহণ করেছে।

Read more

by সৌর সরকার | 17 February, 2020 | 0 Comment(s) | 1706 | Tags : caa nrc karnataka


শুধু কৌরব নয়, পাণ্ডবরাও পলান্ন খেতেন। এবং তা বৈদিক যুগের খাদ্য বলেই বিবেচিত। পলান্ন কী? পল (মাংস) মিশ্রিত অন্ন—মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস। ভারতচন্দ্র লিখছেন, সঘৃত পলান্নে পরিপূর্ণ রত্নহাতা। পল হল মাংস।  বিরিয়ানির ইতিহাস নিয়ে একটি লেখা

Read more


উচ্ছেদের জ্বালা সব মেয়েই বোঝে। নারী পরিযায়ী, বাপের ঘর থেকে উচ্ছেদ হয়ে শ্বশুরঘর করতে যেতে হয়। প্রাকৃতিক বিপর্যয় হোক বা রাজনৈতিক বিপর্যয় - ছিন্নমূল পরিবারের দুর্ভোগ মেয়েদেরই পোহাতে হয় সবচেয়ে বেশী। তাই নাগরিকত্ব নিয়ে লড়াইয়ের মুখ মহিলারা।

Read more


আজ যে হিজাব পরা মা শিশু কোলে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছেন, আগামীদিনে রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তিনি হিজাব খোলার স্বাধীনতা চেয়েও একইরকম ভাবে সরব হবেন। লিঙ্গসাম্যের লড়াইয়েও আমাদের এক ধাক্কায় অনেকখানি এগিয়ে দিলো এই আন্দোলন, বহু মানুষ যাকে দ্বিতীয় স্বাধীনতার যুদ্ধ বলে সঠিকভাবেই চিহ্নিত করেছেন।

Read more

by সৌম্য শাহীন | 31 January, 2020 | 0 Comment(s) | 1959 | Tags :


নাগরিক আইন শুধু মুসলমান বিরোধী নয়, তা হিন্দু বিরোধীও। তার প্রচার কেন্দ্র হল বেলুড় মঠ। করলেন ঘরের ছেলে নরেন্দ্র।.....লিখছেন সৌরাংশু চট্টোপাধ্যায়।

Read more


দশ বছর ধরে খুব কাছ থেকে দেখতে দেখতে সারদা মিশন ও রামকৃষ্ণ মিশনের পরিচালকদের নিয়ে অনেক প্রশ্ন জমতে থাকে, চিড় ধরে স্বাভাবিক শ্রদ্ধাবোধে। বর্তমান পরিস্থিতিতে যখন দাঙ্গাবাজ পিশাচকে তাঁরা বরণ করলেন, নানা অভিধায় ভূষিত করলেন, সেলফি তুললেন তখন নিশ্চিত হওয়া গেল মিশন সম্পর্কে, তাদের বদমায়েশি মেশানো সাম্প্রদায়িক চরিত্র বিষয়ে।

Read more


একদা স্বামী আত্মস্থানন্দ মোদিকে বলেছিলেন, তুমি রামকৃষ্ণ মিশনের যোগ্য নও, দেশের অন্য কাজ করো। রামকৃষ্ণ মিশন প্রকৃত দেশসেবা করে। মোদি মঠের উপযুক্ত নন। এখন মোদি দেশের শাসক হয়ে রামকৃষ্ণ মিশনের যোগ্য হয়ে উঠলেন। তাঁর জন্য গর্বিত মঠের সম্পাদক। হিন্দুত্ব ও রামকৃষ্ণ মিশনের বিবর্তন নিয়ে লিখলেন উত্তম মিত্র

Read more


সিএএ, এনআরসি ও এনআরপি-র বিরোধিতা করতে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কলকাতার বহু মানুষ। পার্ক সার্কাস ময়দানে। আরম্ভ করেছিলেন ইসলাম ধর্মাবলম্বী মহিলারা, তাঁদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন শয়ে শয়ে বিভিন্ন ধর্মের মহিলা ও পুরুষ

Read more


প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ জন নানা বয়সি মহিলা তালে তালে পা মিলিয়ে ভরা মার্কেট চত্বরে উচ্চারণ করলেন সেই অ্যান্থেম যার পরতে পরতে জমা পিতৃতন্ত্রের বিরোধিতা। এই জমায়েতে সারা পৃথিবী জুড়ে বাণিজ্যিক ও নানা স্বার্থে নারীদেহকে ব্যবহারের প্রতিবাদে তারা নিজেদের শরীরকেই স্লোগান হিসেবে ব্যবহার করে।

Read more


এই যে কাগজপত্র নিয়ে হয়রানি -- কারা ভুক্তভোগী? উত্তরটা এতদিনে সবার জানা হয়ে গেছে। গরিব, নিম্নবিত্ত মানুষের কাগজপত্রের সমস‍্যা বেশি। তাদের বেশিরভাগ জনের লেখাপড়া কম বা জানা নেই।

Read more


ম্যাক্সিম গোর্কির মা থেকে নাজিব আহমেদের মা হয়ে ঐশী ঘোষের মা, এই যাত্রাপথ কেমন তার অনুসন্ধান করার একটা চেষ্টা।

Read more


দেশের আত্মার সঙ্গে লগ্ন থেকে জাতীয় পতাকা উর্ধ্বে তুলে ধরে শক্ত মাটিতে পা রেখে ভারতের মুসলমানের প্রতিবাদ মিছিলের সামনে দাঁড়াতে পারছে না পুলিশও। এতটাই ভয় পেয়েছে শাসক।

Read more

by মিলন দত্ত | 26 December, 2019 | 0 Comment(s) | 2911 | Tags : nrc CAA MUSLIM


যেয়ে দেখি সে এক মেলা। সকলেই আচেন। এদিকে বেশি ইংরেজি কম বাংলা জানা টুকটুকে ছেলেমেয়েরা ডিলান সায়েবের গান গাইচেন, ওদিকে বোরখা পরা মা জননীরা ইয়াব্বড় ফেস্টুন হাতে মিছিলে হাঁটতে তোয়ের হয়ে আচেন। এক বাবুকে দেখি বয়সে খানিক কুঁজো হয়ে পড়েচেন, এসেছেন জোয়ান মেয়ের হাত ধরে। মিছিলের ছবি হুতোমের চোখে।

Read more


এ মিছিল-এর বৈশিষ্ট্য ছিল বিভিন্নতার রং মেশানো বর্ণময়তা।এই যেমন ধরুন আপনি দু-কদম আগে গলা মেলাচ্ছিলেন ‘ইস সঙ্ঘিয়োঁ পে হল্লা বোল্‌”, এই বার তালে গোলে অম্বলে আপনি আপনার সাথীদের থেকে তেরছা মেরে ডান দিকে যদি বেঁকে যান, গুপী-বাঘার শিষ্যরা আপনাকে দিয়ে ‘ ও রে হাল্লা রাজার সেনা” গাইয়ে নেবে

Read more


জেএনইউ র ছাত্ররা বিগত ৬ বছর ধরে লড়ছে। লড়বে আগামীদিনেও। আমাদের একমাত্র করণীয় তাদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে জনতার এই বিশ্ববিদ্যালয়কে বাঁচিয়ে রাখা।

Read more


আন্তর্জাতিক আইন বলছে, বিদেশীদের জেলে বন্দী করে রাখা যায় না। তাঁদের সঙ্গে অপরাধীর মতো ব্যবহার করা যায় না। কোনও দেশে অবৈধভাবে কেউ বসবাস করলে তাঁদের মুক্ত শিবিরে নজরবন্দী করে রাখা যেতে পারে। জেলে কখনই আটক করে রাখা যায় না। এটা ভারতীয় সংবিধানের ২১ নম্বর ধারা এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নিয়মাবলীর সরাসরি লঙ্ঘন। অসমের বন্দীশিবিরগুলোতে সেটাই ঘটে চলেছে।

Read more


নিজেকে অন্যের চোখে ভালো করার নেশায় কিংবা সংখ্যাগুরুকে তোল্লাই দেওয়ার নেশায় আমি অন্যায়কে ন্যায় বলিনি। ইতিহাসের পাতায় আপনাদের এই বিশ্বাসঘাতকতা স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

Read more


অসমের পরে এবার নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মেঘালয়, অরুণাচল, মিজোরাম এবং ত্রিপুরা বিদেশি নাগরিক চিহ্নিতকরণ নিয়ে তৎপর হয়েছে। আবার একটা অশান্ত সময়ের মধ্যে যেন ঢুকে পড়ছে উত্তরপূর্বাঞ্চল।

Read more


উনিশ শতক বা প্রাচীন ভারতের গবেষণা বর্তমান ভারতে আর নেহাৎ অ্যাকাডেমিক চর্চার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই।

Read more


কেন্দ্রের অধুনা সরকার এটা খুব ভালো বোঝে যে বহু হিন্দু মানুষের মধ্যে একটা মুসলিম বিদ্বেষ কাজ করে সেটাকে কাজে লাগাতে পারলেই ক্ষমতায় থাকাটা তাঁদের জন্য সুবিধাজনক। আর প্রতিটি মানুষ শেষ বিচারে একা

Read more


এনআরসি-র বিরুদ্ধে, বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছিল চরচর করে। তাই অমিত শাহ বরাভয় দিতে এসেছিলেন হিন্দুদের, আর মুসলমানদের হুমকি। কিন্তু, দেশের মুসলমান ধর্মাবলম্বিদের বিরুদ্ধে এরকম হুমকিতে বাংলার মানুষের কী লাভ! দেশের কী লাভ?

Read more


১৯৩৬ সাল নাগাদ তোলা একটি  সাদা-কালো ছবি৷ জার্মানীর এক জাহাজ তৈরির কারখানায় শয়ে শয়ে  শ্রমিক দাঁড়িয়ে সারি বেঁধে। প্রত্যেকের ডান হাতটি 'হেইল হিটলার' বলার ভঙ্গিতে সামনে বাড়ানো। ব্যাতিক্রম একজন।

Read more


একটা আকাশকুসুম মিথ্যার সৌধ গুঁড়িয়ে গেল। ৩১ অগস্টে প্রকাশিত জাতীয় নাগরিকপঞ্জি থেকে আপাতত এ এক বড়ো পাওনা। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মহলের দাবিতে উঠে আসা অসমের 'ঘুসপেটিয়া', 'উইপোকা'দের সংখ্যা ৪০, ৫০, ৮০... লক্ষ নয়।

Read more


এনারসি নিয়ে কলকেতার বাবুবিবিদের কি মত, সেই নিয়ে এই লেখা।

Read more


কাশ্মীর এবং ভারতের বন্ধনকে দৃঢ় রাখার জন্য অসাম্প্রদায়িক মনোভাবকে উর্ধ্বে তুলে ধরে ধরা, প্রগতিশীল জনমুখী নানা কর্মসূচীর পাশাপাশি কাশ্মীরের স্বাধীনতাকামী মানুষের মনে ভরসা জাগানোর জন্য কিছু স্বশাসনের সুরক্ষা কবচের দরকার ছিল। সেই পথে এগনোর পরিকল্পনাই শেখ আবদুল্লা সামনে এনেছিলেন।

Read more


এখনও কিছু মানুষ ভেবে চলেছেন যে গ্যাসের সাবসিডির ২০০ টাকা পাওয়ার জন্য আধার করতে হবে। কিন্তু তাঁরা ভুলে যাচ্ছেন এরপর পুরো গ্যাসটাই বন্ধ হয়ে যাবে আর শুধু কাশ্মীর নয় পুরো দেশের মানুষ মারা যাবেন, কেউ বাদ যাবেন না।

Read more


কাশ্মীর দখল করলো ভারতবর্ষ তারপর কিংবা তার আগে থেকেই কাশ্মীরি মহিলাদের সম্পর্কে আমাদের কি ধারনা কাশ্মীরি মহিলাদের শরীর ও মন কাশ্মীরের মাটির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। রক্তাক্ত হলেও কাশ্মীরের মাটি প্রিয় মেয়েদের,তাই নিয়েই এই লেখা।

Read more


গ্যালিলিওর সময় থেকেই সত্যিটা খুব কম লোকের কাছেই সীমাবদ্ধ থেকেছে। অনেকে শুনতে না চাইলেও পৃথিবীটাই সূর্যের চারিদিকে প্রদক্ষিণ করছে, যদিও সেই সময়ে বেশীরভাগ মানুষ অন্যরকমটাই বলেছিল। আধার ও কি তাই ?

Read more


আমরা সয়ে নিলাম একের পর এক গণহত্যা। আমরা সয়ে নিলাম দাঙ্গায় অভিযুক্ত নির্বাচনে জিতে সংসদে যেতে পারে। আমরা সয়ে নিলাম মহাত্মা গান্ধীর ঘাতককেও দেশপ্রেমিক বলা যায়।

Read more


কাশ্মীর সমস্যা, কাশ্মীরিদের উপর নির্যাতন ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার সময় আবশ্যিকভাবেই কাশ্মীরি পণ্ডিতদের হত্যা ও বিতাড়নের প্রসঙ্গ উঠে আসে। ১৯৯০ সালে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের উপর চলা নির্যাতন এবং কাশ্মীর থেকে তাঁদের বিতাড়ন অবশ্যই ঘৃণিত ও চরম নিন্দনীয়। কিন্তু ১৯৪৭ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে জম্মুতে সংঘটিত লক্ষ গুণ ভয়াবহ মুসলিম গণহত্যার নৃশংসতা ইতিহাসের আড়ালেই রয়ে যায়, রেখে দেওয়া হয়। লিখছেন জিম নওয়াজ।

Read more


তাৎক্ষণিক তিন তালাক আসলে পুরুষের একতরফা বিচ্ছেদ ঘোষণা। ভারতে এমন ঘটনা আকছার ঘটে চলেছে। তবে আইন শুধু মুসলমান পুরুষের জন্য কেন? আইনের তোয়াক্কা না করে স্বামী ত্যাগ করেছেন, এমন স্বামী পরিত্যক্তা হিন্দু রমণীর সংখ্যা ১৯ লক্ষ আর মুসলমান নারী ২.৮ লক্ষ

Read more


কাউকে সরকারের বিরোধিতা করার জন্য দেশবিরোধী বা আরবান নকশাল হিসেবে চিহ্নিত করা উচিৎ নয়। শাসক দলকে সমালোচনা করার অর্থ দেশকে সমালোচনা করা নয়। শাসক দল ও দেশ এক নয়। ক্ষমতায় থাকা কোন শাসক দল আর দেশ সমার্থক নয়। ফলে সরকারিবিরোধী অবস্থানকে দেশবিরোধী অবস্থান হিসেবে পরিগণিত করা যায় না।

Read more

by সহমন | 29 July, 2019 | 0 Comment(s) | 1918 | Tags : Antinational Aparna Sen sedition


যারা এই তথ্যের অধিকার নিয়ে কাজ করেন, তাঁরাও আশঙ্কা করছেন যে আসলে ঘুরিয়ে যে নাগরিকেরা এই প্রশ্ন করাটাকে উৎসাহিত করেন এই “তথ্য জানার অধিকার আইন সংশোধন” সেই নাগরিকদেরই ডানা ছাঁটার চক্রান্ত নয় তো ?

Read more


সময় থেমে থাকে না, রাজনীতিও না। বাম রাজনীতি নতুন মোড় নেবে কিনা তা সময় বলবে। কিন্তু আপাতত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর কথাকে সত্যি করে বাংলার মানুষ তৃণমূলের গরম তাওয়ার থেকে বিজেপির জ্বলন্ত উনুনকে বেছে নিয়েছেন। আলোচনা করেছেন সুমন সেনগুপ্ত।

Read more


নির্বাচনের ফলাফল জানিয়ে দিল দৈনন্দিন জীবনের সমস্যার থেকে, কর্মসংস্থান, দারিদ্র, স্বাস্থ্য, কৃষিপণ্যের ন্যায্য দাম, মজুরি বা অসাম্যের থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ নিজের দেশের সংখ্যালঘুদের দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিকে রূপান্তর করা। কেন? জানিয়েছেন অমিত দাসগুপ্ত।

Read more


শঙ্কিত সংখ্যালঘুর পাশে দাঁড়ানোর সময় এখন। দেশের এই ঘোর বিপদে আসুন তার পাশে থাকার চেষ্টা করি নিরন্তর। তার সঙ্গে মিলতে হবে সহজ করে। সেই পথেরই ইঙ্গিত দিয়েছেন সুমন সেনগুপ্ত।

Read more


এদিকে রাজ্যে মেগালোম্যানিয়াক শাসক ওদিকে কেন্দ্রে চৌকিদার প্রধানমন্ত্রী কৃষকের দুরবস্থায় যখন কুম্ভীরাশ্রু পাত করছেন তখন টাকার অঙ্কে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির হার তলানিতে ঠেকেছে। হিসেব কষে দেখিয়েছেন অমিত দাশগুপ্ত।

Read more


দেশের শাসক দলের ইস্তাহারের মূল বক্তব্যই জাতীয়তাবোধ। পাশাপাশি তাঁদের দাবি, দেশকে তাঁরা অর্থনৈতিক ভাবে সামনের সারিতে পৌঁছে দেবেন এই শতকের মাঝামাঝি। পুরনো কথা আবার বাণীর মতো এসেছে, কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করে দেওয়া হবে ২০২২ সালের মধ্যে। এই সব দাবিদাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সুমন সেনগুপ্ত।

Read more


অরণ্য সংরক্ষণের নামে ২০ লক্ষ বন-নির্ভর আদিবাসী ও মূলবাসী মানুষকে ভিটেছাড়া করতে চায় সরকার। তা আমাদের কীভাবে রিক্ত হব, অমূল্য জ্ঞান ভাণ্ডার নিশ্চিহ্ন হবে তার একটা আন্দাজ দিয়েছেন সুদেষ্ণা দত্ত।

Read more


নরেন্দ্র মোদী মুখ্যমন্ত্রী হয়েই গুজরাটে ব্যক্তিগত তথ্য সংবলিত চিপ-কার্ড তৈরি করেন। তার অব্যবহিত পরেই কুখ্যাত ‘গুজরাট দাঙ্গা’।মুসলমানদের বাড়িগুলো চিহ্নিত করা হয়েছিল তালিকা মিলিয়ে ঢ্যাঁড়া দিয়ে। সেই রকম কোনও উপকরণ নয় তো ‘আধার’? প্রশ্ন তুলেছেন  সুমন সেনগুপ্ত।

Read more


গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ সুপ্রিম কোর্টে অরুণ মিশ্রের নেতৃত্বে তিন বিচারপতির বেঞ্চ বনবাসীদের উচ্ছেদের মারাত্মক রায়টি দেয়। যারা ‘অরণ্যের অধিকার আইন, ২০০৬’ অনুযায়ী জমির জন্য আবেদন করেছিলেন কিন্তু সেই আবেদন খারিজ হয়ে গেছে এমন প্রত্যেক ব্যক্তিকে...

Read more


নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত ব্যস্ত এটা প্রমাণ করতে যে ভারতীয় গণতন্ত্র অটুট আছে, কারণ ইতিমধ্যেই ইভিএম নিয়েই যে প্রশ্ন উঠছে সেগুলো নির্বাচন কমিশনকে ভাবাচ্ছে। ইভিএম কি সত্যিই প্রযুক্তি দিয়ে প্রভাবিত করা সম্ভব? সেই নিয়েই কিছু কথা বলেছেন সুমন সেনগুপ্ত।

Read more


ভারতে টিঁকে থাকা সর্ববৃহৎ অখন্ড অরণ্যভূমির অন্যতম হাসদেও আরানিয়া। ভারতের ঠিক বুকের মাঝে এর অবস্থান। এই গভীর অরণ্য হাতি চিতা ভাল্লুক সহ বহু বন্যপ্রাণীর আবাস। এখানে আছে বিপুল জল সম্পদ। এই নিবিড় অরণ্যভূমিকে ২০০৯ সালে ‘No-Go’ হিসেবে ঘোষণা করেছিল...

Read more